ঢাকা ১১ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

চরভদ্রাসনে একাধিক মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত মালামাল ধ্বংস ও জরিমানা

#
news image

উপজেলার পদ্মানদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ধ্বংস ও জব্দ করা হয় এছাড়াও স " মিলে ২০০০ ( দুই হাজার ) টাকা জরিমানা আদায় করে মামলা নিষ্পত্তি দেখানো হয়েছে । বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ৪ নং গাজিরটেক ইউনিয়নের, নতুন দোকান সংলগ্ন জয়দেব সরকারের 
ডাঙ্গী পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যায়েদ হোসাইন মোবাইল কোট পরিচালনা করেন। এছাড়া উপজেলার পূর্ব বি এস ডাঙ্গী একটেল টাওয়ার সংলগ্ন মোল্লা স" মিলে এর বাবু সরকার ( বুচা সরকারকে)
ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ৮৯ ধারা লঙ্ঘন করে। । প্রধান সড়কের পাশে এলোমেলো ভাবে গাছ রাখার কারনে যান চলাচলের বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে এই জরিমানা করা হয়। 
 
জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি মহল অবৈধ (ডেজার ও ভেকু) ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করে তা বিক্রি করে আসছিল। এতে নদী ও শহর রক্ষা বাঁধের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সংক্রান্ত খবরের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে। 
"উক্ত অভিযানে ঘটনাস্থলে অবৈধ ভেকু ও পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত পাইপ সহ- সরঞ্জাম জব্দ করা হয় এবং কিছু সরঞ্জাম ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। অভিযানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে কৃষিজমি, বসতভিটা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ভূমি আইনে নিয়মিতভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
 
উপজেলা প্রশাসন আরও জানায়, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলে জমি নষ্ট করে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। 
 
পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতন থেকে এবং তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় মহল মোবাইল কোর্টের এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, যারা নদী থেকে চুরি করে বালু উত্তোলন করে তারা দেশ ও সমাজের শত্রু এদের কারণে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয় । এদেরকে কোন ছাড় না দিতে জোর দাবি জানান।

লিয়াকত আলী লাভলু, চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি  :

০৮ জানুয়ারি, ২০২৬,  4:00 PM

news image

উপজেলার পদ্মানদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে উত্তোলন কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম ধ্বংস ও জব্দ করা হয় এছাড়াও স " মিলে ২০০০ ( দুই হাজার ) টাকা জরিমানা আদায় করে মামলা নিষ্পত্তি দেখানো হয়েছে । বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার ৪ নং গাজিরটেক ইউনিয়নের, নতুন দোকান সংলগ্ন জয়দেব সরকারের 
ডাঙ্গী পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট যায়েদ হোসাইন মোবাইল কোট পরিচালনা করেন। এছাড়া উপজেলার পূর্ব বি এস ডাঙ্গী একটেল টাওয়ার সংলগ্ন মোল্লা স" মিলে এর বাবু সরকার ( বুচা সরকারকে)
ইউনিয়ন পরিষদ আইন ২০০৯ এর ৮৯ ধারা লঙ্ঘন করে। । প্রধান সড়কের পাশে এলোমেলো ভাবে গাছ রাখার কারনে যান চলাচলের বিঘ্ন ঘটানোর অভিযোগে এই জরিমানা করা হয়। 
 
জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালী একটি মহল অবৈধ (ডেজার ও ভেকু) ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করে তা বিক্রি করে আসছিল। এতে নদী ও শহর রক্ষা বাঁধের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সংক্রান্ত খবরের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে। 
"উক্ত অভিযানে ঘটনাস্থলে অবৈধ ভেকু ও পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত পাইপ সহ- সরঞ্জাম জব্দ করা হয় এবং কিছু সরঞ্জাম ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়। অভিযানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে কৃষিজমি, বসতভিটা ও যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ভূমি আইনে নিয়মিতভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।
 
উপজেলা প্রশাসন আরও জানায়, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অবৈধ বালু উত্তোলনে ফসলে জমি নষ্ট করে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। 
 
পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতন থেকে এবং তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় মহল মোবাইল কোর্টের এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, যারা নদী থেকে চুরি করে বালু উত্তোলন করে তারা দেশ ও সমাজের শত্রু এদের কারণে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয় । এদেরকে কোন ছাড় না দিতে জোর দাবি জানান।