"সুপেয় পানিতে বদলাচ্ছে গ্রামের চিত্র" কথা রেখেছেন এমপির ছেলে সৈয়দ সাফকাত
মোঃ শামীম মিয়া :
০৫ মার্চ, ২০২৬, 10:02 PM
"সুপেয় পানিতে বদলাচ্ছে গ্রামের চিত্র" কথা রেখেছেন এমপির ছেলে সৈয়দ সাফকাত
কথা দিয়ে কথা রেখেছেন হবিগঞ্জের সায়হাম নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিল্পপতি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। নির্বাচন এলে প্রতিশ্রুতির ঝড় বয়ে যায়—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কিন্তু নির্বাচন শেষে অনেক প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়ন হয় না। চুনারুঘাটের গোসাপাড়া গ্রামের মানুষের মতে, সেই প্রচলিত ধারণা এবার মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সৈয়দ মোঃ ফয়সল। পিতার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন তাঁর দুই ছেলে—সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ ও সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। তারা ২৮টি চা বাগানসহ মাধবপুর ও চুনারুঘাটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করেন।
প্রচারণাকালে তারা স্বচক্ষে দেখেছেন এলাকাবাসীর নানা সমস্যা, বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানির সংকট। জনগণও তাদের প্রতি আস্থা রেখে বিপুল ভোটে সৈয়দ ফয়সলকে নির্বাচিত করেন। নির্বাচনের পরপরই তাঁর দুই পুত্র সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ৪৫ হাজার পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন। পাশাপাশি চাকলাপুঞ্জি চা বাগানে শ্রমিকদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।বাগানে নির্মাণ করেন নাট মন্দির।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের গোসাপাড়া গ্রামে নিজ অর্থায়নে একটি সাবমার্সিবল গভীর নলকূপ স্থাপন করেন সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। দীর্ঘদিন ধরে বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভোগা গ্রামবাসী এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
গোসাপাড়া গ্রামের বিএনপি সভাপতি সালাউদ্দিন বাবলু বলেন, “রাজনীতিতে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন খুব কমই দেখা যায়। কিন্তু সৈয়দ ইশতিয়াক ও সৈয়দ শাফকাত ব্যতিক্রম। তারা যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। গোসাপাড়ার মানুষ বিশুদ্ধ পানি পেয়ে তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হয়েছে।”
সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, “নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে আমরা মাধবপুর-চুনারুঘাটবাসীর অন্তহীন সমস্যা দেখেছি। এই অঞ্চলকে এগিয়ে নিতে হলে আরও অনেক কাজ করতে হবে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব মানুষের মৌলিক সমস্যা সমাধানে।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি, কর্মসংস্থান, পরিবেশ উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নের মতো খাতে সমন্বিত উন্নয়ন ঘটাতে পারলে মাধবপুর-চুনারুঘাট একদিন দেশের অন্যতম মডেল অঞ্চলে পরিণত হবে। এজন্য তিনি সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
নলকূপ স্থাপনের ফলে গোসাপাড়া গ্রামের কয়েকশ পরিবার এখন নিরাপদ পানির সুবিধা পাচ্ছে। গ্রামবাসীর প্রত্যাশা, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মোঃ শামীম মিয়া :
০৫ মার্চ, ২০২৬, 10:02 PM
কথা দিয়ে কথা রেখেছেন হবিগঞ্জের সায়হাম নীট কম্পোজিটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিল্পপতি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। নির্বাচন এলে প্রতিশ্রুতির ঝড় বয়ে যায়—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কিন্তু নির্বাচন শেষে অনেক প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবায়ন হয় না। চুনারুঘাটের গোসাপাড়া গ্রামের মানুষের মতে, সেই প্রচলিত ধারণা এবার মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন সৈয়দ মোঃ ফয়সল। পিতার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন তাঁর দুই ছেলে—সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ ও সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। তারা ২৮টি চা বাগানসহ মাধবপুর ও চুনারুঘাটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করেন।
প্রচারণাকালে তারা স্বচক্ষে দেখেছেন এলাকাবাসীর নানা সমস্যা, বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানির সংকট। জনগণও তাদের প্রতি আস্থা রেখে বিপুল ভোটে সৈয়দ ফয়সলকে নির্বাচিত করেন। নির্বাচনের পরপরই তাঁর দুই পুত্র সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ৪৫ হাজার পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন। পাশাপাশি চাকলাপুঞ্জি চা বাগানে শ্রমিকদের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।বাগানে নির্মাণ করেন নাট মন্দির।
এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের গোসাপাড়া গ্রামে নিজ অর্থায়নে একটি সাবমার্সিবল গভীর নলকূপ স্থাপন করেন সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। দীর্ঘদিন ধরে বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভোগা গ্রামবাসী এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
গোসাপাড়া গ্রামের বিএনপি সভাপতি সালাউদ্দিন বাবলু বলেন, “রাজনীতিতে প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন খুব কমই দেখা যায়। কিন্তু সৈয়দ ইশতিয়াক ও সৈয়দ শাফকাত ব্যতিক্রম। তারা যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। গোসাপাড়ার মানুষ বিশুদ্ধ পানি পেয়ে তাদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হয়েছে।”
সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন, “নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়ে আমরা মাধবপুর-চুনারুঘাটবাসীর অন্তহীন সমস্যা দেখেছি। এই অঞ্চলকে এগিয়ে নিতে হলে আরও অনেক কাজ করতে হবে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব মানুষের মৌলিক সমস্যা সমাধানে।”
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিশুদ্ধ পানি, কর্মসংস্থান, পরিবেশ উন্নয়ন ও নারীর ক্ষমতায়নের মতো খাতে সমন্বিত উন্নয়ন ঘটাতে পারলে মাধবপুর-চুনারুঘাট একদিন দেশের অন্যতম মডেল অঞ্চলে পরিণত হবে। এজন্য তিনি সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।
নলকূপ স্থাপনের ফলে গোসাপাড়া গ্রামের কয়েকশ পরিবার এখন নিরাপদ পানির সুবিধা পাচ্ছে। গ্রামবাসীর প্রত্যাশা, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।