ঢাকা ০৯ মে, ২০২৬
শিরোনামঃ
বাবার ভিটায় চিরনিদ্রায় লেবাননে নিহত দিপালী আজ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী ২৬ দিন পর রাষ্ট্রায়াত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ‘ইস্টার্ন রিফাইনারি’ চালু মাধবপুরে মহাসড়কের পাশে শিল্পবর্জ্যের স্তূপ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারীরা গাজীপুর সদর সাব-রেজিস্টার অফিসের দলিল লেখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির নির্বাচনে আলোচনায় সুমন সহ সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনা রয়েছেন শফিকুল ইসলাম ভূইয়া  গাজীপুর সদর দলিল লেখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির নির্বাচনে মেহেদী মোশারফের ভোট ও  দোয়া প্রার্থনা  কার্যকরী সভাপতি পদে আলোচনার শীর্ষে সিকান্দার হোসেন  গাজীপুর সদর দলিল লেখক ও ভেন্ডার কল্যান সমিতির নির্বাচনে শফিকুল ইসলাম শুকুরের ভোট ও  দোয়া প্রার্থনা  জমি বিরোধের জেরে শরণখোলায় বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেফতার ২

মাধবপুরে মহাসড়কের পাশে শিল্পবর্জ্যের স্তূপ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারীরা

#
news image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে বর্জ্যের ফেলে  স্তূপ আকারে ‘ময়লার বার্গার’ তৈরি করা  হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় পাইওনিয়ার ডেনিম ও পাইওনিয়ার গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেড তাদের কারখানা ও আবাসিক এলাকার বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের পাদদেশে ফেলছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কোম্পানির গেটের পাশে মহাসড়ক ঘেঁষে বিশাল এলাকাজুড়ে শিল্প ও গৃহস্থালি বর্জ্যের স্তূপ। তীব্র দুর্গন্ধে ওই সড়ক দিয়ে চলাচল করা পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। স্থানীয়রা জানান, রাস্তার পাশে গাড়ির জন্য দাঁড়ানোও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। দূষিত বাতাসের কারণে এলাকায় শ্বাসকষ্ট, চর্মরোগসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোম্পানির এক ক্লিনার জানান, কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই প্রতিদিন সকালে ভ্যানে করে কারখানার বর্জ্য এনে এখানে ফেলা হয়। তবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, “আমাদের কোনো বর্জ্য এখানে ফেলা হয় না। এলাকার বাসাবাড়ির ময়লা ফেলার কারণে মানুষ ভুল বুঝছে।”

কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। তারা জানান, প্রতিদিন সকালে কোম্পানির ক্লিনারদেরই ভ্যানে করে বর্জ্য ফেলতে দেখা যায়, যার ভিডিও ও ছবি প্রমাণ হিসেবে রয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, শিল্পের বিকাশ ঘটলেও অব্যবস্থাপনার কারণে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। “শিল্প দরকার, কিন্তু পরিবেশ ধ্বংস করে নয়। এর জন্য দায়ী পরিবেশ ধ্বংসকারী মানুষ্যত্বহীন মানুষ,” মন্তব্য করেন এক পথচারী।
দ্রুত প্রতিকার চেয়ে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে  আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, অবিলম্বে বর্জ্য ফেলা বন্ধ, দূষণকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ফেলে রাখা বর্জ্য অপসারণ করে স্থানটি জীবাণুমুক্ত করা হোক।
আইনে বলা আছে যে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ধারা ৬গ অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য ফেলা দণ্ডনীয় অপরাধ। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ অনুযায়ী শিল্প-কারখানাকে নিজস্ব বর্জ্য শোধনের ব্যবস্থা করতে হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৮ মে, ২০২৬,  7:45 PM

news image

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে বর্জ্যের ফেলে  স্তূপ আকারে ‘ময়লার বার্গার’ তৈরি করা  হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় পাইওনিয়ার ডেনিম ও পাইওনিয়ার গার্মেন্টস কোম্পানি লিমিটেড তাদের কারখানা ও আবাসিক এলাকার বর্জ্য দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের পাদদেশে ফেলছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কোম্পানির গেটের পাশে মহাসড়ক ঘেঁষে বিশাল এলাকাজুড়ে শিল্প ও গৃহস্থালি বর্জ্যের স্তূপ। তীব্র দুর্গন্ধে ওই সড়ক দিয়ে চলাচল করা পথচারী ও যানবাহনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। স্থানীয়রা জানান, রাস্তার পাশে গাড়ির জন্য দাঁড়ানোও অসম্ভব হয়ে পড়েছে। দূষিত বাতাসের কারণে এলাকায় শ্বাসকষ্ট, চর্মরোগসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোম্পানির এক ক্লিনার জানান, কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই প্রতিদিন সকালে ভ্যানে করে কারখানার বর্জ্য এনে এখানে ফেলা হয়। তবে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, “আমাদের কোনো বর্জ্য এখানে ফেলা হয় না। এলাকার বাসাবাড়ির ময়লা ফেলার কারণে মানুষ ভুল বুঝছে।”

কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। তারা জানান, প্রতিদিন সকালে কোম্পানির ক্লিনারদেরই ভ্যানে করে বর্জ্য ফেলতে দেখা যায়, যার ভিডিও ও ছবি প্রমাণ হিসেবে রয়েছে।
এলাকাবাসীর মতে, শিল্পের বিকাশ ঘটলেও অব্যবস্থাপনার কারণে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। “শিল্প দরকার, কিন্তু পরিবেশ ধ্বংস করে নয়। এর জন্য দায়ী পরিবেশ ধ্বংসকারী মানুষ্যত্বহীন মানুষ,” মন্তব্য করেন এক পথচারী।
দ্রুত প্রতিকার চেয়ে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে  আবেদন জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাদের দাবি, অবিলম্বে বর্জ্য ফেলা বন্ধ, দূষণকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং ফেলে রাখা বর্জ্য অপসারণ করে স্থানটি জীবাণুমুক্ত করা হোক।
আইনে বলা আছে যে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ধারা ৬গ অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য ফেলা দণ্ডনীয় অপরাধ। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০২১ অনুযায়ী শিল্প-কারখানাকে নিজস্ব বর্জ্য শোধনের ব্যবস্থা করতে হবে।