ঢাকা ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
ফরিদপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে পুকুর থেকে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার গণমাধ্যমের কাছে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার : প্রেস সচিব জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি, জোট সরকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশকে আর বিভক্ত করতে দেবো না : ডা. শফিকুর রহমান চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম দ্রুত চালুর আহ্বান ইউরোচ্যামের মুন্সীগঞ্জে প্রতিটি ভোট কক্ষ সিসি টিভি ক্যামেরার আওতায় ভুলবশত গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে ৪ হাজার কোটি ডলারের বিটকয়েন পাঠাল ক্রিপ্টো সংস্থা দুর্গম রুমায় বিএনপির গণসংযোগ–পথসভা; নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে নির্বাচনী আমেজ, জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ বড়লেখায় বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গনঅধিকারের নুর আওয়ামী লীগ, বিএনপি সর্বস্তরের জনগণের ভোট চাই - কবিরহাটে মোহাম্মদ ফখরুল

আজমিরীগঞ্জে সরকারি সার নিয়ে গুরুতর অভিযোগ "আটক হলেও জব্দ ছাড়াই গেল শাল্লায়"

#
news image

আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা এলাকা থেকে সরকারি সার সংগ্রহ করে সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইল গ্রামে সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি এবং ঘটনাস্থলে প্রশাসনের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও সার জব্দ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে তীব্র আলোচনা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আজমিরীগঞ্জের আমির এন্টারপ্রাইজ থেকে নেওয়া সার, যার বস্তায় সরকার নির্ধারিত বিক্রয় মূল্য থেকে বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে। গত ০২ ফেব্রুয়ারি সোমবার, আজমিরীগঞ্জ লঞ্চঘাটে সারগুলো শাল্লা উপজেলায় নেওয়ার প্রস্তুতিকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে আসে বিষয়টি। সন্দেহ হওয়ায় তারা স্থানীয় জনসাধারণের সাহায্যে সারভর্তি বস্তাগুলো আটক করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি  কর্মকর্তা এবং উপজেলা কৃষি উপসহকারী (সায়মা সিদ্দিকা) কে মোবাইল ফোনে অবহিত করেন।

সারগুলো বহনকারী ক্রেতা সাংবাদিকদের জানান যে তিনি সারগুলো আজমিরীগঞ্জের আমির এন্টারপ্রাইজ থেকেই ক্রয় করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, কৃষি উপসহকারী ( সায়মা সিদ্দিকা) কে খবর দেওয়ার পর পাঁচ মিনিটের মধ্যে লোক পাঠানোর আশ্বাস দেন, কিন্তু প্রায় দেড় ঘণ্টা পর কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অমরেন্দ্র চৌধুরী এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরবর্তিতে কৃষি উপসহকারী সায়মা সিদ্দিকা তিনি কাকাইলছেও ইউনিয়নের দায়িত্বে রয়েছেন এবং কৃষি উপসহকারী অমরেন্দ্র চৌধুরী সহজ সরল মানুষ তাই বুঝতে পারেননি সারগুলো কি করতে হবে এই মর্মে দাবি করে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন। 
 প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কর্মকর্তারা সারগুলোর গায়ে লেখা মূল্য, উৎস ও গন্তব্য দেখেন, তবে কোনো ধরনের জব্দ, সিজার লিস্ট বা আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর সেই সারগুলো ক্রেতার মাধ্যমে শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইল গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে স্থানীয় কৃষক ও সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন—যেখানে কৃষকেরা সারের জন্য ভোগান্তিতে পড়ছেন, সেখানে কীভাবে সরকারি সার অতিরিক্ত দামে বিক্রি হয়ে অন্য উপজেলায় চলে যায়? প্রশাসনের সামনে আটক হওয়ার পরও সেগুলো কেন জব্দ করা হলো না? প্রশাসনের গাফিলতির কারণে কি অনিয়ম রোধ করা যাচ্ছে না?
ঘটনাটি ঘিরে সরকারি সার বিতরণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং কৃষি কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। এলাকাবাসী দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার রুহুল আমিন সাংবাদিকদের বলেন , বস্তাতে সার ছিল আপনারা কিভাবে বুঝলেন? চাউল ও তো থাকতে পারে।
পরবর্তীতে আবার তিনি বলেন, "আমি অফিসিয়াল কাজে বাইরে ছিলাম। ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়েছিলাম। 
সারের বিষয়টি পাওয়া গেছে, তবে সিজ করা হয়নি। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

আজমিরীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  2:57 PM

news image

আজমিরীগঞ্জ পৌরসভা এলাকা থেকে সরকারি সার সংগ্রহ করে সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইল গ্রামে সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে। সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার বিক্রি এবং ঘটনাস্থলে প্রশাসনের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও সার জব্দ না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে এলাকাজুড়ে তীব্র আলোচনা ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, আজমিরীগঞ্জের আমির এন্টারপ্রাইজ থেকে নেওয়া সার, যার বস্তায় সরকার নির্ধারিত বিক্রয় মূল্য থেকে বেশি দামে বিক্রি করা হয়েছে। গত ০২ ফেব্রুয়ারি সোমবার, আজমিরীগঞ্জ লঞ্চঘাটে সারগুলো শাল্লা উপজেলায় নেওয়ার প্রস্তুতিকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে আসে বিষয়টি। সন্দেহ হওয়ায় তারা স্থানীয় জনসাধারণের সাহায্যে সারভর্তি বস্তাগুলো আটক করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও উপজেলা কৃষি  কর্মকর্তা এবং উপজেলা কৃষি উপসহকারী (সায়মা সিদ্দিকা) কে মোবাইল ফোনে অবহিত করেন।

সারগুলো বহনকারী ক্রেতা সাংবাদিকদের জানান যে তিনি সারগুলো আজমিরীগঞ্জের আমির এন্টারপ্রাইজ থেকেই ক্রয় করেছেন।
অভিযোগ রয়েছে, কৃষি উপসহকারী ( সায়মা সিদ্দিকা) কে খবর দেওয়ার পর পাঁচ মিনিটের মধ্যে লোক পাঠানোর আশ্বাস দেন, কিন্তু প্রায় দেড় ঘণ্টা পর কৃষি বিভাগের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অমরেন্দ্র চৌধুরী এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরবর্তিতে কৃষি উপসহকারী সায়মা সিদ্দিকা তিনি কাকাইলছেও ইউনিয়নের দায়িত্বে রয়েছেন এবং কৃষি উপসহকারী অমরেন্দ্র চৌধুরী সহজ সরল মানুষ তাই বুঝতে পারেননি সারগুলো কি করতে হবে এই মর্মে দাবি করে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন। 
 প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কর্মকর্তারা সারগুলোর গায়ে লেখা মূল্য, উৎস ও গন্তব্য দেখেন, তবে কোনো ধরনের জব্দ, সিজার লিস্ট বা আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই কিছুক্ষণ পর ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা চলে যাওয়ার পর সেই সারগুলো ক্রেতার মাধ্যমে শাল্লা উপজেলার শ্রীহাইল গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে স্থানীয় কৃষক ও সচেতন নাগরিকদের প্রশ্ন—যেখানে কৃষকেরা সারের জন্য ভোগান্তিতে পড়ছেন, সেখানে কীভাবে সরকারি সার অতিরিক্ত দামে বিক্রি হয়ে অন্য উপজেলায় চলে যায়? প্রশাসনের সামনে আটক হওয়ার পরও সেগুলো কেন জব্দ করা হলো না? প্রশাসনের গাফিলতির কারণে কি অনিয়ম রোধ করা যাচ্ছে না?
ঘটনাটি ঘিরে সরকারি সার বিতরণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা এবং কৃষি কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। এলাকাবাসী দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার রুহুল আমিন সাংবাদিকদের বলেন , বস্তাতে সার ছিল আপনারা কিভাবে বুঝলেন? চাউল ও তো থাকতে পারে।
পরবর্তীতে আবার তিনি বলেন, "আমি অফিসিয়াল কাজে বাইরে ছিলাম। ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়েছিলাম। 
সারের বিষয়টি পাওয়া গেছে, তবে সিজ করা হয়নি। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"