ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

নিখোঁজ মেয়ের খোঁজে পথে পথে বাবা

#
news image

খুলনার কয়রার শাহবাজ আলী সেখ (৬৪) প্রায় ২০ দিন ধরে খুঁজে ফিরছেন তার মেয়ে আসমা বেগমকে (৩৭)। দুই কন্যাসহ তিনি খুলনার ফুলতলা উপজেলার শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছেন।

শাহবাজ আলীর অভিযোগ, তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী মিলন খন্দকারের (৪০) নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন। মদ, গাঁজাসহ নেশাজাতীয় দ্রব্যে আসক্ত মিলন প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। যৌতুকের দাবিতেও চাপ দিতেন। মোবাইল গেম ও জুয়ায় আসক্তির কারণে সংসারে নিত্য অশান্তি তৈরি হতো।

প্রায় ২০ বছর আগে আসমার বিয়ে হয় ফুলতলার দামোদর গ্রামের মৃত মুজিবর খন্দকারের ছেলে মিলন খন্দকারের সঙ্গে। বিয়ের পর তাদের সংসারে দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সংসারের শুরু থেকেই স্বামীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও নির্যাতন চলতে থাকলেও শাহবাজ আলী বারবার মেয়েকে বুঝিয়ে স্বামীর সংসারে পাঠান।

গত ২ আগস্ট রাত ৮টার দিকে মিলন শ্বশুরকে ফোন করে জানান, আসমা দুই সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন। এরপর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে মেয়ের খোঁজ চাইতে গেলে জামাতা উল্টো শ্বশুরকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন শাহবাজ।

মেয়েকে ফিরে পেতে ইতিমধ্যে কয়রা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা দিয়েছেন, কেউ যদি তার মেয়ে ও নাতনিদের খুঁজে দিতে পারেন, তবে তিনি ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন। সম্প্রতি কয়রা সাংবাদিক ফোরামে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে মেয়ে নিখোঁজের বিষয়টি তুলে ধরে প্রশাসনের সহযোগিতা চান।

শাহবাজ আলীর পরিবার জানায়, মেয়ের শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী। খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিন দিন তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। আর শাহবাজ আলী প্রতিদিন দফায় দফায় বিভিন্ন মানুষের দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেবল মেয়ের খোঁজে।

কয়রা থানার ওসি মো. ইমদাদুল হক বলেন, নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি :

২২ আগস্ট, ২০২৫,  11:20 PM

news image

খুলনার কয়রার শাহবাজ আলী সেখ (৬৪) প্রায় ২০ দিন ধরে খুঁজে ফিরছেন তার মেয়ে আসমা বেগমকে (৩৭)। দুই কন্যাসহ তিনি খুলনার ফুলতলা উপজেলার শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছেন।

শাহবাজ আলীর অভিযোগ, তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্বামী মিলন খন্দকারের (৪০) নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন। মদ, গাঁজাসহ নেশাজাতীয় দ্রব্যে আসক্ত মিলন প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করতেন। যৌতুকের দাবিতেও চাপ দিতেন। মোবাইল গেম ও জুয়ায় আসক্তির কারণে সংসারে নিত্য অশান্তি তৈরি হতো।

প্রায় ২০ বছর আগে আসমার বিয়ে হয় ফুলতলার দামোদর গ্রামের মৃত মুজিবর খন্দকারের ছেলে মিলন খন্দকারের সঙ্গে। বিয়ের পর তাদের সংসারে দুই কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। সংসারের শুরু থেকেই স্বামীর সঙ্গে দ্বন্দ্ব ও নির্যাতন চলতে থাকলেও শাহবাজ আলী বারবার মেয়েকে বুঝিয়ে স্বামীর সংসারে পাঠান।

গত ২ আগস্ট রাত ৮টার দিকে মিলন শ্বশুরকে ফোন করে জানান, আসমা দুই সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন। এরপর থেকে তাদের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তবে মেয়ের খোঁজ চাইতে গেলে জামাতা উল্টো শ্বশুরকে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন শাহবাজ।

মেয়েকে ফিরে পেতে ইতিমধ্যে কয়রা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘোষণা দিয়েছেন, কেউ যদি তার মেয়ে ও নাতনিদের খুঁজে দিতে পারেন, তবে তিনি ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেবেন। সম্প্রতি কয়রা সাংবাদিক ফোরামে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি শ্বশুরবাড়ি থেকে মেয়ে নিখোঁজের বিষয়টি তুলে ধরে প্রশাসনের সহযোগিতা চান।

শাহবাজ আলীর পরিবার জানায়, মেয়ের শোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তার স্ত্রী। খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিন দিন তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। আর শাহবাজ আলী প্রতিদিন দফায় দফায় বিভিন্ন মানুষের দরজায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেবল মেয়ের খোঁজে।

কয়রা থানার ওসি মো. ইমদাদুল হক বলেন, নিখোঁজ সংক্রান্ত একটি জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।