বড়লেখা-জুড়ি আসনে সিল মারা ব্যালটের ছবি ফেসবুকে সয়লাব:জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন
হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 6:46 PM
বড়লেখা-জুড়ি আসনে সিল মারা ব্যালটের ছবি ফেসবুকে সয়লাব:জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালীন এবং ভোট শেষ হওয়ার আগেই মৌলভীবাজার -১(বড়লেখা-জুড়ি) আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র থেকে সিল মারা ব্যালট পেপারের অসংখ্য ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফেসবুক জুড়ে এসব ছবি ভাইরাল হওয়ায় নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভোটের গোপনীয়তা এবং আচরণবিধি বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ভোটের দিন সকাল থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ও পেজে সিল দেয়া ব্যালট পেপারের ছবি পোস্ট হতে থাকে। কিছু পোস্টে দেখা যায়, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে নির্দিষ্ট প্রতীকে সিল দেয়ার পর সেই ব্যালটের ছবি তুলে তা প্রকাশ করেছেন। অনেক পোস্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলের পক্ষে সমর্থনমূলক মন্তব্যও যুক্ত ছিল। এতে ভোটের নিরপেক্ষতা ও গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
শুধু একক ব্যালট নয়, সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ব্যালট পেপারের ছবিও ঘুরতে দেখা গেছে। এসব ছবির সত্যতা, উৎস এবং সময় নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এ ধরনের ছবি ভোট জালিয়াতি বা ব্যালট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের ইঙ্গিত বহন করছে কি না। আবার অনেকে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির ঘাটতির বিষয়টি সামনে এনেছেন।
নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি অনুযায়ী ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা বাধ্যতামূলক। সাধারণভাবে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার, বিশেষ করে ব্যালট পেপারের ছবি তোলা বা তা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারদের মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের অনুমতি নেই। সেই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে কীভাবে ভোটাররা মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করলেন এবং গোপন কক্ষে সিল মারা ব্যালটের ছবি তুলতে সক্ষম হলেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলের মতে, ভোটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান শর্ত। ব্যালট পেপারের ছবি প্রকাশ ভোটারের স্বাধীন মতপ্রকাশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং ভবিষ্যতে প্রভাব বিস্তার বা চাপ প্রয়োগের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সচেতন নাগরিকদের দাবি, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিত, যাতে ভোটের গোপনীয়তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে।
হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 6:46 PM
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলাকালীন এবং ভোট শেষ হওয়ার আগেই মৌলভীবাজার -১(বড়লেখা-জুড়ি) আসনের বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র থেকে সিল মারা ব্যালট পেপারের অসংখ্য ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফেসবুক জুড়ে এসব ছবি ভাইরাল হওয়ায় নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভোটের গোপনীয়তা এবং আচরণবিধি বাস্তবায়ন নিয়ে জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ভোটের দিন সকাল থেকেই বিভিন্ন ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি ও পেজে সিল দেয়া ব্যালট পেপারের ছবি পোস্ট হতে থাকে। কিছু পোস্টে দেখা যায়, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রের গোপন কক্ষে নির্দিষ্ট প্রতীকে সিল দেয়ার পর সেই ব্যালটের ছবি তুলে তা প্রকাশ করেছেন। অনেক পোস্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী বা রাজনৈতিক দলের পক্ষে সমর্থনমূলক মন্তব্যও যুক্ত ছিল। এতে ভোটের নিরপেক্ষতা ও গোপনীয়তা রক্ষার বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
শুধু একক ব্যালট নয়, সামাজিক মাধ্যমে একাধিক ব্যালট পেপারের ছবিও ঘুরতে দেখা গেছে। এসব ছবির সত্যতা, উৎস এবং সময় নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। কেউ কেউ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এ ধরনের ছবি ভোট জালিয়াতি বা ব্যালট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের ইঙ্গিত বহন করছে কি না। আবার অনেকে ভোটকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারির ঘাটতির বিষয়টি সামনে এনেছেন।
নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি অনুযায়ী ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা বাধ্যতামূলক। সাধারণভাবে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন ব্যবহার, বিশেষ করে ব্যালট পেপারের ছবি তোলা বা তা সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে সাধারণ ভোটারদের মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের অনুমতি নেই। সেই প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে কীভাবে ভোটাররা মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করলেন এবং গোপন কক্ষে সিল মারা ব্যালটের ছবি তুলতে সক্ষম হলেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল মহলের মতে, ভোটের গোপনীয়তা নিশ্চিত করা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান শর্ত। ব্যালট পেপারের ছবি প্রকাশ ভোটারের স্বাধীন মতপ্রকাশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে এবং ভবিষ্যতে প্রভাব বিস্তার বা চাপ প্রয়োগের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সচেতন নাগরিকদের দাবি, বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া উচিত, যাতে ভোটের গোপনীয়তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় থাকে।