ঢাকা ১১ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎঃ ফটিকছড়িতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৮ জন কারাগারে

#
news image

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নারায়ণহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সমর্থনে গঠিত নাগরিক পরিষদের সেক্রেটারি
আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আট আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
২১ জানুয়ারি বুধবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত এই আদেশ দেন।এদিন মামলার প্রথম ধার্য তারিখে আসামিরা স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে মামলার অভিযোগ, আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ ও মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আসামিদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন বলেও আদালত সূত্র নিশ্চিত করেছে।
 
আদালত সূত্রে জানা গেছে, স্পেশাল মামলা নম্বর ২৯/২০২৫-এর আওতায় দায়ের করা এই মামলাটি ২০১৯ সালে সংঘটিত একটি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে সরকারি বরাদ্দের একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে গৃহীত হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কবির হুসাইন সাংবাদিকদের জানান, “২০১৯ সালে সংঘটিত প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আট আসামি আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।”
তিনি আরও বলেন, মামলার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর এবং এতে সরকারি অর্থের অপব্যবহার ও আত্মসাতের বিষয়টি উঠে এসেছে, যা জনস্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
এই মামলার রায়ের খবরে ফটিকছড়ি উপজেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ করে আসছিলেন।
উল্লেখ্য, মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ পরে নির্ধারণ করা হবে বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে।

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

২১ জানুয়ারি, ২০২৬,  8:04 PM

news image

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নারায়ণহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের সমর্থনে গঠিত নাগরিক পরিষদের সেক্রেটারি
আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আট আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
২১ জানুয়ারি বুধবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত এই আদেশ দেন।এদিন মামলার প্রথম ধার্য তারিখে আসামিরা স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে মামলার অভিযোগ, আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ ও মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আসামিদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন বলেও আদালত সূত্র নিশ্চিত করেছে।
 
আদালত সূত্রে জানা গেছে, স্পেশাল মামলা নম্বর ২৯/২০২৫-এর আওতায় দায়ের করা এই মামলাটি ২০১৯ সালে সংঘটিত একটি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে সরকারি বরাদ্দের একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে গৃহীত হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কবির হুসাইন সাংবাদিকদের জানান, “২০১৯ সালে সংঘটিত প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আট আসামি আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।”
তিনি আরও বলেন, মামলার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর এবং এতে সরকারি অর্থের অপব্যবহার ও আত্মসাতের বিষয়টি উঠে এসেছে, যা জনস্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
এই মামলার রায়ের খবরে ফটিকছড়ি উপজেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ করে আসছিলেন।
উল্লেখ্য, মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ পরে নির্ধারণ করা হবে বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে।