গাজীপুরে বিএনপি নেতার মুক্তির দাবীতে ঢাকা ময়মনসিংহ সড়কে বিক্ষোভ ও অবরোধ
জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিঃ
১২ জানুয়ারি, ২০২৫, 3:46 AM
গাজীপুরে বিএনপি নেতার মুক্তির দাবীতে ঢাকা ময়মনসিংহ সড়কে বিক্ষোভ ও অবরোধ
গাজীপুরের টঙ্গীতে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১জানুয়ারি) বেলা ১১টায় নগরীর টঙ্গী সরকারি কলেজের সামনে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মঞ্চে বক্তব্য শেষে মহাসড়কযোগে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা গাজীপুরা সাতাইশ এলাকায় গীয়ে কর্মসূচি সমাপ্তি করেন।
বিএনপির নেতা-কর্মীরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে মহাসড়কের উভয়লেন বন্ধ করে দেয়। এতে সৃষ্টি হয় তীব্র যানযট। দূর্ভোগে পড়েন দূরপাল্লা-সহ গন্তব্যে রওয়ানা হওয়া চালক ও যাত্রীসাধারণ।
এর আগে, ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে আহসান উল্লাহ মাস্টারকে হত্যা করা হয়। ওইসময় তার সঙ্গে খুন হন ওমর ফারুক রতন নামে আরও একজন।
হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহতের ভাই মতিউর রহমান টঙ্গী থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
তদন্ত শেষে এই মামলায় ওই বছরের ১০ জুলাই ৩০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। একই বছরের ২৮ অক্টোবর ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ৩৪ জন এবং আসামিপক্ষে দুজন সাক্ষ্য দেন।
এ মামলায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকার-সহ ২২ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলায় খালাস পান দু'জন।
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন নুরুল ইসলাম সরকারের সন্তান সরকার শাহনুর ইসলাম রনি, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার প্রমুখ।
জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিঃ
১২ জানুয়ারি, ২০২৫, 3:46 AM
গাজীপুরের টঙ্গীতে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক শিল্প বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১জানুয়ারি) বেলা ১১টায় নগরীর টঙ্গী সরকারি কলেজের সামনে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মঞ্চে বক্তব্য শেষে মহাসড়কযোগে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা গাজীপুরা সাতাইশ এলাকায় গীয়ে কর্মসূচি সমাপ্তি করেন।
বিএনপির নেতা-কর্মীরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে মহাসড়কের উভয়লেন বন্ধ করে দেয়। এতে সৃষ্টি হয় তীব্র যানযট। দূর্ভোগে পড়েন দূরপাল্লা-সহ গন্তব্যে রওয়ানা হওয়া চালক ও যাত্রীসাধারণ।
এর আগে, ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভায় এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে আহসান উল্লাহ মাস্টারকে হত্যা করা হয়। ওইসময় তার সঙ্গে খুন হন ওমর ফারুক রতন নামে আরও একজন।
হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহতের ভাই মতিউর রহমান টঙ্গী থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১২ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
তদন্ত শেষে এই মামলায় ওই বছরের ১০ জুলাই ৩০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। একই বছরের ২৮ অক্টোবর ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ৩৪ জন এবং আসামিপক্ষে দুজন সাক্ষ্য দেন।
এ মামলায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন। ওই রায়ে বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকার-সহ ২২ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলায় খালাস পান দু'জন।
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন নুরুল ইসলাম সরকারের সন্তান সরকার শাহনুর ইসলাম রনি, গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, সাবেক সংসদ সদস্য হাসান উদ্দিন সরকার প্রমুখ।
সম্পর্কিত