গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
২৪ এপ্রিল, ২০২৬, 7:04 PM
গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা
বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাট গম্বুজ ইউনিয়নের গুদারা খালে দীর্ঘদিন ধরে দেওয়া অবৈধ বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় প্রায় দুই শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যক্তি খালটি দখল করে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছিল। পূর্ববর্তী সময়ের মতোই সরকার পরিবর্তনের পরও নতুন করে আবারও খালটি দখলের চেষ্টা চলে। এতে করে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং কৃষিকাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।
এদিকে, গুদারা খালের প্রায় আড়াই কিলোমিটার খনন কাজ শুরু হলেও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বাঁধ অপসারণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে এবং বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজুরুল হক রাহাদ-এর সহযোগিতায় বাঁধটি অপসারণ করা হয়।
বাঁধ অপসারণের ফলে খালের পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং কৃষকরা আবারও স্বাচ্ছন্দ্যে ফসল উৎপাদন করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের আরও দাবি, এ ধরনের অবৈধ দখলদারদের আইনের আওতায় এনে খালসহ সকল প্রাকৃতিক জলাধার উন্মুক্ত রাখতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
২৪ এপ্রিল, ২০২৬, 7:04 PM
বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাট গম্বুজ ইউনিয়নের গুদারা খালে দীর্ঘদিন ধরে দেওয়া অবৈধ বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় প্রায় দুই শতাধিক মানুষের উপস্থিতিতে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যক্তি খালটি দখল করে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছিল। পূর্ববর্তী সময়ের মতোই সরকার পরিবর্তনের পরও নতুন করে আবারও খালটি দখলের চেষ্টা চলে। এতে করে খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং কৃষিকাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল।
এদিকে, গুদারা খালের প্রায় আড়াই কিলোমিটার খনন কাজ শুরু হলেও কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি বাঁধ অপসারণে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে এলাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে এবং বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজুরুল হক রাহাদ-এর সহযোগিতায় বাঁধটি অপসারণ করা হয়।
বাঁধ অপসারণের ফলে খালের পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং কৃষকরা আবারও স্বাচ্ছন্দ্যে ফসল উৎপাদন করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দ বিরাজ করছে।
স্থানীয়দের আরও দাবি, এ ধরনের অবৈধ দখলদারদের আইনের আওতায় এনে খালসহ সকল প্রাকৃতিক জলাধার উন্মুক্ত রাখতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।