ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হবিগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ধ/র্ষ/ণের হুমকির অভিযোগে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, টিন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ সুনামগঞ্জে খুনের জেরে ৩ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট, এক প্রবাসী মায়ের আর্তনাদ !

জমি বিরোধের জেরে নৃশংস হামলা: ফাহিমা বেগম রক্তারক্ত, খুলনায় চিকিৎসাধীন

#
news image

দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চর বলেশ্বর গ্রামের ২ নং ওয়ার্ডের ফাহিমা বেগম। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বিরোধী পক্ষ মোহাম্মদ লোকমান আজাদ ও সোনিয়া জোর পূর্বক তার জমিতে বেড়া দিতে গেলে এই সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
 
ঘটনার বর্ণনায় এখনও আতঙ্কিত ফাহিমা বেগম (রোগী শয্যাশায়ী থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আত্মীয়ের মাধ্যমে জানান), "ওরা আমাদের জমি দখল করতে চায়। সেদিন সকালে কথায় কথায় বিবাদ বাঁধে। আমি বাধা দিলে লোকমান ঘর থেকে রামদা নিয়ে এসে আমার মাথায় নির্মমভাবে আঘাত করে। এরপর আজাদ ও সোনিয়া হাতে থাকা লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি আমার পুরো শরীরে পিটিয়ে যায়। একপর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।"
 
স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরত আনা ফাহিমা বেগমকে প্রথমে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে পিরোজপুর জেনারেল হাসপিটালে রেফার করা হয়। দুইদিন চিকিৎসার পরও তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায়, গুরুতর জখম নিয়ে তাকে খুলনা শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপিটালে (আড়াইশ শয্যা হাসপিটাল) ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তার অবস্থা এখনও সঙ্কটাপন্ন বলে জানিয়েছেন।
 
হামলার খবর পেয়ে ইন্দুরকানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও, অভিযোগের তদন্ত শুরুর আগেই আসামিরা ফাঁক দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ফাহিমা বেগমের ভাই ও বোন থানায় মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।
 
ফাহিমা বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি আবেগময় আবেদন জানানো হয়েছে। তারা বলছেন, "লোকমান, আজাদ ও সোনিয়া দীর্ঘদিন ধরে আমাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করছে, এমনকি মৃত্যুর হুমকিও দিচ্ছিল। এবার তারা তাদের হুমকি বাস্তবায়ন করেছে। আমরা শুধু একটি সুষ্ঠু বিচার চাই। আমরা প্রশাসন ও বিচার বিভাগের কাছে হাত পেতে চেয়ে বসে আছি। আমাদের রক্তের বিনিময়ে যেন ন্যায়বিচার মেলে।"
 
ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরছেন না। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
 
এলাকাবাসী দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার ও ফাহিমা বেগমের পরিবারকে ন্যায়বিচার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একটি সাধারণ জমি বিরোধ কীভাবে এতটা মাত্রার হিংস্রতায় রূপ নিল, তা নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। একটি মা, একজন স্ত্রী কিংবা একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে ফাহিমা বেগমের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার সকলের কাম্য।

মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :

২১ অক্টোবর, ২০২৫,  9:18 PM

news image

দীর্ঘদিনের জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার চর বলেশ্বর গ্রামের ২ নং ওয়ার্ডের ফাহিমা বেগম। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সকালে বিরোধী পক্ষ মোহাম্মদ লোকমান আজাদ ও সোনিয়া জোর পূর্বক তার জমিতে বেড়া দিতে গেলে এই সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
 
ঘটনার বর্ণনায় এখনও আতঙ্কিত ফাহিমা বেগম (রোগী শয্যাশায়ী থেকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আত্মীয়ের মাধ্যমে জানান), "ওরা আমাদের জমি দখল করতে চায়। সেদিন সকালে কথায় কথায় বিবাদ বাঁধে। আমি বাধা দিলে লোকমান ঘর থেকে রামদা নিয়ে এসে আমার মাথায় নির্মমভাবে আঘাত করে। এরপর আজাদ ও সোনিয়া হাতে থাকা লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি আমার পুরো শরীরে পিটিয়ে যায়। একপর্যায়ে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।"
 
স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফেরত আনা ফাহিমা বেগমকে প্রথমে ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তাকে পিরোজপুর জেনারেল হাসপিটালে রেফার করা হয়। দুইদিন চিকিৎসার পরও তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায়, গুরুতর জখম নিয়ে তাকে খুলনা শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপিটালে (আড়াইশ শয্যা হাসপিটাল) ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তার অবস্থা এখনও সঙ্কটাপন্ন বলে জানিয়েছেন।
 
হামলার খবর পেয়ে ইন্দুরকানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও, অভিযোগের তদন্ত শুরুর আগেই আসামিরা ফাঁক দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। ফাহিমা বেগমের ভাই ও বোন থানায় মৌখিকভাবে অভিযোগ করেছেন বলে জানা গেছে।
 
ফাহিমা বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি আবেগময় আবেদন জানানো হয়েছে। তারা বলছেন, "লোকমান, আজাদ ও সোনিয়া দীর্ঘদিন ধরে আমাদেরকে নানাভাবে হয়রানি করছে, এমনকি মৃত্যুর হুমকিও দিচ্ছিল। এবার তারা তাদের হুমকি বাস্তবায়ন করেছে। আমরা শুধু একটি সুষ্ঠু বিচার চাই। আমরা প্রশাসন ও বিচার বিভাগের কাছে হাত পেতে চেয়ে বসে আছি। আমাদের রক্তের বিনিময়ে যেন ন্যায়বিচার মেলে।"
 
ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরছেন না। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
 
এলাকাবাসী দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার ও ফাহিমা বেগমের পরিবারকে ন্যায়বিচার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একটি সাধারণ জমি বিরোধ কীভাবে এতটা মাত্রার হিংস্রতায় রূপ নিল, তা নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে। একটি মা, একজন স্ত্রী কিংবা একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে ফাহিমা বেগমের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার সকলের কাম্য।