পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের ইট
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
২০ এপ্রিল, ২০২৬, 8:30 PM
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণে ব্যবহার হচ্ছে নিম্নমানের ইট
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় সীমানা প্রাচীর (বাউন্ডারি ওয়াল) নির্মাণে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ইট, দেখার যেনো কেউ নেই। গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার মাঝিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গেলে চোখে পড়ে দুই তিন নম্বর ইট এনে খোয়া তৈরি করা হচ্ছে।
জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী (পিইডিপি-৪) প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে ১৯১ মিটার প্রাচীর ও একটি গেট নির্মাণে প্রাক্কলিত মূল্য ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৪১৬ টাকা ও চুক্তি মূল্য ২৩ লাখ ৪ হাজার ৬৬২ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও আশ্রম পাড়ার জাভেদ শিকদারের পক্ষে কাজটি করছেন স্থানীয় ঠিকাদার শাহাদাৎ হোসেন রঞ্জু। কাজটি বাস্তবায়ন করছেন তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রাচীর ও গেটের কাজ করতে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হলেও স্থানীয় ঠিকাদার ক্ষমতাশীন দালের একজন বড় নেতা হওয়ায় কেউ মুখ খুলছেন না।
এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ঠিকাদার শাহাদাৎ হোসেন রঞ্জুর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘খোয়ার ইট ১নম্বর হবে না সেগুলো পিকেট ইট হবে, পিকেট ইট বাঁকা তেড়া হয়ে থাকে।’ পিকেট ইট গুলো দুই তিন নম্বর মূলত সরকারি কাজে ১নং পিকেট ইট ব্যবহার হয়ে থাকে বলতেই তিনি বলেন এখন কি সমস্যা। ওগুলো ১নম্বর পিকেট ইট।
সাগর নামে এক মিস্ত্রি বলেন, আগের ইট গুলো ভালোই ছিল। এবার ভাটা থেকে ভালো ইটের সাথে খারাপ ইট এসেছে ঠিকাদরকে জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান বলেন, কখন ইট নিয়ে আসছেন আর কখন ইট খোয়া করা হয়েছে তা আমাকে অবগত করা হয়নি। বিষয়টি আমি দেখছি। কোন ভাবেই নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করতে দেয়া হবে না। একই কথা বলেন, উপসহকারী প্রকৌশলী আলামিন।
মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
২০ এপ্রিল, ২০২৬, 8:30 PM
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় সীমানা প্রাচীর (বাউন্ডারি ওয়াল) নির্মাণে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ইট, দেখার যেনো কেউ নেই। গত মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) উপজেলার মাঝিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গেলে চোখে পড়ে দুই তিন নম্বর ইট এনে খোয়া তৈরি করা হচ্ছে।
জানা যায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচী (পিইডিপি-৪) প্রকল্পের আওতায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে ১৯১ মিটার প্রাচীর ও একটি গেট নির্মাণে প্রাক্কলিত মূল্য ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৪১৬ টাকা ও চুক্তি মূল্য ২৩ লাখ ৪ হাজার ৬৬২ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও আশ্রম পাড়ার জাভেদ শিকদারের পক্ষে কাজটি করছেন স্থানীয় ঠিকাদার শাহাদাৎ হোসেন রঞ্জু। কাজটি বাস্তবায়ন করছেন তেঁতুলিয়া উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রাচীর ও গেটের কাজ করতে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হলেও স্থানীয় ঠিকাদার ক্ষমতাশীন দালের একজন বড় নেতা হওয়ায় কেউ মুখ খুলছেন না।
এ বিষয়ে জানতে স্থানীয় ঠিকাদার শাহাদাৎ হোসেন রঞ্জুর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, ‘খোয়ার ইট ১নম্বর হবে না সেগুলো পিকেট ইট হবে, পিকেট ইট বাঁকা তেড়া হয়ে থাকে।’ পিকেট ইট গুলো দুই তিন নম্বর মূলত সরকারি কাজে ১নং পিকেট ইট ব্যবহার হয়ে থাকে বলতেই তিনি বলেন এখন কি সমস্যা। ওগুলো ১নম্বর পিকেট ইট।
সাগর নামে এক মিস্ত্রি বলেন, আগের ইট গুলো ভালোই ছিল। এবার ভাটা থেকে ভালো ইটের সাথে খারাপ ইট এসেছে ঠিকাদরকে জানানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী ইদ্রিস আলী খান বলেন, কখন ইট নিয়ে আসছেন আর কখন ইট খোয়া করা হয়েছে তা আমাকে অবগত করা হয়নি। বিষয়টি আমি দেখছি। কোন ভাবেই নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করতে দেয়া হবে না। একই কথা বলেন, উপসহকারী প্রকৌশলী আলামিন।