ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে সংগীতা আইডিয়াল হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন  গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী সুযোগ নিতে পারে জামায়াত

বড়লেখায় জমে উঠেছে ঈদ বাজার

#
news image

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে ঈদের বাজারের কেনাবেচা।
বাহারি পোশাক, প্রসাধনী, অলংকার ও গ্রোসারী পণ্যের জমজমাট বেচাকেনা শুরু হয়েছে। ব্যস্ততা বেড়েছে পোশাক তৈরির টেইলার্সগুলোতে। বিভিন্ন আয়ের মানুষ পরিবারের সদস্যদের জন্য ঈদের কেনাকাটায় মেতে উঠেছেন। নতুন পোশাকসহ ঈদ পণ্য কিনতে দোকানে বেড়েছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। মার্কেট গুলোতে  প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত থাকছে সরগরম। দাম ও বেচাকেনা সন্তোষজনক বলছেন ক্রেতা ও ব্যবসায়িরা।

শহরের বড় বড় মার্কেট, বিপনি বিতান ও স্থাপনায় করা হয়েছে মনমুগ্ধকর আলোকসজ্জা। শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এই বছর দেশীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে বিপনি বিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফুটপাত থেকে শুরু করে আভিজাত্যের দোকানে ক্রেতাদের ভিড়। এবারে ক্রেতাদের কাছে বিশেষ করে দেশীয় পোশাকের বেশ চাহিদা রয়েছে বলে জানা যায়।

বড়লেখা পৌর শহরের নুরজাহান শপিং সেন্টার,আব্দুল আলী ট্রেড সেন্টার,মেমোরিয়াল মার্কেট,জলি ম্যানশন,হাবিব মার্কেট,শাহজালাল শপিং মহল সহ সকল মার্কেটে জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা। ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে ঘুরছেন বিভিন্ন দোকানে। দর কষাকষি করে কিনছেন।

ঈদের কেনাকাটা করতে আসা সুলতানা পারভিন বলেন, নিজের ও পরিবারের সদস্যদর জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাসি মুখে ঈদ উদযাপন করতে পারলেই আমাদের ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পাবে। এবছর কেনাকাটা করে ভালো লাগছে। পোশাকের দাম সহনীয় রয়েছে।

ক্রেতা রহিম উদ্দিন বলেন, ঈদ মার্কেটে পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে আছে।সাধ ও সাধ্যের মধ্যে স্ত্রী, ছেলে-মেয়েসহ নিজের জন্য নতুন পোশাক, জুতা-স্যান্ডেল এবং পাঞ্জাবি কিনেছি। এক থেকে তিন হাজার টাকা মধ্যে বিভিন্ন ধরণের পোশাক কিনতে পেরেছি।

অপর  ক্রেতা সারমিন আক্তার বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বিদেশি পোশাক কেনার আগ্রহ কম। বাজারে পোশাক, প্রসাধনী ও সাজসজ্জা উপকরণের দাম খুব একটা বেশি না।

স্কুলপড়ুয়া রুজিনা বেগম বলেন, সে তার আম্মুর সঙ্গে ঈদ বাজারে এসেছে। তিন হাজার টাকার মধ্যে নতুন পোশাক কিনেছে।

 পৌর শহরের কাপড় ব্যবসায়ী আদর ফ্যাশনের মালিক আব্দুল লতিফের সাথে আলাপকালে জানা যায়, তাদের দোকানগুলোতে ১০ রোজার পর থেকেই বেচাকেনা জমে ওঠেছে। প্রতিদিন ভালো বিক্রি হচ্ছে।দিনের পাশাপাশি রাত ১টা পর্যন্ত ক্রেতা আসছেন। গত কয়েক বছরের তুলনায় সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে বেচাকেনা চলছে।

তিনি আরো বলেন,মাসের প্রথমদিকে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা বেতন পাওয়ায় মার্চের শুরুতেই ক্রেতারা ভিড় করছেন।শেষ পর্যন্ত এভাবে জমজমাট বেচাকেনা চলবে বলে আসা ব্যক্ত করে বলেন ঈদবাজারে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারে দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি, ভেজালরোধসহ সার্বিক মনিটরিং করা হচ্ছে। ব্যবসায়িক পরিবেশ ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। উৎসবমূখর পরিবেশে সবাই যাতে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সেদিক লক্ষ্য রেখে প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :

