ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

বিশ্ব ইজতেমার প্রায় প্রস্তুতি সম্পন্ন, আজ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু

#
news image

আগামী ৩১ জানুয়ারি এবারের বিশ্ব ইজতেমা টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হচ্ছে। বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি কাজ ইতোমধ্যে প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজগুলো চলমান রয়েছে। আশা করি, নির্ধারিত সময়ের আগেই সেগুলো সম্পন্ন করতে পারবো।’
 
গতকাল দুপুরে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান পরিদর্শনে শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
 
তিনি আরো বলেন, ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি তাবলীগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বি যারা আছেন তারাই করে থাকেন। তবে তাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করে থাকি। একসময় তারা নিজেরাই সবকিছু করতেন। ইজতেমার পরিধি বাড়ার কারণে বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। এটা সাধারণত ইজতেমার মুরুব্বি যারা আছেন তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে আমরা তাদের ডিমান্ড অনুযায়ী সহযোগিতা করে থাকি।’
 
আপনারা জানেন, ইজতেমাকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম জমায়েত বলা হয়ে থাকে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক মুসল্লি এখানে উপস্থিত হয়। এ জন্য তাদের কিছু মৌলিক চাহিদা রয়েছে। শৌচাগার, স্বাস্থ্য, খাবার ও অজুর পানি এইসব বিষয়গুলোতে আমরা তাদেরকে সাপোর্ট দেই। যেহেতু কম সময়ে জরুরিভাবে এটা করতে হয়। এই সাপোর্টটা ওনাদের প্রয়োজন। সরকারের বিভিন্ন দফতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের একটা বড় দায়িত্ব রয়েছে। এ ছাড়া পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ অন্য যারা আছেন তারা সবাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে সহযোগিতা করে।
 
শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইজতেমার প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ড ঠিকভাবে এগোচ্ছে। আমাদের অবজারভেশন ও ইজতেমার মুরুব্বিদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ধারণা পেয়েছি। আশা করছি, ইজতেমা শুরুর আগেই আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবো।
 
ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় পর্ব শুরুর পূর্বে ইজতেমা মাঠের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্রের যাতে কোনও ধরনের ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বিদের দৃষ্টি রাখার জন্য তিনি আহ্বান জানান। এসব বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকেও বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট তাদের নিজ নিজ জিনিসপত্র তাদের নিজেদের হেফাজতে রাখবেন বলে জানান।
 
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) থেকেই জেলা প্রশাসক (ডিসি) উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবেন। তবে আমি অনুরোধ জানাবো, উচ্ছেদ অভিযানের আগে শনিবারের মধ্যে যেন বিভিন্ন দোকানপাটসহ অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়।
 
পরিদর্শনের সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম  শফিউল আজম, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিনসহ জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ব ইজতেমার প্রায় প্রস্তুতি সম্পন্ন, আজ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু
 
জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি ঃ
 
আগামী ৩১ জানুয়ারি এবারের বিশ্ব ইজতেমা টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হচ্ছে। বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি কাজ ইতোমধ্যে প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজগুলো চলমান রয়েছে। আশা করি, নির্ধারিত সময়ের আগেই সেগুলো সম্পন্ন করতে পারবো।’
 
গতকাল দুপুরে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান পরিদর্শনে শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
 
তিনি আরো বলেন, ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি তাবলীগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বি যারা আছেন তারাই করে থাকেন। তবে তাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করে থাকি। একসময় তারা নিজেরাই সবকিছু করতেন। ইজতেমার পরিধি বাড়ার কারণে বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। এটা সাধারণত ইজতেমার মুরুব্বি যারা আছেন তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে আমরা তাদের ডিমান্ড অনুযায়ী সহযোগিতা করে থাকি।’
 
