হবিগঞ্জ কারাগারে এক হাজতি বন্দির মৃত নিয়ে ধ্রমজাল, তদন্তের দাবি পরিবারের
মো: রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
১২ মার্চ, ২০২৬, 12:41 AM
হবিগঞ্জ কারাগারে এক হাজতি বন্দির মৃত নিয়ে ধ্রমজাল, তদন্তের দাবি পরিবারের
হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা এক বন্দী হাজতির মৃত নিয়ে ধ্রমজাল সৃষ্টি হয়েছে হয়েছে। জি আর ২৫৮/২৫ (নবী) একটি মামলায় রাসেল মিয়া (২৫)। হাজতে আছে। তিনি নবীগঞ্জ উপজেলার বনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আতিক উল্লার পুত্র বলে
জানা যায়, কারাগারে থাকা অবস্থায় হঠাৎ পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে গত ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাত প্রায় ৯টা ৩০ মিনিটে তাকে কারা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে ১১ মার্চ সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সকাল প্রায় ১০টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, জ্বর ও মৃগী রোগের সাথে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ার কারণে তার মৃত্যু হতে পারে।
এদিকে, রাসেল মিয়ার পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে তিনি গুরুতর অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল। কিন্তু সময়মতো যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় অবহেলার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
বর্তমানে মৃতদেহটি হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি সরকারের উধর্বতন তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া নেয়া জোর দাবি জানান নিহত রাসেলের পরিবার।
মো: রিপন মিয়া, হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
১২ মার্চ, ২০২৬, 12:41 AM
হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে থাকা এক বন্দী হাজতির মৃত নিয়ে ধ্রমজাল সৃষ্টি হয়েছে হয়েছে। জি আর ২৫৮/২৫ (নবী) একটি মামলায় রাসেল মিয়া (২৫)। হাজতে আছে। তিনি নবীগঞ্জ উপজেলার বনগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আতিক উল্লার পুত্র বলে
জানা যায়, কারাগারে থাকা অবস্থায় হঠাৎ পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে গত ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাত প্রায় ৯টা ৩০ মিনিটে তাকে কারা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে ১১ মার্চ সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সকাল প্রায় ১০টা ২০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, জ্বর ও মৃগী রোগের সাথে হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ার কারণে তার মৃত্যু হতে পারে।
এদিকে, রাসেল মিয়ার পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে তিনি গুরুতর অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষকে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল। কিন্তু সময়মতো যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় অবহেলার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
বর্তমানে মৃতদেহটি হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। অভিযোগের বিষয়টি সরকারের উধর্বতন তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া নেয়া জোর দাবি জানান নিহত রাসেলের পরিবার।