কোনাবাড়িতে পূর্ব শত্রুতার জেরে বিএনপির নেতা জাহাঙ্গীর আলমের উপর সন্ত্রাসী হামলা
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
১২ মার্চ, ২০২৬, 7:33 PM
কোনাবাড়িতে পূর্ব শত্রুতার জেরে বিএনপির নেতা জাহাঙ্গীর আলমের উপর সন্ত্রাসী হামলা
পূর্ব শত্রুতার জেরে কোনাবাড়ি থানার ১১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি পরিশ্রমী নেতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৪৫)কে হত্যার উদ্যশ্যে হাত ভেঙে দিয়েছে একই ওয়ার্ডের বাসিন্দা উচ্ছাস সরকার (৩০) ও তার পিতা-দুলাল সরকার।
গত ৭ ই মার্চ বেলা ১১ ঘটিকার সময় জাহাঙ্গীর আলমের বিক্রয়কৃত জমি বুজিয়ে দিতে বাঘিয়া বাজার সংলগ্ন উক্ত জমিতে গেলে, আগ থেকেই উৎপেতা থাকা উচ্ছাস সরকার ও তার পিতা-দুলাল সরকার সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন মিলে অবৈধভাবে উক্ত জমিতে প্রবেশ করে জাহাঙ্গীর আলমের নিকট ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা চাদা দাবি করেই অতর্কিত হামলা চালায়, এক পর্যায়ে এলোপাথারীভাবে মারধর করতে থাকে, উচ্ছাস সরকার লোহার সাপল দিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের বাম হাতের বাহুতে আঘাত করিয়া, তার বাম হাতের বাহু ভেঙ্গে ফেলে। সাথে সাথে জাহাঙ্গীর আলম অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। এরপরই আঘাত করার চেষ্টা করলে, আশেপাশে উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এসে কোনমতে তাদের হাত থেকে জাহাঙ্গীর আলম কে রক্ষা করে এবং সাথে সাথে তাকে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়।
অবস্থা বেশি খারাপ হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালের ডাক্তার দ্বারা অপারেশন করা হয়।
তথ্য মতে বর্তমানে জাহাঙ্গীর আলমের অবস্থা ভালো নয়,দিন দিন ভয়ভীতি ও আশংকার মধ্যে জীবন যাপন পালন করছে জাহাঙ্গীর আলম ও তার পরিবার।
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিগত ৫/৬ বছর আগে আমার মামাকে তারাই হত্যা করেছে, এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় উচ্ছাস সরকার এর রোষানলে পড়েছি। রাস্তাঘাটে যখন তখন আমাকে হত্যার করার জন্য ঝগড়া বিবাদ করত, আমার ব্যবসা প্রতিষ্টানে একাধিকবার হামলা করেছে।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাঘিয়া এলাকার সকল মানুষ জানে,উচ্ছাস সরকার মাদক কারবারি ও সেবনকারী এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত। থানায় এদের নামে অনেক অভিযোগ রয়েছে ও হত্যা মামলায় জেল খেটেছে।
ঐ দিন আমাকে হত্যার করার উদ্দেশ্যে আমাকে বললো তোর কারণে আমাদের পরিবার শেষ হয়েছে, তোকে আজকে শেষ করে দেব। এরপর আমি আর কিছুই বলতে পারি নাই,অবশেষে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। থানায় অভিযোগ করেছে আমার স্ত্রী,প্রশাসনের লোক আমার সাথে যোগাযোগ করছে।
জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন,বিএনপির শীর্ষ নেতা ও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি এই সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের জোড় দাবি জানাচ্ছি।
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
১২ মার্চ, ২০২৬, 7:33 PM
পূর্ব শত্রুতার জেরে কোনাবাড়ি থানার ১১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি পরিশ্রমী নেতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (৪৫)কে হত্যার উদ্যশ্যে হাত ভেঙে দিয়েছে একই ওয়ার্ডের বাসিন্দা উচ্ছাস সরকার (৩০) ও তার পিতা-দুলাল সরকার।
গত ৭ ই মার্চ বেলা ১১ ঘটিকার সময় জাহাঙ্গীর আলমের বিক্রয়কৃত জমি বুজিয়ে দিতে বাঘিয়া বাজার সংলগ্ন উক্ত জমিতে গেলে, আগ থেকেই উৎপেতা থাকা উচ্ছাস সরকার ও তার পিতা-দুলাল সরকার সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন মিলে অবৈধভাবে উক্ত জমিতে প্রবেশ করে জাহাঙ্গীর আলমের নিকট ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা চাদা দাবি করেই অতর্কিত হামলা চালায়, এক পর্যায়ে এলোপাথারীভাবে মারধর করতে থাকে, উচ্ছাস সরকার লোহার সাপল দিয়ে জাহাঙ্গীর আলমের বাম হাতের বাহুতে আঘাত করিয়া, তার বাম হাতের বাহু ভেঙ্গে ফেলে। সাথে সাথে জাহাঙ্গীর আলম অজ্ঞান হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। এরপরই আঘাত করার চেষ্টা করলে, আশেপাশে উপস্থিত লোকজন এগিয়ে এসে কোনমতে তাদের হাত থেকে জাহাঙ্গীর আলম কে রক্ষা করে এবং সাথে সাথে তাকে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়।
অবস্থা বেশি খারাপ হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালের ডাক্তার দ্বারা অপারেশন করা হয়।
তথ্য মতে বর্তমানে জাহাঙ্গীর আলমের অবস্থা ভালো নয়,দিন দিন ভয়ভীতি ও আশংকার মধ্যে জীবন যাপন পালন করছে জাহাঙ্গীর আলম ও তার পরিবার।
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বিগত ৫/৬ বছর আগে আমার মামাকে তারাই হত্যা করেছে, এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় উচ্ছাস সরকার এর রোষানলে পড়েছি। রাস্তাঘাটে যখন তখন আমাকে হত্যার করার জন্য ঝগড়া বিবাদ করত, আমার ব্যবসা প্রতিষ্টানে একাধিকবার হামলা করেছে।
জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাঘিয়া এলাকার সকল মানুষ জানে,উচ্ছাস সরকার মাদক কারবারি ও সেবনকারী এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত। থানায় এদের নামে অনেক অভিযোগ রয়েছে ও হত্যা মামলায় জেল খেটেছে।
ঐ দিন আমাকে হত্যার করার উদ্দেশ্যে আমাকে বললো তোর কারণে আমাদের পরিবার শেষ হয়েছে, তোকে আজকে শেষ করে দেব। এরপর আমি আর কিছুই বলতে পারি নাই,অবশেষে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। থানায় অভিযোগ করেছে আমার স্ত্রী,প্রশাসনের লোক আমার সাথে যোগাযোগ করছে।
জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন,বিএনপির শীর্ষ নেতা ও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করছি এই সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের জোড় দাবি জানাচ্ছি।