১২ মার্চ, ২০২৬,  12:36 AM

news image

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে ঈদের বাজারের কেনাবেচা।
বাহারি পোশাক, প্রসাধনী, অলংকার ও গ্রোসারী পণ্যের জমজমাট বেচাকেনা শুরু হয়েছে। ব্যস্ততা বেড়েছে পোশাক তৈরির টেইলার্সগুলোতে। বিভিন্ন আয়ের মানুষ পরিবারের সদস্যদের জন্য ঈদের কেনাকাটায় মেতে উঠেছেন। নতুন পোশাকসহ ঈদ পণ্য কিনতে দোকানে বেড়েছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড়। মার্কেট গুলোতে  প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত থাকছে সরগরম। দাম ও বেচাকেনা সন্তোষজনক বলছেন ক্রেতা ও ব্যবসায়িরা।

শহরের বড় বড় মার্কেট, বিপনি বিতান ও স্থাপনায় করা হয়েছে মনমুগ্ধকর আলোকসজ্জা। শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে উৎসবের আমেজ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এই বছর দেশীয় পোশাকের চাহিদা বেশি। ঈদের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে বিপনি বিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ফুটপাত থেকে শুরু করে আভিজাত্যের দোকানে ক্রেতাদের ভিড়। এবারে ক্রেতাদের কাছে বিশেষ করে দেশীয় পোশাকের বেশ চাহিদা রয়েছে বলে জানা যায়।

বড়লেখা পৌর শহরের নুরজাহান শপিং সেন্টার,আব্দুল আলী ট্রেড সেন্টার,মেমোরিয়াল মার্কেট,জলি ম্যানশন,হাবিব মার্কেট,শাহজালাল শপিং মহল সহ সকল মার্কেটে জমে উঠেছে ঈদের বেচাকেনা। ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে ঘুরছেন বিভিন্ন দোকানে। দর কষাকষি করে কিনছেন।

ঈদের কেনাকাটা করতে আসা সুলতানা পারভিন বলেন, নিজের ও পরিবারের সদস্যদর জন্য কেনাকাটা করতে এসেছি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে হাসি মুখে ঈদ উদযাপন করতে পারলেই আমাদের ঈদের আনন্দ পূর্ণতা পাবে। এবছর কেনাকাটা করে ভালো লাগছে। পোশাকের দাম সহনীয় রয়েছে।

ক্রেতা রহিম উদ্দিন বলেন, ঈদ মার্কেটে পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে আছে।সাধ ও সাধ্যের মধ্যে স্ত্রী, ছেলে-মেয়েসহ নিজের জন্য নতুন পোশাক, জুতা-স্যান্ডেল এবং পাঞ্জাবি কিনেছি। এক থেকে তিন হাজার টাকা মধ্যে বিভিন্ন ধরণের পোশাক কিনতে পেরেছি।

অপর  ক্রেতা সারমিন আক্তার বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বিদেশি পোশাক কেনার আগ্রহ কম। বাজারে পোশাক, প্রসাধনী ও সাজসজ্জা উপকরণের দাম খুব একটা বেশি না।

স্কুলপড়ুয়া রুজিনা বেগম বলেন, সে তার আম্মুর সঙ্গে ঈদ বাজারে এসেছে। তিন হাজার টাকার মধ্যে নতুন পোশাক কিনেছে।

 পৌর শহরের কাপড় ব্যবসায়ী আদর ফ্যাশনের মালিক আব্দুল লতিফের সাথে আলাপকালে জানা যায়, তাদের দোকানগুলোতে ১০ রোজার পর থেকেই বেচাকেনা জমে ওঠেছে। প্রতিদিন ভালো বিক্রি হচ্ছে।দিনের পাশাপাশি রাত ১টা পর্যন্ত ক্রেতা আসছেন। গত কয়েক বছরের তুলনায় সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশে বেচাকেনা চলছে।

তিনি আরো বলেন,মাসের প্রথমদিকে সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরা বেতন পাওয়ায় মার্চের শুরুতেই ক্রেতারা ভিড় করছেন।শেষ পর্যন্ত এভাবে জমজমাট বেচাকেনা চলবে বলে আসা ব্যক্ত করে বলেন ঈদবাজারে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিও স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাজারে দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি, ভেজালরোধসহ সার্বিক মনিটরিং করা হচ্ছে। ব্যবসায়িক পরিবেশ ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। উৎসবমূখর পরিবেশে সবাই যাতে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সেদিক লক্ষ্য রেখে প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানা যায়।