ঢাকা ০৩ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ডিএনডি বাঁধবিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত " হবিগঞ্জের কাশিপুর গ্রামে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল  সমর্থকদের সংঘর্ষে আহত অর্ধশতাধিক" অবসরপ্রাপ্ত ও মৃত কর্মচারীদের ওয়ারিশগণের মাঝে চেক বিতরণ - রাসিক প্রশাসক ফাতেমার মৃত্যুর পর খান জাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘির কুমির অপসারণ জাতিসংঘে খলিলুর রহমানের বিজয় লাভে বিশ্বনেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার অভিনন্দন প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের জাতীয় পর্যায়ের খেলার উদ্বোধন কাল হাম উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু হাইকোর্টে রিট খারিজ, বিসিবি নির্বাচনে বাধা নেই ইরানের ড্রোন হামলায় কুয়েতের বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা ভর্তুকির চাপ কমাতে বিদ্যুতের মূল্য সমন্বয়

পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপের জার্সি নিলামে, সম্ভাব্য মূল্য ৬ মিলিয়ন ডলার

#
news image

ফুটবলপ্রেমীরা যখন ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন খেলাটির ইতিহাসের অন্যতম কিংবদন্তি খেলোয়াড়ের পরা একটি জার্সি নিলামে উঠতে যাচ্ছে।

ব্রাজির তথা বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্যবহৃত ১০ নম্বর জার্সিটি ২৯ জুন থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত অনলাইন নিলামে তোলা হবে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে বিখ্যাত নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সোথেবিস।

এক বিবৃতিতে সোথেবির আধুনিক সংগ্রহযোগ্য সামগ্রীর প্রধান ব্রাহম ওয়াচার বলেন, “এটি সেই পোশাক যা ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় পরেছিলেন সেই রাতে, যেদিন তাঁর শাসনযুগের সূচনা হয়েছিল।”

জার্সিটি পেলে তাঁর ক্যারিয়োরের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে পরেছিলেন। এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো, যিনি পেলে নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত, তখন মাত্র ১৭ বছর বয়সী ছিলেন। ফাইনালে স্বাগতিক সুইডেনকে ৫-২ গোলে পরাজিত করেছিল ব্রাজিল, যেখানে পেলে করেছিলেন জোড়া গোল। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছির স্টকহোমের রাসুন্ডা স্টেডিয়ামে। আজও তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড ধরে রেখেছেন।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে ৮২ বছর বয়সে কোলন ক্যানসারে মারা যাওয়া পেলে ফাইনালের পর হাতে তৈরি এই জার্সিটি তাঁর রুমমেট ও সতীর্থ ডিডাকে উপহার দেন। জার্সিটি কয়েক দশক ধরে ডিডার পরিবারের কাছে ছিল। পরে এটি ব্রাজিলের একটি জাদুঘরে সংরক্ষিত হয় এবং ২০০৪ সালে বর্তমান মালিকের কাছে বিক্রি হয়। বর্তমান মালিকের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

জার্সিটির সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছে ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মূল্য ইতিহাসের সবচেয়ে মূল্যবান বিক্রিত ফুটবল স্মারকে পরিণত হতে পারে। একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে পেলে তিনবার বিশ্বকাপ জয় করেছেন।

ফাইনালে পেলের প্রথম গোলটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি বুকে বল নিয়ন্ত্রণ করে সেটিকে এক সুইডিশ ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে তুলে দেন এবং পরে গোল করেন। দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচের শেষদিকে একটি হেড থেকে।

পরে পেলে ১৯৭০ সালে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তাঁর তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করেন। মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা- এই তিন দেশ এ বছরের বিশ্বকাপের আয়োজক। যে এস্তাদিও আজতেকাতে পেলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন, সেই একই স্টেডিয়ামে এ বছরের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মেক্সিকো মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার।

নিলাম চলাকালীন সময়ে ১ জুলাই থেকে নিউইয়র্কে সোথেবির ব্রুয়ার ভবনে জার্সিটির একটি উন্মুক্ত প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হবে।

 

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৩ জুন, ২০২৬,  6:47 PM

news image

ফুটবলপ্রেমীরা যখন ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন খেলাটির ইতিহাসের অন্যতম কিংবদন্তি খেলোয়াড়ের পরা একটি জার্সি নিলামে উঠতে যাচ্ছে।

ব্রাজির তথা বিশ্ব ফুটবলের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পেলের ১৯৫৮ বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্যবহৃত ১০ নম্বর জার্সিটি ২৯ জুন থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত অনলাইন নিলামে তোলা হবে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে বিখ্যাত নিলামকারী প্রতিষ্ঠান সোথেবিস।

এক বিবৃতিতে সোথেবির আধুনিক সংগ্রহযোগ্য সামগ্রীর প্রধান ব্রাহম ওয়াচার বলেন, “এটি সেই পোশাক যা ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় পরেছিলেন সেই রাতে, যেদিন তাঁর শাসনযুগের সূচনা হয়েছিল।”

জার্সিটি পেলে তাঁর ক্যারিয়োরের প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালে পরেছিলেন। এডসন আরান্তেস দো নাসিমেন্তো, যিনি পেলে নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত, তখন মাত্র ১৭ বছর বয়সী ছিলেন। ফাইনালে স্বাগতিক সুইডেনকে ৫-২ গোলে পরাজিত করেছিল ব্রাজিল, যেখানে পেলে করেছিলেন জোড়া গোল। ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছির স্টকহোমের রাসুন্ডা স্টেডিয়ামে। আজও তিনি বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল করা সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে রেকর্ড ধরে রেখেছেন।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে ৮২ বছর বয়সে কোলন ক্যানসারে মারা যাওয়া পেলে ফাইনালের পর হাতে তৈরি এই জার্সিটি তাঁর রুমমেট ও সতীর্থ ডিডাকে উপহার দেন। জার্সিটি কয়েক দশক ধরে ডিডার পরিবারের কাছে ছিল। পরে এটি ব্রাজিলের একটি জাদুঘরে সংরক্ষিত হয় এবং ২০০৪ সালে বর্তমান মালিকের কাছে বিক্রি হয়। বর্তমান মালিকের পরিচয় গোপন রাখা হয়েছে।

জার্সিটির সম্ভাব্য মূল্য ধরা হয়েছে ৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এই মূল্য ইতিহাসের সবচেয়ে মূল্যবান বিক্রিত ফুটবল স্মারকে পরিণত হতে পারে। একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে পেলে তিনবার বিশ্বকাপ জয় করেছেন।

ফাইনালে পেলের প্রথম গোলটি বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল হিসেবে বিবেচিত হয়। তিনি বুকে বল নিয়ন্ত্রণ করে সেটিকে এক সুইডিশ ডিফেন্ডারের মাথার ওপর দিয়ে তুলে দেন এবং পরে গোল করেন। দ্বিতীয় গোলটি আসে ম্যাচের শেষদিকে একটি হেড থেকে।

পরে পেলে ১৯৭০ সালে মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তাঁর তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জয় করেন। মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা- এই তিন দেশ এ বছরের বিশ্বকাপের আয়োজক। যে এস্তাদিও আজতেকাতে পেলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন, সেই একই স্টেডিয়ামে এ বছরের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মেক্সিকো মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকার।

নিলাম চলাকালীন সময়ে ১ জুলাই থেকে নিউইয়র্কে সোথেবির ব্রুয়ার ভবনে জার্সিটির একটি উন্মুক্ত প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হবে।