গাজীপুরে ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে হয়রানির অভিযোগ
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
০৮ মার্চ, ২০২৬, 6:27 PM
গাজীপুরে ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে হয়রানির অভিযোগ
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার ১৪ নং ওয়ার্ড ভিটিপাড়া ম্যালন ফ্যাশনের ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আসল ঘটনা তুলে ধরলেন ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম ও ১৪ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ নাজমুল ইসলাম।
৭ ই মার্চ বেলা ১১ টায় সংগঠিত ঐ ঘটনা কে কেন্দ্র করে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত না থাকার কথা ব্যক্ত করেন রফিকুল ইসলাম ও নাজমুল ইসলাম।
৮ ই মার্চ সকাল ১০ টায় নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তারা।
নাজমুল বলেন,৫ই আগস্টের পর থেকে ঐ ফ্যাক্টরীতে ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ব্যবসা করে আসছেন। ঐখান থেকে যে পরিমাণ টাকা ইনকাম হয়,তা প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীদের মাঝে বন্টন করা হয়।
৭ই মার্চ সকাল ১০ টা থেকে ১১ টার মধ্যে এলাকাবাসী ও কৌশিক খানের মধ্যে দাওয়া পাল্টা দাওয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নাজমুল ইসলাম বলেন,আমি এলাকার বাহিরে থাকার কারনে বিষয়টি পরে জানতে পারি।
কৌশিক খান ঝুট নিতে এসে ৪ টি তাকওয়া ও ২ টি হাইস গাড়িতে করে দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত করে প্রায় ২ শতাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েক করতে চেয়েছিল। কিন্তু এলাকার মানুষের বাধার মুখে পড়ে ঝুট রেখেই পালিয়ে যায়।
নাজমুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি কোন অদৃশ্য শক্তির মাধ্যমে কৌশিক খান নিজের নামে ঐ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়।
তাই প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে আবেদন রইল অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ঐ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হউক।
সেভেন স্টারের কারনেই চৌরাস্তা সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনে ধানের শীষ ফেল করেছে,এখনই সময় তাদের প্রতিহত করতে হবে,নয়ত বিএনপি পরিবারের জন্য ভয়াবহ অবস্থা সামনে রয়েছে কথাগুলো বললেন ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন,১৪ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্য করতে অন্য ওয়ার্ডের সন্ত্রাসীদের প্রয়োজন নেই। আমাদের ওয়ার্ড আমরাই নিয়ন্ত্রণ করবো। তাই গত ৭ই মার্চের ঘটনায় যারা জড়িত,তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আমি জড়িত থাকলে আমার শাস্তি দাবি করছি।
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
০৮ মার্চ, ২০২৬, 6:27 PM
গাজীপুর মহানগরীর বাসন থানার ১৪ নং ওয়ার্ড ভিটিপাড়া ম্যালন ফ্যাশনের ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষের আসল ঘটনা তুলে ধরলেন ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম ও ১৪ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মোঃ নাজমুল ইসলাম।
৭ ই মার্চ বেলা ১১ টায় সংগঠিত ঐ ঘটনা কে কেন্দ্র করে নিজেদেরকে সম্পৃক্ত না থাকার কথা ব্যক্ত করেন রফিকুল ইসলাম ও নাজমুল ইসলাম।
৮ ই মার্চ সকাল ১০ টায় নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন তারা।
নাজমুল বলেন,৫ই আগস্টের পর থেকে ঐ ফ্যাক্টরীতে ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ব্যবসা করে আসছেন। ঐখান থেকে যে পরিমাণ টাকা ইনকাম হয়,তা প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীদের মাঝে বন্টন করা হয়।
৭ই মার্চ সকাল ১০ টা থেকে ১১ টার মধ্যে এলাকাবাসী ও কৌশিক খানের মধ্যে দাওয়া পাল্টা দাওয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নাজমুল ইসলাম বলেন,আমি এলাকার বাহিরে থাকার কারনে বিষয়টি পরে জানতে পারি।
কৌশিক খান ঝুট নিতে এসে ৪ টি তাকওয়া ও ২ টি হাইস গাড়িতে করে দেশীয় অস্ত্র সজ্জিত করে প্রায় ২ শতাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েক করতে চেয়েছিল। কিন্তু এলাকার মানুষের বাধার মুখে পড়ে ঝুট রেখেই পালিয়ে যায়।
নাজমুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি কোন অদৃশ্য শক্তির মাধ্যমে কৌশিক খান নিজের নামে ঐ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়।
তাই প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের কাছে আবেদন রইল অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ঐ সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হউক।
সেভেন স্টারের কারনেই চৌরাস্তা সহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে নির্বাচনে ধানের শীষ ফেল করেছে,এখনই সময় তাদের প্রতিহত করতে হবে,নয়ত বিএনপি পরিবারের জন্য ভয়াবহ অবস্থা সামনে রয়েছে কথাগুলো বললেন ১৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। তিনি আরও বলেন,১৪ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন ব্যবসা বানিজ্য করতে অন্য ওয়ার্ডের সন্ত্রাসীদের প্রয়োজন নেই। আমাদের ওয়ার্ড আমরাই নিয়ন্ত্রণ করবো। তাই গত ৭ই মার্চের ঘটনায় যারা জড়িত,তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আমি জড়িত থাকলে আমার শাস্তি দাবি করছি।