ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

রাজনীতির ছত্রছায়ায় সামাজিক অঙ্গনে সুবিধাবাদিদের ক্ষমতার মহড়া আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

#
news image

ঐতিহ্যময় সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই মাথা চারা দিয়ে উঠেছে এক শ্রেণীর পেশিশক্তির উত্তাপে গড়া উগ্র বদমেজাজি, উসকানিদাতা, অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মাদকসেবী ব্যক্তিদের ব্যাপক তৎপরতা। যাদের মুখ্য উদ্দেশ্য রাজনীতির ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়ে সুযোগ বুঝে পেশিশক্তি প্রয়োগ করে ক্ষুধার্ত বাঘের মতো প্রতিনিয়ত শিকার খোঁজা। এদের সাথে যুক্ত রয়েছে কিছু কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্যরা। এদের আড়ালে রয়েছে অবৈধ অর্থ উপার্জনকারী কৌশলী ব্যক্তিদের সিন্ডিকেট। এদের রয়েছে বহুমুখী সোর্স, যাদের মাধ্যমে সমাজে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার নেপথ্যে থেকে ঘোলা পানিতে মাছ ধরার মতো অবস্থা তৈরি করে নিজেদের পকেট ভারি করা। এমন প্রচেষ্টায় প্রতিনিয়ত চষে বেড়াচ্ছে এলাকা। এদের খপ্পরে পড়ে অনেক সহজ-সরল সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকে প্রাণের ভয়ে কিছু বলার সাহস পায় না।

এলাকার প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগীদের বক্তব্য বা তাদের ক্ষতির ব্যাপারে জানতে চাইলে দুঃখভারাক্রান্ত কণ্ঠে বলে—“আমাদের কথা শুনে কোনো কিছুই হবে না। বেঁচে আছি এটাই যথেষ্ট, এর বেশি কিছু বলতে চাই না।”
এলাকার সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, দুঃখ, কষ্ট আর তাদের আত্মচিৎকার নীরবে এক ভয়ঙ্কর অগ্নিগিরির অবস্থা সৃষ্টি করছে। এর আত্মপ্রকাশ হলে হয়তো সাধারণ মানুষগুলোই সে অগ্নিগিরিতে জ্বলে পুড়ে মরবে, কিন্তু মূল হোতাদের কিছুই হবে না।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেলকুচি উপজেলার বাসিন্দা ৮৫ বছরের এক বৃদ্ধ জানান, এমন বাস্তব অবস্থা থেকে বর্তমান অবস্থায় বেঁচে থাকা মানুষগুলো নিয়ে দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদরা এবং বুদ্ধিজীবীরা কি ভাবছেন? এদেশের সমাজ ব্যবস্থায় এমন অবক্ষয় একদিনে হয়নি। রাজনীতির প্রতিহিংসায় ধ্বংসের মহাস্তূপের নিচে চাপা পড়ে এ প্রজন্মের শান্তিময় শৃঙ্খল পরিবেশ তিলে তিলে নিমজ্জিত হচ্ছে। এখন যা দৃশ্যায়ন হচ্ছে তা ধ্বংসের লেলিহান শিখা আর হিংসার ইতিহাসে লেখা পাণ্ডুলিপি। যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রাজনীতির প্রতি ভালোবাসা ও ঘৃণা জন্ম নেওয়ার উদাহরণ হয়ে রইবে বিশ্বচিত্রে । এই বাস্তবতা বোঝার ক্ষমতা শুধু ভুক্তভোগীদেরই জন্য দৃশ্যমান, আর এর বাইরে অন্যদের জন্য আফসোস আর মায়াকান্না ব্যতীত কিছুই নেই।

এর প্রভাব দেশের গণমাধ্যমেও যেমন পড়েছে তেমনি অন্যান্য পেশার মানুষের মাঝেও বিদ্যমান। পুলিশ প্রশাসনের নিরব ভুমিকা পালন, রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া ব্যক্তিদের ব্যবসায়ী মনোভাব, সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তিদের অর্থের বিনিময়ে দলীয় ব্যক্তিদের অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার—এসবের মাঝেই বহাল তবিয়তে দেশের শীর্ষ অপরাধীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছে দাপটের সাথে। এরা গ্রামের পাড়া-মহল্লায় গ্রুপিং নেটওয়ার্ক চালু করেছে। সুবিধাবাদী ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষদের উসকে দিচ্ছে যে বেঁচে থাকার তাগিদেই যে কোনো গ্রুপে সংগঠিত থাকতে হবে, নাহলে বিপদে সহায়তা করবে কে? এমন মনোভাব আর হতাশার নানা দিক তুলে ধরে সুবিধাবাদীরা তাদের নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে সাধারণ মানুষদের।