আপনারা জানেন, ইজতেমাকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম জমায়েত বলা হয়ে থাকে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক মুসল্লি এখানে উপস্থিত হয়। এ জন্য তাদের কিছু মৌলিক চাহিদা রয়েছে। শৌচাগার, স্বাস্থ্য, খাবার ও অজুর পানি এইসব বিষয়গুলোতে আমরা তাদেরকে সাপোর্ট দেই। যেহেতু কম সময়ে জরুরিভাবে এটা করতে হয়। এই সাপোর্টটা ওনাদের প্রয়োজন। সরকারের বিভিন্ন দফতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের একটা বড় দায়িত্ব রয়েছে। এ ছাড়া পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ অন্য যারা আছেন তারা সবাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে সহযোগিতা করে।
 
শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইজতেমার প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ড ঠিকভাবে এগোচ্ছে। আমাদের অবজারভেশন ও ইজতেমার মুরুব্বিদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ধারণা পেয়েছি। আশা করছি, ইজতেমা শুরুর আগেই আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবো।
 
ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় পর্ব শুরুর পূর্বে ইজতেমা মাঠের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্রের যাতে কোনও ধরনের ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বিদের দৃষ্টি রাখার জন্য তিনি আহ্বান জানান। এসব বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকেও বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট তাদের নিজ নিজ জিনিসপত্র তাদের নিজেদের হেফাজতে রাখবেন বলে জানান।
 
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) থেকেই জেলা প্রশাসক (ডিসি) উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবেন। তবে আমি অনুরোধ জানাবো, উচ্ছেদ অভিযানের আগে শনিবারের মধ্যে যেন বিভিন্ন দোকানপাটসহ অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়।
 
পরিদর্শনের সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম  শফিউল আজম, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিনসহ জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বিরা উপস্থিত ছিলেন।

জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি ঃ

১৯ জানুয়ারি, ২০২৫,  5:19 PM

news image

আগামী ৩১ জানুয়ারি এবারের বিশ্ব ইজতেমা টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হচ্ছে। বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি কাজ ইতোমধ্যে প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজগুলো চলমান রয়েছে। আশা করি, নির্ধারিত সময়ের আগেই সেগুলো সম্পন্ন করতে পারবো।’
 
গতকাল দুপুরে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান পরিদর্শনে শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
 
তিনি আরো বলেন, ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি তাবলীগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বি যারা আছেন তারাই করে থাকেন। তবে তাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করে থাকি। একসময় তারা নিজেরাই সবকিছু করতেন। ইজতেমার পরিধি বাড়ার কারণে বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। এটা সাধারণত ইজতেমার মুরুব্বি যারা আছেন তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে আমরা তাদের ডিমান্ড অনুযায়ী সহযোগিতা করে থাকি।’
 
আপনারা জানেন, ইজতেমাকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম জমায়েত বলা হয়ে থাকে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক মুসল্লি এখানে উপস্থিত হয়। এ জন্য তাদের কিছু মৌলিক চাহিদা রয়েছে। শৌচাগার, স্বাস্থ্য, খাবার ও অজুর পানি এইসব বিষয়গুলোতে আমরা তাদেরকে সাপোর্ট দেই। যেহেতু কম সময়ে জরুরিভাবে এটা করতে হয়। এই সাপোর্টটা ওনাদের প্রয়োজন। সরকারের বিভিন্ন দফতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের একটা বড় দায়িত্ব রয়েছে। এ ছাড়া পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ অন্য যারা আছেন তারা সবাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে সহযোগিতা করে।
 
শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইজতেমার প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ড ঠিকভাবে এগোচ্ছে। আমাদের অবজারভেশন ও ইজতেমার মুরুব্বিদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ধারণা পেয়েছি। আশা করছি, ইজতেমা শুরুর আগেই আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবো।
 
ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় পর্ব শুরুর পূর্বে ইজতেমা মাঠের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্রের যাতে কোনও ধরনের ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বিদের দৃষ্টি রাখার জন্য তিনি আহ্বান জানান। এসব বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকেও বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট তাদের নিজ নিজ জিনিসপত্র তাদের নিজেদের হেফাজতে রাখবেন বলে জানান।
 
