জোহানেসবার্গে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে নোয়াখালীর প্রবাসীকে গুলি করে হত্যা
মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 1:34 AM
জোহানেসবার্গে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে নোয়াখালীর প্রবাসীকে গুলি করে হত্যা
দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে নোয়াখালীর প্রবাসী ব্যবসায়ী আবু নাছের শামীম (৫০) কে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে দেশটির জোহানেসবার্গের পার্শ্ববর্তী বারা এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত শামীম নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামতলী এলাকার গনু সারেং বাড়ির মৃত আবদুর রশিদ মিয়ার ছেলে। তিনি চার সন্তানের জনক ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে জীবিকার সন্ধানে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান শামীম। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি সেখানে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। চার বছর আগে দেশে ফিরে এলেও পুনরায় দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণে মনোনিবেশ করেন। বর্তমানে তার ৪-৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু ছিল।
নিহতের বড় ছেলে আবু রাফসান পিয়াস জানান, সম্প্রতি একটি বড় দোকান বিক্রিকে কেন্দ্র করে তার বাবার সঙ্গে নোয়াখালীর এক ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কায় শামীম তার দোকানে বুলেটপ্রুফ গ্লাস স্থাপন এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করেছিলেন।
ঘটনার দিন বিকেলে দোকানের সামনে নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে কথা বলার সময় আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তারা শামীমের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে কাছ থেকে পরপর ৬-৭ রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নিহতের পরিবার হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাটি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রবাসে রুজির সন্ধানে যাওয়া এক সংগ্রামী জীবনের এমন নির্মম পরিণতি শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্যই বেদনাদায়ক বার্তা। নিরাপত্তাহীনতার এই বাস্তবতা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবনার জন্ম দিচ্ছে।
মোহাম্মদ উল্যা, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি :
২৩ এপ্রিল, ২০২৬, 1:34 AM
দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে নোয়াখালীর প্রবাসী ব্যবসায়ী আবু নাছের শামীম (৫০) কে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেল ৫টার দিকে দেশটির জোহানেসবার্গের পার্শ্ববর্তী বারা এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত শামীম নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাদামতলী এলাকার গনু সারেং বাড়ির মৃত আবদুর রশিদ মিয়ার ছেলে। তিনি চার সন্তানের জনক ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে জীবিকার সন্ধানে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় পাড়ি জমান শামীম। দীর্ঘ প্রবাসজীবনে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি সেখানে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। চার বছর আগে দেশে ফিরে এলেও পুনরায় দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে ব্যবসা সম্প্রসারণে মনোনিবেশ করেন। বর্তমানে তার ৪-৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চালু ছিল।
নিহতের বড় ছেলে আবু রাফসান পিয়াস জানান, সম্প্রতি একটি বড় দোকান বিক্রিকে কেন্দ্র করে তার বাবার সঙ্গে নোয়াখালীর এক ব্যবসায়িক অংশীদারের বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। নিরাপত্তাজনিত আশঙ্কায় শামীম তার দোকানে বুলেটপ্রুফ গ্লাস স্থাপন এবং ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ করেছিলেন।
ঘটনার দিন বিকেলে দোকানের সামনে নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে কথা বলার সময় আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তারা শামীমের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে কাছ থেকে পরপর ৬-৭ রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে গভীর শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
নিহতের পরিবার হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাটি তদন্ত করছে বলে জানা গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।
প্রবাসে রুজির সন্ধানে যাওয়া এক সংগ্রামী জীবনের এমন নির্মম পরিণতি শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্যই বেদনাদায়ক বার্তা। নিরাপত্তাহীনতার এই বাস্তবতা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবনার জন্ম দিচ্ছে।
সম্পর্কিত