ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

গাজীপুরে প্রতারণার ফাঁদ সিকিউরিটি সার্ভিস 

#
news image

গাজীপুরে এমএলএম এর আদলে সিকিউরিটি নিয়োগের নামে প্রতারণা করছে সিলভার সিটি সিকিউরিটি এন্ড পোষ্ট সার্ভিস নামের প্রতিষ্ঠান। 
 
প্রতিষ্ঠানের মালিক তার নাম মো: তাজকুর রহমান রেজওয়ান দাবি করলেও তার প্রকৃত নাম রেজাউল হক। গাজীপুরে এসে নিজের আসল পরিচয় গোপন করে নতুন নাম পরিচয় বহন করছেন তিনি। 
 
অনুসন্ধানে জানা যায়, রেজাউল হক ওরফে তাজকুর রহমান রেজওয়ান রাজধানীর উত্তরায় বি এলার্ট নামের প্রতিষ্ঠানে এমডি পদে বসে প্রতারণা করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সাভারে শাহজাহান আজহার নামে প্রতারণা করে লাপাত্তা হয় এই রেজাউল হক। অবশেষে গাজীপুরে এসে নিজের নাম আরেক দফা পরিবর্তন একই ধরণের প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।
 
একাধিক নামের এই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছেন বি এলার্ট প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন। 
 
এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ভুক্তভোগীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী  প্রথমে  কোম্পানিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। পরে শিক্ষিত বেকার যুকবদের বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে লোভনীয় বেতন ভাতার সুবিধাসহ বিজ্ঞাপন দিয়ে এই প্রতারণা করে যাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক রেজাউল। 
 
এখানে শিক্ষাগত যোগ্যতার উপর ভিত্তি করে এইচ আর পদমর্যাদা থেকে শুরু হয় চাকুরি নামের প্রতারণা। এই প্রতিষ্ঠানের ভুক্তভোগী এইচ আর কর্মকর্তা মুঠোফোনে জানান, ফেসবুকে ২২ হাজার ৫শত টাকা বেতনের কথা বলে ভর্তির ফরমের জন্য ৬শত ৫০ টাকা নিয়ে তাকে চলতি চলতি মাসের ১ তারিখে যোগদান করায় প্রতিষ্ঠান। পরে তাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় প্রতি মাসে ২০ জনকে ভর্তির টার্গেট। অন্যথায় পাবেনা বেতন। জনবল ভর্তি করাতে পারালে-ই শুধু তাকে জনপ্রতি কমিশন দেওয়া হবে ১১২৫ টাকা।
 
তিনি আরও জানান, সিকিউরিটি গার্ডদের কাছ থেকে ভর্তির জন্য আদায় করা হয় ৬শত ৫০ টাকা এবং ইউনিফর্মের জন্য নেওয়া হয় ১২ শত ৫০ টাকা।
 
সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে, তথ্য সংগ্রহে বাঁধা প্রধান করতে এগিয়ে আসে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অল্পবয়সী নারী, কর্মকর্তাসহ স্থানীয় বিল্ডিং এর মালিক আব্দুর রহিম। 
 
এসময় এই প্রতিষ্ঠানের মালিক ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে চ্যালেঞ্জ করেন এর বাহিরে নিরাপত্তার জনবল নিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠানের আর কোন অনুমোদন লাগেনা। এমনকি তিনি জানেন না কি কি অনুমোদন লাগে প্রতিষ্ঠান চালাতে।
 
এবিষয়ে বাসন থানা অফিসার ইনচার্জ মুঠোফোনে জানান, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জ্যেষ্ট প্রতিনিধি :

০৭ জানুয়ারি, ২০২৫,  1:53 AM

news image

গাজীপুরে এমএলএম এর আদলে সিকিউরিটি নিয়োগের নামে প্রতারণা করছে সিলভার সিটি সিকিউরিটি এন্ড পোষ্ট সার্ভিস নামের প্রতিষ্ঠান। 
 
প্রতিষ্ঠানের মালিক তার নাম মো: তাজকুর রহমান রেজওয়ান দাবি করলেও তার প্রকৃত নাম রেজাউল হক। গাজীপুরে এসে নিজের আসল পরিচয় গোপন করে নতুন নাম পরিচয় বহন করছেন তিনি। 
 
অনুসন্ধানে জানা যায়, রেজাউল হক ওরফে তাজকুর রহমান রেজওয়ান রাজধানীর উত্তরায় বি এলার্ট নামের প্রতিষ্ঠানে এমডি পদে বসে প্রতারণা করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সাভারে শাহজাহান আজহার নামে প্রতারণা করে লাপাত্তা হয় এই রেজাউল হক। অবশেষে গাজীপুরে এসে নিজের নাম আরেক দফা পরিবর্তন একই ধরণের প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন তিনি।
 
একাধিক নামের এই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছেন বি এলার্ট প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন। 
 
এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ভুক্তভোগীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী  প্রথমে  কোম্পানিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয়। পরে শিক্ষিত বেকার যুকবদের বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে লোভনীয় বেতন ভাতার সুবিধাসহ বিজ্ঞাপন দিয়ে এই প্রতারণা করে যাচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক রেজাউল। 
 
এখানে শিক্ষাগত যোগ্যতার উপর ভিত্তি করে এইচ আর পদমর্যাদা থেকে শুরু হয় চাকুরি নামের প্রতারণা। এই প্রতিষ্ঠানের ভুক্তভোগী এইচ আর কর্মকর্তা মুঠোফোনে জানান, ফেসবুকে ২২ হাজার ৫শত টাকা বেতনের কথা বলে ভর্তির ফরমের জন্য ৬শত ৫০ টাকা নিয়ে তাকে চলতি চলতি মাসের ১ তারিখে যোগদান করায় প্রতিষ্ঠান। পরে তাতে ধরিয়ে দেওয়া হয় প্রতি মাসে ২০ জনকে ভর্তির টার্গেট। অন্যথায় পাবেনা বেতন। জনবল ভর্তি করাতে পারালে-ই শুধু তাকে জনপ্রতি কমিশন দেওয়া হবে ১১২৫ টাকা।
 
তিনি আরও জানান, সিকিউরিটি গার্ডদের কাছ থেকে ভর্তির জন্য আদায় করা হয় ৬শত ৫০ টাকা এবং ইউনিফর্মের জন্য নেওয়া হয় ১২ শত ৫০ টাকা।
 
সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে, তথ্য সংগ্রহে বাঁধা প্রধান করতে এগিয়ে আসে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত অল্পবয়সী নারী, কর্মকর্তাসহ স্থানীয় বিল্ডিং এর মালিক আব্দুর রহিম। 
 
এসময় এই প্রতিষ্ঠানের মালিক ট্রেড লাইসেন্স দেখিয়ে চ্যালেঞ্জ করেন এর বাহিরে নিরাপত্তার জনবল নিয়োগকৃত প্রতিষ্ঠানের আর কোন অনুমোদন লাগেনা। এমনকি তিনি জানেন না কি কি অনুমোদন লাগে প্রতিষ্ঠান চালাতে।
 
এবিষয়ে বাসন থানা অফিসার ইনচার্জ মুঠোফোনে জানান, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।