ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান সিএমইউজে ও প্রেসক্লাবের

#
news image

গত বুধবার সন্ধ্যায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডবলমুরিং থানায় দৈনিক আজকের পত্রিকার সাংবাদিক আবদুল কাইয়ুম ও দৈনিক যায়যায়দিনের সাংবাদিক সাহিদুল ইসলাম মাসুমের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে পুলিশ। একই দিন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ২৪ এ প্রচারিত একটি সংবাদের প্রতিবাদে সিএমপির পক্ষ থেকে দেয়া অপ্রয়োজনীয়ভাবে কঠোর ভাষা প্রয়োগের মাধ্যমে হুমকি প্রদান অনভিপ্রেত ও উদ্বেগজনক মনে করছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) ও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। এক বিবৃতিতে সিএমইউজে সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অন্তর্বর্তী কমিটির সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, নির্বাহী সদস্য মুস্তফা নঈম ও গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, আমরা মনে করি এসব ঘটনা মুক্ত ও অবাধ গণমাধ্যমের পরিবেশকে বিঘ্নিত করছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, গণমাধ্যম, পুলিশ কিংবা অন্যান্য সংস্থাগুলো নির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালা দ্বারা পরিচালিত হয়। সুতরাং নিজ নিজ পেশার আইন ও নীতিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালনের এবং অন্য সংস্থার আইন ও নীতিমালার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে সবার জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। এর মধ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের যেহেতু অনেকটা অনিরাপদ পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হয়, তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও দপ্তরগুলোর উচিত সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ ও ভয়হীন পরিবেশ সৃষ্টি করা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বুধবার সংগঠিত ঘটনার প্রেক্ষিতে সিএমইউজে নেতৃবৃন্দ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঘটনা অবহিত করে এর প্রতিকারের দাবি জানান। এর প্রেক্ষিতে সিএমপি কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার আশ্বাস দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহের কথা জানান। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে, পতিত ফ্যাসিবাদের সহযোগীরা এই ঘটনাকে পুঁজি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সিএমপি’র বিবৃতির প্রতিবাদের আড়ালে ছাত্র-জনতার উপর চালানো গণহত্যার উসকানিদাতা, হত্যা মামলার আসামি কথিত সাংবাদিক নামধারীদের নেতৃত্বে দলীয় স্লোগান দিয়ে সমাবেশ হয়েছে, যা সরকার বিরোধী অপতৎপরতার অংশ কিনা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মূলত সাংবাদিকতার নাম-পরিচয়ের আড়ালে এই চক্রটি পতিত সরকারের নেতাদের নির্দেশে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার সুগভীর চক্রান্তে লিপ্ত আছে। আমরা মনে করি পতিত ফ্যাসিস্টের সহযোগীদের আইনের আওতায় না আনার কারণে সিএমপির বিবৃতিকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে পতিত ফ্যাসিবাদের পক্ষে নতুন করে বয়ান তৈরির দুঃসাহস দেখাচ্ছে। অবিলম্বে এসব মামলার আসামি গণ-হত্যার উসকানিদাতাদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বিগত জুলাই বিপ্লবের পক্ষে ভূমিকা পালনকারী দেশ প্রেমিক সাংবাদিকদেরকে এই সব চক্রান্তের বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি :

২৩ আগস্ট, ২০২৫,  12:28 AM

news image

গত বুধবার সন্ধ্যায় গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন চলাকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ডবলমুরিং থানায় দৈনিক আজকের পত্রিকার সাংবাদিক আবদুল কাইয়ুম ও দৈনিক যায়যায়দিনের সাংবাদিক সাহিদুল ইসলাম মাসুমের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে পুলিশ। একই দিন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ২৪ এ প্রচারিত একটি সংবাদের প্রতিবাদে সিএমপির পক্ষ থেকে দেয়া অপ্রয়োজনীয়ভাবে কঠোর ভাষা প্রয়োগের মাধ্যমে হুমকি প্রদান অনভিপ্রেত ও উদ্বেগজনক মনে করছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিএমইউজে) ও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ। এক বিবৃতিতে সিএমইউজে সভাপতি মোহাম্মদ শাহনওয়াজ, সাধারণ সম্পাদক সালেহ নোমান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অন্তর্বর্তী কমিটির সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, নির্বাহী সদস্য মুস্তফা নঈম ও গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, আমরা মনে করি এসব ঘটনা মুক্ত ও অবাধ গণমাধ্যমের পরিবেশকে বিঘ্নিত করছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, গণমাধ্যম, পুলিশ কিংবা অন্যান্য সংস্থাগুলো নির্দিষ্ট আইন ও নীতিমালা দ্বারা পরিচালিত হয়। সুতরাং নিজ নিজ পেশার আইন ও নীতিমালা যথাযথভাবে প্রতিপালনের এবং অন্য সংস্থার আইন ও নীতিমালার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে সবার জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। এর মধ্যে গণমাধ্যমকর্মীদের যেহেতু অনেকটা অনিরাপদ পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হয়, তাই সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও দপ্তরগুলোর উচিত সাংবাদিকদের জন্য নিরাপদ ও ভয়হীন পরিবেশ সৃষ্টি করা।

নেতৃবৃন্দ বলেন, গত বুধবার সংগঠিত ঘটনার প্রেক্ষিতে সিএমইউজে নেতৃবৃন্দ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ঘটনা অবহিত করে এর প্রতিকারের দাবি জানান। এর প্রেক্ষিতে সিএমপি কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার আশ্বাস দিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনার আগ্রহের কথা জানান। কিন্তু দুঃখজনক হচ্ছে, পতিত ফ্যাসিবাদের সহযোগীরা এই ঘটনাকে পুঁজি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার অপচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সিএমপি’র বিবৃতির প্রতিবাদের আড়ালে ছাত্র-জনতার উপর চালানো গণহত্যার উসকানিদাতা, হত্যা মামলার আসামি কথিত সাংবাদিক নামধারীদের নেতৃত্বে দলীয় স্লোগান দিয়ে সমাবেশ হয়েছে, যা সরকার বিরোধী অপতৎপরতার অংশ কিনা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, মূলত সাংবাদিকতার নাম-পরিচয়ের আড়ালে এই চক্রটি পতিত সরকারের নেতাদের নির্দেশে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার সুগভীর চক্রান্তে লিপ্ত আছে। আমরা মনে করি পতিত ফ্যাসিস্টের সহযোগীদের আইনের আওতায় না আনার কারণে সিএমপির বিবৃতিকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করিয়ে পতিত ফ্যাসিবাদের পক্ষে নতুন করে বয়ান তৈরির দুঃসাহস দেখাচ্ছে। অবিলম্বে এসব মামলার আসামি গণ-হত্যার উসকানিদাতাদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে বিগত জুলাই বিপ্লবের পক্ষে ভূমিকা পালনকারী দেশ প্রেমিক সাংবাদিকদেরকে এই সব চক্রান্তের বিষয়ে সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।