ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত কুড়িয়ে পাওয়া নগদ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিলেন শফিকুল পিরোজপুরে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় লাখ টাকা জরিমানা, বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯ ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স গলাচিপায় জেলেদের মুখে হাসি—ইলিশ সংরক্ষণে বিরত থাকা পরিবারগুলোর পাশে মানবিক সহায়তা আনন্দমুখর পরিবেশে সমাপ্তি হলো গাজীপুর জেলা ইলেকট্রিক্যাল এসোসিয়েশন বার্ষিক পিকনিক বাগেরহাটে চেক জালিয়াতির অভিযোগসহ যৌথ ব্যবসা দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার  সাংস্কৃতিক দায়িত্বশীল সমাবেশ।

শিক্ষকের ক্লাস ফাঁকিতে ঝড়ে পড়ছে শিশুরা

#
news image

যখন ক্লাস চলার কথা, তখন হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার গ্রাম অঞ্চলের বেশিরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকে তালাবদ্ধ।

কোন কোন প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি হাতে গোনা ৪ থেকে ৫ জন। তবে শিক্ষকের খবর নেই। সরকারের সময়সূচি তোয়াক্কা না করে শিক্ষকদের স্কুলে আসা যাওয়া করছেন। এতে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষার মূল্যবোধে অমনোযোগী অবস্থায় পরিণত হয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, অলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী এখানে ক্লাস হয় না। "যখম ইচ্ছে আসেন, যখন ইচ্ছে চলে যান।”আবার কেউ আসেন সকাল ১০টায় আবার কেউ আসেন ১২টার  দিকে। শিক্ষার্থীরা এসে তালা খুলে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন আবার মাঠে  এদিকসেদিক এলেমেলো দৌড়াদৌড়ি করছে।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে একে একে সবাই উপস্থিতি হন। জানতে পেরে একের পর এক শিক্ষক বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন।

তাদের দাবি, সরকারি কাজে ব্যস্ততার অজুহাত দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সকাল গড়িয়ে দুপুর হতেই বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এভাবে প্রায় সবকটি স্কুলে পড়াশোনা হচ্ছে।

উপজেলার সিংহনাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেলা ২টা ৫০ মিনিটে সরজমিনকালে বন্ধ পাওয়া যায়।  উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে আলোচনাকালে তিনি জানান, আজ স্কুল বন্ধ করার কথা নয়। প্রমাণদি দেওয়ার পর তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।  তবে এর আগেও আরেও একটি স্কুলে শিক্ষকদের অনুপস্থিতি বিষয়ে আলাপ করলে ব্যবস্থা নেওয়ার হবে বলে জানিয়েছিলেন।

মোঃ তাউছ মিয়া, বাহুবল(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি :

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬,  7:13 PM

news image

যখন ক্লাস চলার কথা, তখন হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার গ্রাম অঞ্চলের বেশিরভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকে তালাবদ্ধ।

কোন কোন প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও শিক্ষার্থীর উপস্থিতি হাতে গোনা ৪ থেকে ৫ জন। তবে শিক্ষকের খবর নেই। সরকারের সময়সূচি তোয়াক্কা না করে শিক্ষকদের স্কুলে আসা যাওয়া করছেন। এতে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষার মূল্যবোধে অমনোযোগী অবস্থায় পরিণত হয়েছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, অলুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী এখানে ক্লাস হয় না। "যখম ইচ্ছে আসেন, যখন ইচ্ছে চলে যান।”আবার কেউ আসেন সকাল ১০টায় আবার কেউ আসেন ১২টার  দিকে। শিক্ষার্থীরা এসে তালা খুলে নেওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন আবার মাঠে  এদিকসেদিক এলেমেলো দৌড়াদৌড়ি করছে।

মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করা হলে একে একে সবাই উপস্থিতি হন। জানতে পেরে একের পর এক শিক্ষক বিদ্যালয়ে ছুটে আসেন।

তাদের দাবি, সরকারি কাজে ব্যস্ততার অজুহাত দেওয়া হয়।

স্থানীয়রা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সকাল গড়িয়ে দুপুর হতেই বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, এভাবে প্রায় সবকটি স্কুলে পড়াশোনা হচ্ছে।

উপজেলার সিংহনাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বেলা ২টা ৫০ মিনিটে সরজমিনকালে বন্ধ পাওয়া যায়।  উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে আলোচনাকালে তিনি জানান, আজ স্কুল বন্ধ করার কথা নয়। প্রমাণদি দেওয়ার পর তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।  তবে এর আগেও আরেও একটি স্কুলে শিক্ষকদের অনুপস্থিতি বিষয়ে আলাপ করলে ব্যবস্থা নেওয়ার হবে বলে জানিয়েছিলেন।