ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

শাহ পরীর দ্বীপের ৫ জেলেকে ফেরত দেয়নি আরাকান আর্মি

#
news image

টেকনাফের নাফ নদীতে মাছ শিকারে যাওয়া ৫ জেলেকে এখনো ফেরত দেয়নি মিয়ানমারের আরাকান আর্মি। নিখোঁজদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। বিজিবি বলছে, মাছ শিকারের সময় সীমান্তের বিষয়ে জেলেদের আরো সর্তক হওয়া দরকার।

টেকনাফের সীমান্তবর্তী জীবন-জীবিকার বড় মাধ্যম নাফ নদী। আর সেই নাফ নদীতে গত মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে মাছ শিকারের সময় স্পীড বোটে এসে অস্ত্রের মুখে নৌকা সহ ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি।

এরই মধ্যে চার দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও এখানো জেলেদের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ জেলের পরিবার নিখোজ জেলেরা হলের, শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়ার জেলে মোহাম্মদ ইলিয়াছ তাঁর দুই ছেলে আক্কল আলী ও নুর হোসেন, কালু মিয়ার ছেলে সাবের হোসেন এবং নুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম। জেলেদের কোন সন্ধান না পাওয়ায় শোকের মাতক চলছে নিখোঁজদের পরিবারে।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন জানান, জেলে নিখোঁজের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করা যায় দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলেদের ফেতর পাওয়া যাবে।

 এ প্রসঙ্গে কক্সবাজারের রামু’র বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায় জেলেরা মাছ শিকার করতে করতে মিয়ানমারের জল সীমায় চলে যায়। আর তখনই মিয়ানমারের ওপারে থাকা বাহিনী তাদের ধরে নিয়ে যায়। তাই জেলেদের সবসময় সতর্ক করা হয় যেন মাছ ধরার সময় মিয়ানমারের জলসীমায় না যায়। মিয়ানমারের কারো কোন ক্ষমতা নাই এই পার থেকে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়া। তাই জেলেদের সতর্ক থাকা জরুরী।

দেড় বছর ধরে নাফ নদীর ওপারের মিয়ানমার অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মি। সীমান্তবর্তীর জীবন জীবিকার মাধ্যম নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বারবার ঝুঁকিতে পড়ছেন স্থানীয়রা। প্রশাসনের কাছে তাদের প্রত্যাশা নিরাপদ নাফ নদী ও জীবন।

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :

১৭ আগস্ট, ২০২৫,  12:26 AM

news image

টেকনাফের নাফ নদীতে মাছ শিকারে যাওয়া ৫ জেলেকে এখনো ফেরত দেয়নি মিয়ানমারের আরাকান আর্মি। নিখোঁজদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। বিজিবি বলছে, মাছ শিকারের সময় সীমান্তের বিষয়ে জেলেদের আরো সর্তক হওয়া দরকার।

টেকনাফের সীমান্তবর্তী জীবন-জীবিকার বড় মাধ্যম নাফ নদী। আর সেই নাফ নদীতে গত মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে মাছ শিকারের সময় স্পীড বোটে এসে অস্ত্রের মুখে নৌকা সহ ৫ জেলেকে ধরে নিয়ে যায় আরাকান আর্মি।

এরই মধ্যে চার দিন অতিবাহিত হয়ে গেলেও এখানো জেলেদের কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ জেলের পরিবার নিখোজ জেলেরা হলের, শাহপরীর দ্বীপ জালিয়াপাড়ার জেলে মোহাম্মদ ইলিয়াছ তাঁর দুই ছেলে আক্কল আলী ও নুর হোসেন, কালু মিয়ার ছেলে সাবের হোসেন এবং নুর হোসেনের ছেলে সাইফুল ইসলাম। জেলেদের কোন সন্ধান না পাওয়ায় শোকের মাতক চলছে নিখোঁজদের পরিবারে।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দিন জানান, জেলে নিখোঁজের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করা যায় দ্রুত সময়ের মধ্যে জেলেদের ফেতর পাওয়া যাবে।

 এ প্রসঙ্গে কক্সবাজারের রামু’র বিজিবি সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায় জেলেরা মাছ শিকার করতে করতে মিয়ানমারের জল সীমায় চলে যায়। আর তখনই মিয়ানমারের ওপারে থাকা বাহিনী তাদের ধরে নিয়ে যায়। তাই জেলেদের সবসময় সতর্ক করা হয় যেন মাছ ধরার সময় মিয়ানমারের জলসীমায় না যায়। মিয়ানমারের কারো কোন ক্ষমতা নাই এই পার থেকে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়া। তাই জেলেদের সতর্ক থাকা জরুরী।

দেড় বছর ধরে নাফ নদীর ওপারের মিয়ানমার অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান আর্মি। সীমান্তবর্তীর জীবন জীবিকার মাধ্যম নাফ নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বারবার ঝুঁকিতে পড়ছেন স্থানীয়রা। প্রশাসনের কাছে তাদের প্রত্যাশা নিরাপদ নাফ নদী ও জীবন।