ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হবিগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ধ/র্ষ/ণের হুমকির অভিযোগে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, টিন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ সুনামগঞ্জে খুনের জেরে ৩ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট, এক প্রবাসী মায়ের আর্তনাদ !

যশোরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৮ডিগ্রি সেলসিয়াস

#
news image

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে।

আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, আজ শনিবার যশোরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গতকাল শুক্রবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মৌসুমের প্রথম এই মৃদু শৈতপ্রবাহে যশোর অঞ্চলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় ঘরের বাইরে থাকা দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

তবে সকাল ৯টার দিকে সূর্যের আলো ওঠার পর থেকেই তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। তখন পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় হয়ে আসে।

শৈতপ্রবাহের কারণে শহরাঞ্চলে সন্ধ্যার পরপরই বেশিরভাগ মানুষ বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। মহাসড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করছে। শ্রমজীবী মানুষ ভোরে কাজে বের হতে না পারলেও কুয়াশা কমে গেলে সূর্যের আলো দৃশ্যমান হওয়ার পর তারা শহরে বের হচ্ছেন।

জেলা শহরের লালদীঘী পাড়ে প্রতিদিন ভোরে তিন থেকে চারশ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। কিন্তু প্রচণ্ড শীতের কারণে সেই সংখ্যা এখন অর্ধেকে নেমে এসছে।

সদর উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার সুজন মিয়া বলেন, ‘শীতকালে এমনিতে কাজ কম থাকে। একদিন কাজ পাইতো তিনদিন পাই না। তারপরও এই শীতের মধ্যে প্রতিদিন ভোরবেলায় এসে বসে থাকি, কেউ যদি কাজে নেয় সেই আশায়’।

শহরের বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার নির্মাণ শ্রমিক মিনহাজ বলেন, ‘শীতে বাইরে বেরোতেই কষ্ট হচ্ছে। তারপরও কাজের সন্ধানে বের হয়েছি, কিন্তু কাজ পাচ্ছি না’।

শংকরপুর এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পেটের দায়ে কাজের সন্ধানে এই শীতের মধ্যেও বের হয়েছি, কাজ পাব কিনা জানি না’।

রায়পাড়া এলাকার রিকশাচালক হানেফ আলী বলেন, ‘শীত-কুয়াশার মধ্যে ভোর বেলায় রিক্সা নিয়ে বের হয়েছি, কিন্তু রাস্তাঘাট ফাঁকা, লোকজন নেই, যাত্রী পাচ্ছি না’।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫,  4:47 PM

news image

টানা দ্বিতীয় দিনের মতো দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে।

আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, আজ শনিবার যশোরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গতকাল শুক্রবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মৌসুমের প্রথম এই মৃদু শৈতপ্রবাহে যশোর অঞ্চলে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমেল হাওয়ায় ঘরের বাইরে থাকা দুষ্কর হয়ে পড়েছে।

তবে সকাল ৯টার দিকে সূর্যের আলো ওঠার পর থেকেই তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করে। তখন পরিস্থিতি কিছুটা সহনীয় হয়ে আসে।

শৈতপ্রবাহের কারণে শহরাঞ্চলে সন্ধ্যার পরপরই বেশিরভাগ মানুষ বাড়িতে চলে যাচ্ছেন। মহাসড়কগুলোতে হেডলাইট জ্বালিয়ে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল করছে। শ্রমজীবী মানুষ ভোরে কাজে বের হতে না পারলেও কুয়াশা কমে গেলে সূর্যের আলো দৃশ্যমান হওয়ার পর তারা শহরে বের হচ্ছেন।

জেলা শহরের লালদীঘী পাড়ে প্রতিদিন ভোরে তিন থেকে চারশ’ মানুষ শ্রম বিক্রির জন্য জড়ো হয়ে থাকেন। কিন্তু প্রচণ্ড শীতের কারণে সেই সংখ্যা এখন অর্ধেকে নেমে এসছে।

সদর উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার সুজন মিয়া বলেন, ‘শীতকালে এমনিতে কাজ কম থাকে। একদিন কাজ পাইতো তিনদিন পাই না। তারপরও এই শীতের মধ্যে প্রতিদিন ভোরবেলায় এসে বসে থাকি, কেউ যদি কাজে নেয় সেই আশায়’।

শহরের বেজপাড়া টিবি ক্লিনিক এলাকার নির্মাণ শ্রমিক মিনহাজ বলেন, ‘শীতে বাইরে বেরোতেই কষ্ট হচ্ছে। তারপরও কাজের সন্ধানে বের হয়েছি, কিন্তু কাজ পাচ্ছি না’।

শংকরপুর এলাকার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘পেটের দায়ে কাজের সন্ধানে এই শীতের মধ্যেও বের হয়েছি, কাজ পাব কিনা জানি না’।

রায়পাড়া এলাকার রিকশাচালক হানেফ আলী বলেন, ‘শীত-কুয়াশার মধ্যে ভোর বেলায় রিক্সা নিয়ে বের হয়েছি, কিন্তু রাস্তাঘাট ফাঁকা, লোকজন নেই, যাত্রী পাচ্ছি না’।