অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর প্রলোভনে ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল আদম সিন্ডিকেট
মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :
১৪ মার্চ, ২০২৬, 5:17 AM
অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর প্রলোভনে ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল আদম সিন্ডিকেট
অভিনব কায়দায় অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন কদমতলা এলাকার বাসিন্দা লাজিম ও ফরিদ শেখ। একটি সংঘবদ্ধ আদম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে ধাপে ধাপে ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবার চরম হতাশা ও আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে এবং প্রতারকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্র লাজিমকে স্টুডেন্ট ভিসায় অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে একটি চক্র তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী পরিচয়ে খাজা মোহাম্মদ আলী সালাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি ফেসবুকের মাধ্যমে প্রথমে যোগাযোগ করেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর জন্য পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলেন। পরে লাজিমের পরিবার তার কাছে পাসপোর্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেয়।
এ সময় পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা ফরিদ শেখের স্ত্রী লাজিমের অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরবর্তীতে ফরিদ শেখের পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও একইভাবে ওই চক্রের কাছে জমা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, পরে লাজিমের মা রোকসানা সুলতানা মুক্তা এবং ফরিদ শেখের পরিবারের সদস্যদের ঢাকার গুলশানে অবস্থিত ডেল্টা টাওয়ার (লাইফ টাওয়ার) ভবনের চতুর্থ তলায় অবস্থিত বিএফএস গ্লোবাল অফিস চত্বরে যেতে বলা হয়। সেখানে তাদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র গ্রহণ করা হয় এবং প্রাথমিকভাবে দুইজনের জন্য ৮ লাখ টাকা নেওয়া হয়।
এরপর বিভিন্ন অজুহাতে—ভিসা প্রসেসিং, ফাইল চার্জ, মেডিকেলসহ নানা খাতে—ধাপে ধাপে মোট ২৫ লাখ টাকা আদায় করে প্রতারক চক্রটি। টাকা নেওয়ার পর অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
কিছুদিন পর হঠাৎ করে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জাহিদ হাসান ও সোহাগ শেখ নামে দুই ব্যক্তি যোগাযোগ করেন। তারা নিজেদের পঞ্চগড়ের বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে প্রতারিত টাকা উদ্ধার করে দেওয়ার কথা বলেন। তবে তারাও বিভিন্ন সময়ে নতুন করে টাকা দাবি করতে থাকে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ২৫ লাখ টাকা হারানোর পর তারা চরম মানসিক চাপ ও হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ঋণ করে দেওয়া এই টাকার চাপ এখন তাদের পরিবারের উপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলেছে।
প্রতারকদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। একই সঙ্গে তারা সাধারণ মানুষকে এমন প্রতারণামূলক প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
মাইনুল ইসলাম, পিরোজপুর প্রতিনিধি :
১৪ মার্চ, ২০২৬, 5:17 AM
অভিনব কায়দায় অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন কদমতলা এলাকার বাসিন্দা লাজিম ও ফরিদ শেখ। একটি সংঘবদ্ধ আদম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তাদের কাছ থেকে ধাপে ধাপে ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবার চরম হতাশা ও আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে এবং প্রতারকদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৫ জুলাই সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্র লাজিমকে স্টুডেন্ট ভিসায় অস্ট্রেলিয়া পাঠানোর কথা বলে একটি চক্র তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী পরিচয়ে খাজা মোহাম্মদ আলী সালাউদ্দিন নামে এক ব্যক্তি ফেসবুকের মাধ্যমে প্রথমে যোগাযোগ করেন এবং অস্ট্রেলিয়ায় পাঠানোর জন্য পাসপোর্টসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলেন। পরে লাজিমের পরিবার তার কাছে পাসপোর্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র জমা দেয়।
এ সময় পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা ফরিদ শেখের স্ত্রী লাজিমের অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরবর্তীতে ফরিদ শেখের পাসপোর্ট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও একইভাবে ওই চক্রের কাছে জমা দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগীদের দাবি, পরে লাজিমের মা রোকসানা সুলতানা মুক্তা এবং ফরিদ শেখের পরিবারের সদস্যদের ঢাকার গুলশানে অবস্থিত ডেল্টা টাওয়ার (লাইফ টাওয়ার) ভবনের চতুর্থ তলায় অবস্থিত বিএফএস গ্লোবাল অফিস চত্বরে যেতে বলা হয়। সেখানে তাদের কাছ থেকে পাসপোর্ট ও অন্যান্য কাগজপত্র গ্রহণ করা হয় এবং প্রাথমিকভাবে দুইজনের জন্য ৮ লাখ টাকা নেওয়া হয়।
এরপর বিভিন্ন অজুহাতে—ভিসা প্রসেসিং, ফাইল চার্জ, মেডিকেলসহ নানা খাতে—ধাপে ধাপে মোট ২৫ লাখ টাকা আদায় করে প্রতারক চক্রটি। টাকা নেওয়ার পর অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
কিছুদিন পর হঠাৎ করে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জাহিদ হাসান ও সোহাগ শেখ নামে দুই ব্যক্তি যোগাযোগ করেন। তারা নিজেদের পঞ্চগড়ের বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে প্রতারিত টাকা উদ্ধার করে দেওয়ার কথা বলেন। তবে তারাও বিভিন্ন সময়ে নতুন করে টাকা দাবি করতে থাকে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, ২৫ লাখ টাকা হারানোর পর তারা চরম মানসিক চাপ ও হতাশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ঋণ করে দেওয়া এই টাকার চাপ এখন তাদের পরিবারের উপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলেছে।
প্রতারকদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার। একই সঙ্গে তারা সাধারণ মানুষকে এমন প্রতারণামূলক প্রলোভন থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।