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) থেকেই জেলা প্রশাসক (ডিসি) উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবেন। তবে আমি অনুরোধ জানাবো, উচ্ছেদ অভিযানের আগে শনিবারের মধ্যে যেন বিভিন্ন দোকানপাটসহ অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়।
 
পরিদর্শনের সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম  শফিউল আজম, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিনসহ জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ব ইজতেমার প্রায় প্রস্তুতি সম্পন্ন, আজ থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু
 
জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি ঃ
 
আগামী ৩১ জানুয়ারি এবারের বিশ্ব ইজতেমা টঙ্গীর তুরাগ তীরে শুরু হচ্ছে। বিশ্ব ইজতেমার প্রস্তুতি কাজ ইতোমধ্যে প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। বাকি কাজগুলো চলমান রয়েছে। আশা করি, নির্ধারিত সময়ের আগেই সেগুলো সম্পন্ন করতে পারবো।’
 
গতকাল দুপুরে গাজীপুরের টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমা ময়দান পরিদর্শনে শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
 
তিনি আরো বলেন, ইজতেমার সার্বিক প্রস্তুতি তাবলীগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বি যারা আছেন তারাই করে থাকেন। তবে তাদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করে থাকি। একসময় তারা নিজেরাই সবকিছু করতেন। ইজতেমার পরিধি বাড়ার কারণে বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে তাদের সহযোগিতার প্রয়োজন হয়। এটা সাধারণত ইজতেমার মুরুব্বি যারা আছেন তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে আমরা তাদের ডিমান্ড অনুযায়ী সহযোগিতা করে থাকি।’
 
আপনারা জানেন, ইজতেমাকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর মুসলিম জমায়েত বলা হয়ে থাকে। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অনেক মুসল্লি এখানে উপস্থিত হয়। এ জন্য তাদের কিছু মৌলিক চাহিদা রয়েছে। শৌচাগার, স্বাস্থ্য, খাবার ও অজুর পানি এইসব বিষয়গুলোতে আমরা তাদেরকে সাপোর্ট দেই। যেহেতু কম সময়ে জরুরিভাবে এটা করতে হয়। এই সাপোর্টটা ওনাদের প্রয়োজন। সরকারের বিভিন্ন দফতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গাজীপুর সিটি করপোরেশনের একটা বড় দায়িত্ব রয়েছে। এ ছাড়া পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্ট, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনসহ অন্য যারা আছেন তারা সবাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে সহযোগিতা করে।
 
শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বলেন, সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইজতেমার প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ড ঠিকভাবে এগোচ্ছে। আমাদের অবজারভেশন ও ইজতেমার মুরুব্বিদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ধারণা পেয়েছি। আশা করছি, ইজতেমা শুরুর আগেই আমরা সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারবো।
 
ইজতেমার প্রথম পর্ব শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় পর্ব শুরুর পূর্বে ইজতেমা মাঠের ব্যবহৃত বিভিন্ন জিনিসপত্রের যাতে কোনও ধরনের ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে তাবলীগের শীর্ষ মুরুব্বিদের দৃষ্টি রাখার জন্য তিনি আহ্বান জানান। এসব বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকেও বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি ডিপার্টমেন্ট তাদের নিজ নিজ জিনিসপত্র তাদের নিজেদের হেফাজতে রাখবেন বলে জানান।
 
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) থেকেই জেলা প্রশাসক (ডিসি) উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবেন। তবে আমি অনুরোধ জানাবো, উচ্ছেদ অভিযানের আগে শনিবারের মধ্যে যেন বিভিন্ন দোকানপাটসহ অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া হয়।
 
পরিদর্শনের সময় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম  শফিউল আজম, গাজীপুর জেলা প্রশাসক নাফিসা আরেফিনসহ জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও তাবলিগের শীর্ষ মুরুব্বিরা উপস্থিত ছিলেন।