প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 6:15 PM
প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা
সনাতন ধর্মালম্বীদে সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। দুর্গাপূজাকে ঘিরে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নেত্রকোনার মৃৎশিল্পীরা। একনিষ্ঠ চিত্তে নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় মাটি লাগানোর কাজে ব্যস্ত শিল্পীরা।
হিন্দু শাস্ত্র মতে, আগামী (২৮ সেপ্টেম্বর) রবিবার মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গাপুজা এবং (২ অক্টোবর) বুধবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গাপূজা। এর আগে আগামী (২৮ সেপ্টেম্বর) রবিবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের শুরু।
সরেজমিনে জেলা সদরসহ কয়েকটি উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, শহর থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার প্রতিটি মন্দিরে এখন শোভা পাচ্ছে ছোট-বড় প্রতিমা। বাঁশ-কাঠ, খড় আর কাদামাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা। ইতোমধ্যে লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, ময়ূর, প্যাঁচা, দেবী দুর্গার কাজ শেষ হলেও সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছেন এসব প্রতিমা শিল্পীরা। সকাল থেকে মাঝরাত পর্যন্ত কেউ কাদা প্রস্তুত করছেন, কেউ আবার কাদা দিয়ে প্রতিমার হাত-পা বানাচ্ছেন। মাটি লাগানোর কাজ শেষে প্রতিমা শুকিয়ে রং তুলির কাজ শুরু হবে।
জেলা সদরের প্রতিমা তৈরির কারিগর অখিল পাল, রনু পাল ও শংকর পালের সাথে কথা বললে তারা বলেন, প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিমা তৈরিতে অন্যান্য বছরের তুলনায় খরচ বেশি হচ্ছে। প্রতিবছর দুর্গা প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম ও চাহিদা বাড়লেও বাড়েনি প্রতিমার দাম। তবে চলতি বছর প্রতিমার চাহিদা গত বছরের তুলনায় একটু কম।
বারহাট্টা উপজেলা সদরের গড়মা কালীবাড়ি পূজা মণ্ডপের প্রতিমা শিল্পী রতন পাল বলেন, 'অতীতে মানুষ যেভাবে মাটির তৈরি জিনিসপত্র ব্যবহার করতো, বর্তমানে সেই চাহিদা না থাকায় প্রায় সারা বছরই আমাদের অলস সময় কাটাতে হয়। তবে দুর্গাপূজার সময় প্রতিমা তৈরি করে যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে কোনোমতে সারা বছর সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। চলতি বছর প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। কিন্তু ক্রেতারা প্রতিমার দাম বাড়াচ্ছেন না। এতে আমাদের যে টাকা আয় হওয়ার কথা, তা আর হচ্ছে না।'
ধর্মীয় সম্প্রতির জেলা নেত্রকোনায় প্রতি বছরের মতো এ বছরও যেন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে এমনটাই দাবি পূজা উদযাপন কমিটির।
পূজার নিরাপত্তা বিষয়ে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ(পিপিএম) জানান, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা পূজা উদযাপন কমিটি ও সংশ্লিষ্টদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে মিটিং করব। দুর্গাপূজার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল রকম প্রস্তুতি থাকবে।
রিপন কান্তি গুণ, নেত্রকোনা প্রতিনিধি :
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, 6:15 PM
সনাতন ধর্মালম্বীদে সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। দুর্গাপূজাকে ঘিরে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নেত্রকোনার মৃৎশিল্পীরা। একনিষ্ঠ চিত্তে নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় মাটি লাগানোর কাজে ব্যস্ত শিল্পীরা।
হিন্দু শাস্ত্র মতে, আগামী (২৮ সেপ্টেম্বর) রবিবার মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গাপুজা এবং (২ অক্টোবর) বুধবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গাপূজা। এর আগে আগামী (২৮ সেপ্টেম্বর) রবিবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে দেবীপক্ষের শুরু।
সরেজমিনে জেলা সদরসহ কয়েকটি উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে, শহর থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার প্রতিটি মন্দিরে এখন শোভা পাচ্ছে ছোট-বড় প্রতিমা। বাঁশ-কাঠ, খড় আর কাদামাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা। ইতোমধ্যে লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, ময়ূর, প্যাঁচা, দেবী দুর্গার কাজ শেষ হলেও সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কাজ করে যাচ্ছেন এসব প্রতিমা শিল্পীরা। সকাল থেকে মাঝরাত পর্যন্ত কেউ কাদা প্রস্তুত করছেন, কেউ আবার কাদা দিয়ে প্রতিমার হাত-পা বানাচ্ছেন। মাটি লাগানোর কাজ শেষে প্রতিমা শুকিয়ে রং তুলির কাজ শুরু হবে।
জেলা সদরের প্রতিমা তৈরির কারিগর অখিল পাল, রনু পাল ও শংকর পালের সাথে কথা বললে তারা বলেন, প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিমা তৈরিতে অন্যান্য বছরের তুলনায় খরচ বেশি হচ্ছে। প্রতিবছর দুর্গা প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম ও চাহিদা বাড়লেও বাড়েনি প্রতিমার দাম। তবে চলতি বছর প্রতিমার চাহিদা গত বছরের তুলনায় একটু কম।
বারহাট্টা উপজেলা সদরের গড়মা কালীবাড়ি পূজা মণ্ডপের প্রতিমা শিল্পী রতন পাল বলেন, 'অতীতে মানুষ যেভাবে মাটির তৈরি জিনিসপত্র ব্যবহার করতো, বর্তমানে সেই চাহিদা না থাকায় প্রায় সারা বছরই আমাদের অলস সময় কাটাতে হয়। তবে দুর্গাপূজার সময় প্রতিমা তৈরি করে যে টাকা আয় হয় তা দিয়ে কোনোমতে সারা বছর সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। চলতি বছর প্রতিমা তৈরির উপকরণের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। কিন্তু ক্রেতারা প্রতিমার দাম বাড়াচ্ছেন না। এতে আমাদের যে টাকা আয় হওয়ার কথা, তা আর হচ্ছে না।'
ধর্মীয় সম্প্রতির জেলা নেত্রকোনায় প্রতি বছরের মতো এ বছরও যেন কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকে এমনটাই দাবি পূজা উদযাপন কমিটির।
পূজার নিরাপত্তা বিষয়ে নেত্রকোনা জেলা পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ(পিপিএম) জানান, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা পূজা উদযাপন কমিটি ও সংশ্লিষ্টদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে মিটিং করব। দুর্গাপূজার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল রকম প্রস্তুতি থাকবে।