এরা গ্রুপভুক্ত ব্যক্তিদের নানা অসামাজিক কার্যকলাপে পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে অপরাধী বানাচ্ছে। এসব নিরীহ ব্যক্তিরা ক্রমান্বয়ে দেশের নানা অপরাধ তালিকায় যুক্ত হচ্ছে। গ্রামের পাড়া-মহল্লায় ছড়িয়ে পড়ছে নতুন অপরাধীদের পরিধি।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো ঘুরে উন্নয়ন অনুসন্ধান ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে এবং এলাকার বিভিন্ন সচেতন ব্যক্তিদের দ্বারা জানা যায় চলমান সময়ের পরিস্থিতি। সম্প্রতি বিভিন্ন কার্যকলাপের বাস্তব দৃশ্যায়ন যা আগামী দিনের জন্য গণিতের হাড়ে যুক্ত হচ্ছে অপরাধীদের সংখ্যা।

জনস্বার্থে মন্তব্যে নিরপেক্ষতা নেই—এসব ঘটনার নেপথ্যে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া অসৎ ব্যক্তিদের প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলে সামাজিক সূত্রে জানা যায়। এলাকার সংঘটিত অপরাধের বাস্তব চিত্রেই যার প্রমাণ রয়েছে। সরকারের সেবামূলক সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের যেখানে যে রয়েছে সেখানে নিয়ন্ত্রণ করছে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া অসৎ সুবিধাবাদীরা।

এই সুবিধাবাদী ব্যক্তিরাই যুগ যুগ ধরে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি, বিবেকনীতি—সকল নীতি সুস্বাদু খাবারের মতোই দুমড়ে-মুচড়ে খাচ্ছে দানবের ভূমিকায়। এদের অন্তরালে রয়েছে মাকড়সার জালের মতো বিস্তার করা সাম্রাজ্য নিয়ে মহাজ্ঞানের দুষ্টু চক্রের পাণ্ডুলিপি। যা প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে, আর নানা অপরাধের সাথে আটকে গিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে দেশের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। এর গন্তব্যে অপেক্ষা করছে বিবেকহীন পাপের প্রায়শ্চিত্তে ফুলেল শুভেচ্ছা। যা গ্রহণকারী আর প্রদানকারীদের বুকফাটা আর্তনাদ ধ্বংসের ধূলিকণায় বেঁচে থাকার তাগিদেই এ প্রজন্মের সময়ের সাক্ষী হয়ে থাকবে।

খন্দকার মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ : 

২৮ আগস্ট, ২০২৫,  9:14 AM

news image

ঐতিহ্যময় সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় হঠাৎ করেই মাথা চারা দিয়ে উঠেছে এক শ্রেণীর পেশিশক্তির উত্তাপে গড়া উগ্র বদমেজাজি, উসকানিদাতা, অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মাদকসেবী ব্যক্তিদের ব্যাপক তৎপরতা। যাদের মুখ্য উদ্দেশ্য রাজনীতির ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়ে সুযোগ বুঝে পেশিশক্তি প্রয়োগ করে ক্ষুধার্ত বাঘের মতো প্রতিনিয়ত শিকার খোঁজা। এদের সাথে যুক্ত রয়েছে কিছু কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্যরা। এদের আড়ালে রয়েছে অবৈধ অর্থ উপার্জনকারী কৌশলী ব্যক্তিদের সিন্ডিকেট। এদের রয়েছে বহুমুখী সোর্স, যাদের মাধ্যমে সমাজে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার নেপথ্যে থেকে ঘোলা পানিতে মাছ ধরার মতো অবস্থা তৈরি করে নিজেদের পকেট ভারি করা। এমন প্রচেষ্টায় প্রতিনিয়ত চষে বেড়াচ্ছে এলাকা। এদের খপ্পরে পড়ে অনেক সহজ-সরল সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেকে প্রাণের ভয়ে কিছু বলার সাহস পায় না।

এলাকার প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগীদের বক্তব্য বা তাদের ক্ষতির ব্যাপারে জানতে চাইলে দুঃখভারাক্রান্ত কণ্ঠে বলে—“আমাদের কথা শুনে কোনো কিছুই হবে না। বেঁচে আছি এটাই যথেষ্ট, এর বেশি কিছু বলতে চাই না।”
এলাকার সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, দুঃখ, কষ্ট আর তাদের আত্মচিৎকার নীরবে এক ভয়ঙ্কর অগ্নিগিরির অবস্থা সৃষ্টি করছে। এর আত্মপ্রকাশ হলে হয়তো সাধারণ মানুষগুলোই সে অগ্নিগিরিতে জ্বলে পুড়ে মরবে, কিন্তু মূল হোতাদের কিছুই হবে না।

এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেলকুচি উপজেলার বাসিন্দা ৮৫ বছরের এক বৃদ্ধ জানান, এমন বাস্তব অবস্থা থেকে বর্তমান অবস্থায় বেঁচে থাকা মানুষগুলো নিয়ে দেশের প্রবীণ রাজনীতিবিদরা এবং বুদ্ধিজীবীরা কি ভাবছেন? এদেশের সমাজ ব্যবস্থায় এমন অবক্ষয় একদিনে হয়নি। রাজনীতির প্রতিহিংসায় ধ্বংসের মহাস্তূপের নিচে চাপা পড়ে এ প্রজন্মের শান্তিময় শৃঙ্খল পরিবেশ তিলে তিলে নিমজ্জিত হচ্ছে। এখন যা দৃশ্যায়ন হচ্ছে তা ধ্বংসের লেলিহান শিখা আর হিংসার ইতিহাসে লেখা পাণ্ডুলিপি। যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রাজনীতির প্রতি ভালোবাসা ও ঘৃণা জন্ম নেওয়ার উদাহরণ হয়ে রইবে বিশ্বচিত্রে । এই বাস্তবতা বোঝার ক্ষমতা শুধু ভুক্তভোগীদেরই জন্য দৃশ্যমান, আর এর বাইরে অন্যদের জন্য আফসোস আর মায়াকান্না ব্যতীত কিছুই নেই।

এর প্রভাব দেশের গণমাধ্যমেও যেমন পড়েছে তেমনি অন্যান্য পেশার মানুষের মাঝেও বিদ্যমান। পুলিশ প্রশাসনের নিরব ভুমিকা পালন, রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া ব্যক্তিদের ব্যবসায়ী মনোভাব, সমাজের বিত্তশালী ব্যক্তিদের অর্থের বিনিময়ে দলীয় ব্যক্তিদের অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার—এসবের মাঝেই বহাল তবিয়তে দেশের শীর্ষ অপরাধীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছে দাপটের সাথে। এরা গ্রামের পাড়া-মহল্লায় গ্রুপিং নেটওয়ার্ক চালু করেছে। সুবিধাবাদী ব্যক্তিরা সাধারণ মানুষদের উসকে দিচ্ছে যে বেঁচে থাকার তাগিদেই যে কোনো গ্রুপে সংগঠিত থাকতে হবে, নাহলে বিপদে সহায়তা করবে কে? এমন মনোভাব আর হতাশার নানা দিক তুলে ধরে সুবিধাবাদীরা তাদের নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে সাধারণ মানুষদের।

এরা গ্রুপভুক্ত ব্যক্তিদের নানা অসামাজিক কার্যকলাপে পক্ষপাতিত্বের মাধ্যমে অপরাধী বানাচ্ছে। এসব নিরীহ ব্যক্তিরা ক্রমান্বয়ে দেশের নানা অপরাধ তালিকায় যুক্ত হচ্ছে। গ্রামের পাড়া-মহল্লায় ছড়িয়ে পড়ছে নতুন অপরাধীদের পরিধি।

এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলো ঘুরে উন্নয়ন অনুসন্ধান ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে এবং এলাকার বিভিন্ন সচেতন ব্যক্তিদের দ্বারা জানা যায় চলমান সময়ের পরিস্থিতি। সম্প্রতি বিভিন্ন কার্যকলাপের বাস্তব দৃশ্যায়ন যা আগামী দিনের জন্য গণিতের হাড়ে যুক্ত হচ্ছে অপরাধীদের সংখ্যা।

জনস্বার্থে মন্তব্যে নিরপেক্ষতা নেই—এসব ঘটনার নেপথ্যে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া অসৎ ব্যক্তিদের প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে বলে সামাজিক সূত্রে জানা যায়। এলাকার সংঘটিত অপরাধের বাস্তব চিত্রেই যার প্রমাণ রয়েছে। সরকারের সেবামূলক সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের যেখানে যে রয়েছে সেখানে নিয়ন্ত্রণ করছে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া অসৎ সুবিধাবাদীরা।

এই সুবিধাবাদী ব্যক্তিরাই যুগ যুগ ধরে রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতি, বিবেকনীতি—সকল নীতি সুস্বাদু খাবারের মতোই দুমড়ে-মুচড়ে খাচ্ছে দানবের ভূমিকায়। এদের অন্তরালে রয়েছে মাকড়সার জালের মতো বিস্তার করা সাম্রাজ্য নিয়ে মহাজ্ঞানের দুষ্টু চক্রের পাণ্ডুলিপি। যা প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে, আর নানা অপরাধের সাথে আটকে গিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে দেশের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। এর গন্তব্যে অপেক্ষা করছে বিবেকহীন পাপের প্রায়শ্চিত্তে ফুলেল শুভেচ্ছা। যা গ্রহণকারী আর প্রদানকারীদের বুকফাটা আর্তনাদ ধ্বংসের ধূলিকণায় বেঁচে থাকার তাগিদেই এ প্রজন্মের সময়ের সাক্ষী হয়ে থাকবে।