কুষ্টিয়ায় সিভিল সার্জন অফিস ঘেরাও: নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস-দুর্নীতির প্রতিবাদে ছাত্র-জনতার দাবী দ্রুত ব্যবস্থা
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
২৬ অক্টোবর, ২০২৫, 11:32 PM
কুষ্টিয়ায় সিভিল সার্জন অফিস ঘেরাও: নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস-দুর্নীতির প্রতিবাদে ছাত্র-জনতার দাবী দ্রুত ব্যবস্থা
কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে সকাল ১১টায় জেলা যুব-ছাত্র ও নিয়োগ প্রত্যাশীদের অংশগ্রহণে এক কেন্দ্রীয় ঘেরাও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন— চলতি সিভিল সার্জন অফিসের নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপকভাবে প্রশ্নফাঁস এবং আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে; তাই সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও পরীক্ষা বাতিল করে পুনঃনিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
কর্মসূচির নেতারা সংবাদকর্মীদের সামনে পাঠানো সংক্ষিপ্ত পৃথক দেবোচ্ছারণায় দাবি করেন: ১. পরীক্ষায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত সকলকে চিহ্নিত করে অবিলম্বে স্থায়ী বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. দুর্নীতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৩. বিতর্কিত এই নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল ঘোষনা করে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও স্বচ্ছ ও সংক্ষিপ্ততার ভিত্তিতে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
প্রতিবাদকারীরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির ফলে যোগ্য প্রার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ভঙ্গ হয়— তাই তারা ন্যায্যতার স্বার্থে দ্রুত সিদ্ধান্ত দাবি করছেন। এক আন্দোলনকারী বলেন, “আমরা ন্যায্যতা চাই— অনিয়মের কাছে মাথা নত করব না। দায়ীদের সেজেগুজে ছাড় দেওয়া হলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যাব।
কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়কে ঘটনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে কয়েক দফা তথ্য-চাওয়া হয়েছে; কিন্তু রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট নির্বাচন/পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া না পেলে আন্দোলনকারীরা সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করে আন্দোলন তীব্র করার হুমকি দিয়েছেন।
স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে ছিলো এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, “সর্বোচ্চ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে আইনানুগভাবে সবাইকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
ছাত্র জনতা-নেতারা আরো জানান, তারা প্রয়োজন মনে করলে সরাসরি উচ্চতর কর্তৃপক্ষ ও মানবাধিকার সংস্থার কাছে অভিযোগ তুলে নেয়ার পরিকল্পনা রাখছে এবং জনস্বার্থে প্রমাণসমেত ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
জেলার চাকরিপ্রত্যাশী জনগণ তথা বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এই আন্দোলন সমর্থন জনিয়ে আসছেন; তারা বলেন, “সরকারে যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতেই চাকরি দেওয়া হবে— সেটাই চাই।” সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণই ছিল এবং কর্তৃপক্ষ ঘিরে থাকা সমস্যা সমাধানে তৎপর হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
২৬ অক্টোবর, ২০২৫, 11:32 PM
কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে সকাল ১১টায় জেলা যুব-ছাত্র ও নিয়োগ প্রত্যাশীদের অংশগ্রহণে এক কেন্দ্রীয় ঘেরাও কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন— চলতি সিভিল সার্জন অফিসের নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপকভাবে প্রশ্নফাঁস এবং আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে; তাই সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও পরীক্ষা বাতিল করে পুনঃনিয়োগ পরীক্ষা আয়োজন না করা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।
কর্মসূচির নেতারা সংবাদকর্মীদের সামনে পাঠানো সংক্ষিপ্ত পৃথক দেবোচ্ছারণায় দাবি করেন: ১. পরীক্ষায় প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত সকলকে চিহ্নিত করে অবিলম্বে স্থায়ী বহিষ্কার ও দৃষ্টান্তমূলক কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবে। ২. দুর্নীতির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুততম সময়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
৩. বিতর্কিত এই নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল ঘোষনা করে নতুন করে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও স্বচ্ছ ও সংক্ষিপ্ততার ভিত্তিতে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।
প্রতিবাদকারীরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে অনিয়ম ও দুর্নীতির ফলে যোগ্য প্রার্থী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ভঙ্গ হয়— তাই তারা ন্যায্যতার স্বার্থে দ্রুত সিদ্ধান্ত দাবি করছেন। এক আন্দোলনকারী বলেন, “আমরা ন্যায্যতা চাই— অনিয়মের কাছে মাথা নত করব না। দায়ীদের সেজেগুজে ছাড় দেওয়া হলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যাব।
কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়কে ঘটনার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে কয়েক দফা তথ্য-চাওয়া হয়েছে; কিন্তু রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জেলা প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট নির্বাচন/পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া না পেলে আন্দোলনকারীরা সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করে আন্দোলন তীব্র করার হুমকি দিয়েছেন।
স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে ছিলো এবং শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান। তিনি বলেন, “সর্বোচ্চ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে আইনানুগভাবে সবাইকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
ছাত্র জনতা-নেতারা আরো জানান, তারা প্রয়োজন মনে করলে সরাসরি উচ্চতর কর্তৃপক্ষ ও মানবাধিকার সংস্থার কাছে অভিযোগ তুলে নেয়ার পরিকল্পনা রাখছে এবং জনস্বার্থে প্রমাণসমেত ব্যবস্থা না নিলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
জেলার চাকরিপ্রত্যাশী জনগণ তথা বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন এই আন্দোলন সমর্থন জনিয়ে আসছেন; তারা বলেন, “সরকারে যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতেই চাকরি দেওয়া হবে— সেটাই চাই।” সংবাদ প্রকাশের সময় পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণই ছিল এবং কর্তৃপক্ষ ঘিরে থাকা সমস্যা সমাধানে তৎপর হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।