গোমস্তাপুরে হাঁস পালন করে ভাগ্য পরিবর্তন, তরুণদের অনুপ্রেরণা শরিফুল ইসলাম
আনোয়ার হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
২৮ আগস্ট, ২০২৫, 9:10 AM
গোমস্তাপুরে হাঁস পালন করে ভাগ্য পরিবর্তন, তরুণদের অনুপ্রেরণা শরিফুল ইসলাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের লক্ষিপুর গ্রামের যুবক শরিফুল ইসলাম জীবনের কঠিন সময় পার করে আজ দাঁড়িয়েছেন সাফল্যের চূড়ায়। তিনি পাতি হাঁস পালনকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে বদলে দিয়েছেন নিজের ভাগ্য, পাশাপাশি তৈরি করেছেন কয়েকজনের কর্মসংস্থান। বর্তমানে এলাকাবাসীর কাছে তিনি পরিচিত একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে অল্প সংখ্যক হাঁস নিয়ে খামার শুরু করেন শরিফুল। পরিশ্রম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে ধীরে ধীরে খামারের পরিধি বাড়ান তিনি। বর্তমানে তার খামারে উৎপাদিত ডিম ও হাঁস বাজারে ব্যাপক চাহিদা তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে তিনি নিজের পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন তো করেছেই, একই সঙ্গে আশেপাশের কয়েকজন বেকার যুবকেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন।
তার সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে গ্রামের ছেলে-মেয়েরা বেকারত্ব দূরীকরণের বিকল্প উপায় হিসেবে হাঁস পালনের দিকে ঝুঁকছে। অনেকে শরিফুল ইসলামের কাছ থেকে সরাসরি পরামর্শ নিয়ে ক্ষুদ্র খামার গড়ে তুলেছে এবং ইতিমধ্যে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার পথে হাঁটছে।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, শরিফুল ইসলামের উদ্যোগ শুধু আর্থিক উন্নয়নেই নয়, বরং গ্রামীণ জীবনে আত্মকর্মসংস্থানের একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাদের বিশ্বাস, যদি সরকারি বা বেসরকারি পর্যায় থেকে এ ধরনের উদ্যোগে সহযোগিতা বাড়ানো যায়, তবে গ্রামীণ অর্থনীতিতে আরও বড় পরিবর্তন আসবে।
গ্রামের প্রবীণরা মনে করেন, শরিফুল ইসলাম প্রমাণ করেছেন যে ইচ্ছাশক্তি আর পরিশ্রম থাকলে গ্রামে বসেই স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। তাই তারা শরিফুলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এটিকে অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।
আনোয়ার হোসেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :
২৮ আগস্ট, ২০২৫, 9:10 AM
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর ইউনিয়নের লক্ষিপুর গ্রামের যুবক শরিফুল ইসলাম জীবনের কঠিন সময় পার করে আজ দাঁড়িয়েছেন সাফল্যের চূড়ায়। তিনি পাতি হাঁস পালনকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে বদলে দিয়েছেন নিজের ভাগ্য, পাশাপাশি তৈরি করেছেন কয়েকজনের কর্মসংস্থান। বর্তমানে এলাকাবাসীর কাছে তিনি পরিচিত একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে অল্প সংখ্যক হাঁস নিয়ে খামার শুরু করেন শরিফুল। পরিশ্রম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে ধীরে ধীরে খামারের পরিধি বাড়ান তিনি। বর্তমানে তার খামারে উৎপাদিত ডিম ও হাঁস বাজারে ব্যাপক চাহিদা তৈরি করেছে। এর মাধ্যমে তিনি নিজের পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন তো করেছেই, একই সঙ্গে আশেপাশের কয়েকজন বেকার যুবকেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছেন।
তার সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে গ্রামের ছেলে-মেয়েরা বেকারত্ব দূরীকরণের বিকল্প উপায় হিসেবে হাঁস পালনের দিকে ঝুঁকছে। অনেকে শরিফুল ইসলামের কাছ থেকে সরাসরি পরামর্শ নিয়ে ক্ষুদ্র খামার গড়ে তুলেছে এবং ইতিমধ্যে তারা স্বাবলম্বী হওয়ার পথে হাঁটছে।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, শরিফুল ইসলামের উদ্যোগ শুধু আর্থিক উন্নয়নেই নয়, বরং গ্রামীণ জীবনে আত্মকর্মসংস্থানের একটি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাদের বিশ্বাস, যদি সরকারি বা বেসরকারি পর্যায় থেকে এ ধরনের উদ্যোগে সহযোগিতা বাড়ানো যায়, তবে গ্রামীণ অর্থনীতিতে আরও বড় পরিবর্তন আসবে।
গ্রামের প্রবীণরা মনে করেন, শরিফুল ইসলাম প্রমাণ করেছেন যে ইচ্ছাশক্তি আর পরিশ্রম থাকলে গ্রামে বসেই স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। তাই তারা শরিফুলের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং এটিকে অন্যদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।