ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জাল সনদে চাকরি অতঃপর শোকজ

#
news image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জাল সনদে দীর্ঘ সাড়ে ২২ বছর ধরে চাকরির অভিযোগে এক শিক্ষিকার বেতন-ভাতার ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা সরকারি কোষাগারে আদায়যোগ্য অর্থের তালিকা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কড়া নির্দেশনার পর অভিযুক্তদের এমপিও বাতিল, নিয়োগ বাতিল এবং এ পর্যন্ত তোলা সরকারি অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়ে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মোছা. ফাতেমা জান্নাহ এর বিরুদ্ধে সম্প্রতি এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) গত ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদনে ফাতেমা জান্নাহ সহকারী শিক্ষক এর কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদটি জাল বলে প্রমাণিত হয়। এরপর ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী ডিআইএ পরিচালক প্রফেসর এম.এম. সহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত জাল/ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের তালিকা স্বরূপ এই শিক্ষিকার নাম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগে প্রেরণ করেন।    

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালে জাল/ভুয়া সনদধারী তালিকা ভুক্ত হওয়া পর্যন্ত তিনি সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা বাবদ সর্বমোট ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা উত্তোলন করেছেন। এই পুরো অর্থই এখন তাকে ফেরত দিতে হবে।

ফাতেমা জান্নাহ এর স্বামী বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কম্পিউটার সার্টিফিকেটটির উপর আপত্তি দিছিল। শোকজ হয়েছিল দু’বার শোকজের জবাব দেওয়া হয়েছে আবার শোকজ করা হয়েছে আবারও জবাব দেওয়া হয়েছে। সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবার দাখিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর আগেও মন্ত্রণালয় থেকে এক বার, ডিজি অফিস থেকে এক বার ও ব্যানবেইস অফিস থেকে একবার শোকজ করা হয়েছিল। কম্পিউটার সনদ সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, ‘সনদটি ঠিকই আছে, অডিটর ১লাখ টাকা চাইলে অডিটরকে টাকা না দেওয়ায় এমনটি করেছেন বলে জানিয়েছেন।’ 

মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

৩১ মে, ২০২৬,  9:17 PM

news image

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে জাল সনদে দীর্ঘ সাড়ে ২২ বছর ধরে চাকরির অভিযোগে এক শিক্ষিকার বেতন-ভাতার ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা সরকারি কোষাগারে আদায়যোগ্য অর্থের তালিকা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কড়া নির্দেশনার পর অভিযুক্তদের এমপিও বাতিল, নিয়োগ বাতিল এবং এ পর্যন্ত তোলা সরকারি অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। একই সঙ্গে ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়ে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

এরই অংশ হিসেবে নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (কম্পিউটার) মোছা. ফাতেমা জান্নাহ এর বিরুদ্ধে সম্প্রতি এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর (ডিআইএ) গত ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদনে ফাতেমা জান্নাহ সহকারী শিক্ষক এর কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সনদটি জাল বলে প্রমাণিত হয়। এরপর ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী ডিআইএ পরিচালক প্রফেসর এম.এম. সহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত জাল/ভুয়া সনদধারী শিক্ষকদের তালিকা স্বরূপ এই শিক্ষিকার নাম শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগে প্রেরণ করেন।    

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালে জাল/ভুয়া সনদধারী তালিকা ভুক্ত হওয়া পর্যন্ত তিনি সরকারি কোষাগার থেকে বেতন-ভাতা বাবদ সর্বমোট ১৯ লাখ ৯৮ হাজার ৫৬১ টাকা উত্তোলন করেছেন। এই পুরো অর্থই এখন তাকে ফেরত দিতে হবে।

ফাতেমা জান্নাহ এর স্বামী বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, কম্পিউটার সার্টিফিকেটটির উপর আপত্তি দিছিল। শোকজ হয়েছিল দু’বার শোকজের জবাব দেওয়া হয়েছে আবার শোকজ করা হয়েছে আবারও জবাব দেওয়া হয়েছে। সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবার দাখিল করা হয়েছে। তিনি বলেন, এর আগেও মন্ত্রণালয় থেকে এক বার, ডিজি অফিস থেকে এক বার ও ব্যানবেইস অফিস থেকে একবার শোকজ করা হয়েছিল। কম্পিউটার সনদ সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, ‘সনদটি ঠিকই আছে, অডিটর ১লাখ টাকা চাইলে অডিটরকে টাকা না দেওয়ায় এমনটি করেছেন বলে জানিয়েছেন।’