গাজীপুরে চাঁদার টাকা না পেয়ে শ্রমিক নেতা সুজন ও তার পরিবারের উপরে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা ।
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:37 PM
গাজীপুরে চাঁদার টাকা না পেয়ে শ্রমিক নেতা সুজন ও তার পরিবারের উপরে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা ।
বাসন মেট্রো থানা শ্রমিক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুজন (৩২) এর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না দেওয়ায় হত্যার উদ্দেশ্যে জখম করে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়দের সহায়তায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সুজনের স্ত্রী তামান্না আক্তার পপি বলেন, আমি ব্যাংক থেকে ২ লক্ষ টাকা নিয়ে বাসায় ফেরার পথে আমার স্বামী সুজন সহ অটো রিক্সায়,ঠিক সেই মুহূর্তে সবুজ ও তার দলবল নিয়ে এসে আমাকে এবং আমার স্বামীকে মারধর করে ২ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়।এবং বলে ১০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। তখন আমরা বাসায় চলে আসি,বাসায় যাওয়ার ঠিক ১০ মিনিট পরে আবারও ওই সবুজ তার দল বল নিয়ে এসে আমাকে মারধর করে আমার স্বামীকে মারধর করে আমার শ্বশুর শাশুড়িকে মারধর করে আমার স্বামীকে রাম দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ঘরের আসবাবপত্র ভেঙ্গে লুটপাট করে নিয়ে যায়। আমার স্বামীকে যখম করার দুইটি রাম দা তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেই। ৯৯৯ কল করার পড়ে পুলিশ এসে ঘটনাস্থলে ছুরিগুলো উদ্ধার করে, আমি স্থানীয় সকল নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি অচিরেই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের কে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান।
হাসপাতাল বেডে শুয়ে ঘটনার বননা দিলেন শ্রমিক দল নেতা সুজন। গত মাসের ২০ তারিখে ১৩ নং ওয়ার্ড ইটাহাটা জামাল নেতার ছেলে সবুজ সহ একাধিক সন্ত্রাসী আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমার একটি অটো গ্যারেজ আছে, সেই সুবাদে। আমি বললাম আমি গরিব মানুষ এত টাকা কোথায় পাবো। সেই থেকে সবুজ আমাকে টার্গেট করে রেখেছে। গত পরশ আমার স্ত্রীর লোন করা ২ লক্ষ টাকা নিয়ে ফেরার পথে আমাকে বলে দশ তারিখে ১০ লক্ষ টাকা দিতে হবে নয়তো তোকে জানে মেরে ফেলবো। তখন তারা আমাকে কিল ঘুশি দিয়ে থাকে। একপর্যায়ে আমি বাসায় চলে আসলে আমার বাসায় এসে আমাকে মারধর করে আমার মাকে মারধর করে আমার বাবাকে মারধর করে আমার স্ত্রী কেউ মারধর করে আমাকে জখম করে আমার মাকে জখম করে তারা বাসায় থাকা আসবারপত্র এবং আমার কাছে থাকা দুই লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয় সুজন গং। এলাকাবাসী ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি এই শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায়নে বিচারের জোর দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবার। সুস্থ হয়ে মামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন মোঃ সুজন।
এ ব্যাপারে সবুজের ফোনে একাধিকবার ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি।
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, 4:37 PM
বাসন মেট্রো থানা শ্রমিক দলের সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুজন (৩২) এর কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না দেওয়ায় হত্যার উদ্দেশ্যে জখম করে ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়দের সহায়তায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সুজনের স্ত্রী তামান্না আক্তার পপি বলেন, আমি ব্যাংক থেকে ২ লক্ষ টাকা নিয়ে বাসায় ফেরার পথে আমার স্বামী সুজন সহ অটো রিক্সায়,ঠিক সেই মুহূর্তে সবুজ ও তার দলবল নিয়ে এসে আমাকে এবং আমার স্বামীকে মারধর করে ২ লক্ষ টাকা নিয়ে যায়।এবং বলে ১০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। তখন আমরা বাসায় চলে আসি,বাসায় যাওয়ার ঠিক ১০ মিনিট পরে আবারও ওই সবুজ তার দল বল নিয়ে এসে আমাকে মারধর করে আমার স্বামীকে মারধর করে আমার শ্বশুর শাশুড়িকে মারধর করে আমার স্বামীকে রাম দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ঘরের আসবাবপত্র ভেঙ্গে লুটপাট করে নিয়ে যায়। আমার স্বামীকে যখম করার দুইটি রাম দা তাদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেই। ৯৯৯ কল করার পড়ে পুলিশ এসে ঘটনাস্থলে ছুরিগুলো উদ্ধার করে, আমি স্থানীয় সকল নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি অচিরেই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে তাদের কে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানান।
হাসপাতাল বেডে শুয়ে ঘটনার বননা দিলেন শ্রমিক দল নেতা সুজন। গত মাসের ২০ তারিখে ১৩ নং ওয়ার্ড ইটাহাটা জামাল নেতার ছেলে সবুজ সহ একাধিক সন্ত্রাসী আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। আমার একটি অটো গ্যারেজ আছে, সেই সুবাদে। আমি বললাম আমি গরিব মানুষ এত টাকা কোথায় পাবো। সেই থেকে সবুজ আমাকে টার্গেট করে রেখেছে। গত পরশ আমার স্ত্রীর লোন করা ২ লক্ষ টাকা নিয়ে ফেরার পথে আমাকে বলে দশ তারিখে ১০ লক্ষ টাকা দিতে হবে নয়তো তোকে জানে মেরে ফেলবো। তখন তারা আমাকে কিল ঘুশি দিয়ে থাকে। একপর্যায়ে আমি বাসায় চলে আসলে আমার বাসায় এসে আমাকে মারধর করে আমার মাকে মারধর করে আমার বাবাকে মারধর করে আমার স্ত্রী কেউ মারধর করে আমাকে জখম করে আমার মাকে জখম করে তারা বাসায় থাকা আসবারপত্র এবং আমার কাছে থাকা দুই লক্ষ টাকা ছিনিয়ে নেয় সুজন গং। এলাকাবাসী ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি এই শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায়নে বিচারের জোর দাবি জানান ভুক্তভোগী পরিবার। সুস্থ হয়ে মামলার প্রস্তুতি গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছেন মোঃ সুজন।
এ ব্যাপারে সবুজের ফোনে একাধিকবার ফোন করলে তিনি রিসিভ করেননি।