বন বিভাগের ৫২ শতাংশ জমি গিলে খাচ্ছেন খন্দকার বিল্লাল হোসেন
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 1:17 AM
বন বিভাগের ৫২ শতাংশ জমি গিলে খাচ্ছেন খন্দকার বিল্লাল হোসেন
গত ১১ বছর ধরে গাজীপুর মহানগর ২২ নং ওয়ার্ড গজারিয়াপাড়া,গাজি মার্কেট এলাকায় বন বিভাগের আড়াশোপ্রশাদ মৌজার ৪০৩ সিএস দাগের ৫২ শতাংশ জমি গিলে খাচ্ছেন খন্দকার বিল্লাল হোসেন।
এলাকাবাসী ও বন বিভাগের বরাত দিয়ে জানা যায়,গত আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকতাদের ম্যানেজ করে খন্দকার বিল্লাল হোসেন ও স্নাট মেহেদী ফ্যাক্টরী মিলে ঐ ৫২ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছে।
২০১৬ সাল থেকে বন বিভাগের জমির সাথে খন্দকার বিল্লাল হোসেন জমি থাকার সুবাদে তিনি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের তেল মেরে ভোগ দখল করে আসছে।
বাউপাড়া বিট অফিস থেকে একাধিকবার নোটিশ পাঠালেও জবাব না দিয়ে,উল্টো বন বিভাগের কর্মকতাদের সাথে খারাপ আচরণ করে তাড়িয়ে দেন ঐ খন্দকার বিল্লাল হোসেন।
বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মিমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন খোদ বাউপাড়া বিট অফিসের কর্মকতারা।
বাউপাড়া বিট অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে- যে আমরা যখন ঐ জমি উদ্ধার করতে যাই,তখন আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়ে ফোন দিত খন্দকার বিল্লাল হোসেন, এভাবে বহু বছর গেলেও এক পর্যায়ে বিল্লাল হোসেন তার অস্ত্র দিয়ে আমাদের মেরে ফেলের জন্য একাধিকবার এসেছে। ঐ কর্মচারী আরও বলেন,আমরা নিরুপায় হয়ে চলে আসি।
ঐ ঘটনার পর থেকে স্মাট মেহেদী ফ্যাক্টরীর দখলকৃত জমি তারা ছেড়ে দেয়। কিন্তু নাছোর বান্দা খন্দকার বিল্লাল হোসেন সুযোগ বুজে বাকি জমিগুলো নিজের কব্জায় নিয়ে এসে এখন পুরো ৫২ শতাংশ বন বিভাগের জমি নিজে একাই ভোগ দখল করে আসছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,জাতীয় সংসদ নির্বাচন পার হতে খন্দকার বিল্লাল হোসেনের দাপট বেড়ে আরও তিনগুন ছসড়িয়ে যায়। এই ভোগকৃত জমির উপরে তিনি বিল্ডিং নির্মাণ করে মার্কেটের কাজ করছেন।
এ বিষয়ে বাউপাড়া বিট অফিসার বলেন,আমরা খন্দকার বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে বন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী মামলা করেছি,কিন্তু আদালত এ বিষয়ে বিবেচনার জন্য সময় চেয়েছে --
বিস্তারিত আসছে--
গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 1:17 AM
গত ১১ বছর ধরে গাজীপুর মহানগর ২২ নং ওয়ার্ড গজারিয়াপাড়া,গাজি মার্কেট এলাকায় বন বিভাগের আড়াশোপ্রশাদ মৌজার ৪০৩ সিএস দাগের ৫২ শতাংশ জমি গিলে খাচ্ছেন খন্দকার বিল্লাল হোসেন।
এলাকাবাসী ও বন বিভাগের বরাত দিয়ে জানা যায়,গত আওয়ামী লীগের সরকারের আমলে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকতাদের ম্যানেজ করে খন্দকার বিল্লাল হোসেন ও স্নাট মেহেদী ফ্যাক্টরী মিলে ঐ ৫২ শতাংশ জমি ভোগ দখল করে আসছে।
২০১৬ সাল থেকে বন বিভাগের জমির সাথে খন্দকার বিল্লাল হোসেন জমি থাকার সুবাদে তিনি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাদের তেল মেরে ভোগ দখল করে আসছে।
বাউপাড়া বিট অফিস থেকে একাধিকবার নোটিশ পাঠালেও জবাব না দিয়ে,উল্টো বন বিভাগের কর্মকতাদের সাথে খারাপ আচরণ করে তাড়িয়ে দেন ঐ খন্দকার বিল্লাল হোসেন।
বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মিমাংসার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন খোদ বাউপাড়া বিট অফিসের কর্মকতারা।
বাউপাড়া বিট অফিসের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে- যে আমরা যখন ঐ জমি উদ্ধার করতে যাই,তখন আওয়ামী লীগের নেতাদের দিয়ে ফোন দিত খন্দকার বিল্লাল হোসেন, এভাবে বহু বছর গেলেও এক পর্যায়ে বিল্লাল হোসেন তার অস্ত্র দিয়ে আমাদের মেরে ফেলের জন্য একাধিকবার এসেছে। ঐ কর্মচারী আরও বলেন,আমরা নিরুপায় হয়ে চলে আসি।
ঐ ঘটনার পর থেকে স্মাট মেহেদী ফ্যাক্টরীর দখলকৃত জমি তারা ছেড়ে দেয়। কিন্তু নাছোর বান্দা খন্দকার বিল্লাল হোসেন সুযোগ বুজে বাকি জমিগুলো নিজের কব্জায় নিয়ে এসে এখন পুরো ৫২ শতাংশ বন বিভাগের জমি নিজে একাই ভোগ দখল করে আসছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,জাতীয় সংসদ নির্বাচন পার হতে খন্দকার বিল্লাল হোসেনের দাপট বেড়ে আরও তিনগুন ছসড়িয়ে যায়। এই ভোগকৃত জমির উপরে তিনি বিল্ডিং নির্মাণ করে মার্কেটের কাজ করছেন।
এ বিষয়ে বাউপাড়া বিট অফিসার বলেন,আমরা খন্দকার বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে বন বিভাগের নিয়ম অনুযায়ী মামলা করেছি,কিন্তু আদালত এ বিষয়ে বিবেচনার জন্য সময় চেয়েছে --
বিস্তারিত আসছে--