পদ্মায় জলদস্যুদের হামলা ১ জনকে আহত করে স্পিডবোর্ডের ইঞ্জিন নিয়ে গেছে ।
লিয়াকত আলী লাভলু, চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :
১১ জুন, ২০২৬, 6:13 AM
পদ্মায় জলদস্যুদের হামলা ১ জনকে আহত করে স্পিডবোর্ডের ইঞ্জিন নিয়ে গেছে ।
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীর গোপালপুর ও চর মৈনট ঘাটের মধ্যবর্তী জলসীমায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি স্পিডবোটে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে সংঘটিত এ ঘটনায় স্পিডবোটের প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা মূল্যের ইঞ্জিন লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। এ সময় একজন যাত্রী আহত হন এবং তার কাছ থেকে নগদ ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
আহত যাত্রীর নাম লিটন মোল্যা (৩৫)। তিনি ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্পিডবোট চালক সঞ্জয় সরকার (৩৮) জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে দোহার উপজেলার চর মৈনট ঘাট থেকে একজন যাত্রী নিয়ে তিনি চরভদ্রাসনের গোপালপুর ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পদ্মা নদীর মাঝামাঝি পৌঁছালে দক্ষিণ দিক থেকে একটি বড় স্পিডবোটে করে ১৫-১৬ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল তাদের ধাওয়া করে।
তিনি আরও জানান, ডাকাতদের হাত থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলেও নদীতে জেলেদের পাতা কারেন্ট জালে স্পিডবোটের পাখা জড়িয়ে যাওয়ায় গতি কমে যায়। একপর্যায়ে তিনি স্পিডবোটটি নদীর চরে ভিড়িয়ে কাশবনের মধ্যে আশ্রয় নেন।
পরে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত ডাকাতরা স্পিডবোটে থাকা যাত্রী লিটন মোল্যাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে এবং তার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। একই সঙ্গে স্পিডবোটের সাড়ে ৪ লাখ টাকা মূল্যের ইঞ্জিন খুলে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বুধবার দুপুরে বলেন, “ঘটনাটি দোহার থানার জলসীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে। তাই এ বিষয়ে চরভদ্রাসন থানায় মামলা নেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি নৌ পুলিশ তদন্ত করবে। তবে ঘটনার সময় ওই এলাকায় নৌ পুলিশের টহল ছিল না বলে জেনেছি।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দোহার নৌ পুলিশের তত্ত্বাবধানে এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে পদ্মা নদীর ঘাটসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অভিযোগ করে বলেন, নৌ পুলিশের পর্যাপ্ত টহল ও কার্যকর নজরদারির অভাবে নদীপথে জলদস্যুতা ও ডাকাতির ঘটনা বাড়ছে, ফলে যাত্রী ও নৌযান চালকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।
লিয়াকত আলী লাভলু, চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :
১১ জুন, ২০২৬, 6:13 AM
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীর গোপালপুর ও চর মৈনট ঘাটের মধ্যবর্তী জলসীমায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একটি স্পিডবোটে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে সংঘটিত এ ঘটনায় স্পিডবোটের প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা মূল্যের ইঞ্জিন লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। এ সময় একজন যাত্রী আহত হন এবং তার কাছ থেকে নগদ ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
আহত যাত্রীর নাম লিটন মোল্যা (৩৫)। তিনি ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
স্পিডবোট চালক সঞ্জয় সরকার (৩৮) জানান, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে দোহার উপজেলার চর মৈনট ঘাট থেকে একজন যাত্রী নিয়ে তিনি চরভদ্রাসনের গোপালপুর ঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পদ্মা নদীর মাঝামাঝি পৌঁছালে দক্ষিণ দিক থেকে একটি বড় স্পিডবোটে করে ১৫-১৬ জনের সশস্ত্র ডাকাতদল তাদের ধাওয়া করে।
তিনি আরও জানান, ডাকাতদের হাত থেকে রক্ষা পেতে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলেও নদীতে জেলেদের পাতা কারেন্ট জালে স্পিডবোটের পাখা জড়িয়ে যাওয়ায় গতি কমে যায়। একপর্যায়ে তিনি স্পিডবোটটি নদীর চরে ভিড়িয়ে কাশবনের মধ্যে আশ্রয় নেন।
পরে দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত ডাকাতরা স্পিডবোটে থাকা যাত্রী লিটন মোল্যাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে এবং তার কাছ থেকে ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়। একই সঙ্গে স্পিডবোটের সাড়ে ৪ লাখ টাকা মূল্যের ইঞ্জিন খুলে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনোয়ার হোসেন বুধবার দুপুরে বলেন, “ঘটনাটি দোহার থানার জলসীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে। তাই এ বিষয়ে চরভদ্রাসন থানায় মামলা নেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি নৌ পুলিশ তদন্ত করবে। তবে ঘটনার সময় ওই এলাকায় নৌ পুলিশের টহল ছিল না বলে জেনেছি।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দোহার নৌ পুলিশের তত্ত্বাবধানে এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
এদিকে পদ্মা নদীর ঘাটসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অভিযোগ করে বলেন, নৌ পুলিশের পর্যাপ্ত টহল ও কার্যকর নজরদারির অভাবে নদীপথে জলদস্যুতা ও ডাকাতির ঘটনা বাড়ছে, ফলে যাত্রী ও নৌযান চালকদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।
সম্পর্কিত