ঢাকা ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে সংগীতা আইডিয়াল হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন  গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী সুযোগ নিতে পারে জামায়াত

ঠাকুরগাঁওয়ে তীব্র শীতে দিনের বেলায়ও দেখা মিলছে না সূর্যের

#
news image

ঠাকুরগাঁও জেলায় তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের বেলায়ও সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে রাস্তা-ঘাটে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে চারপাশ। যানবাহন চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। দিনের আলোতেও বাতি জ্বালিয়ে যানবাহন চলতে বাধ্য হচ্ছে।

জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতায় শীতের কষ্ট আরও বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত সমস্যায় বেশি ভুগছেন। হাসপাতালগুলোতে শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বেড়েছে।

গ্রামাঞ্চল এবং শহরের নিম্ন আয়ের মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে। পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় তাদের দিনযাপন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। খোলা আকাশের

নিচে বসবাসরত এবং শ্রমজীবী মানুষরা ঠান্ডা থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ফাসাডাঙ্গী এলাকার কৃষক আব্দুল্লাহ জানান, রাতে শীতের তীব্রতায় গরম বস্ত্রের অভাব বেশি অনুভূত হচ্ছে। আর দিনে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করা সহজ।

ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও ব্যক্তিরাও উদ্যোগ নিয়ে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। তবে আরও সহায়তা প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :

২১ জানুয়ারি, ২০২৫,  3:43 AM

news image

ঠাকুরগাঁও জেলায় তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের বেলায়ও সূর্যের দেখা মিলছে না। ফলে রাস্তা-ঘাটে কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে চারপাশ। যানবাহন চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। দিনের আলোতেও বাতি জ্বালিয়ে যানবাহন চলতে বাধ্য হচ্ছে।

জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতায় শীতের কষ্ট আরও বেড়েছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা শীতজনিত সমস্যায় বেশি ভুগছেন। হাসপাতালগুলোতে শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া এবং ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের ভিড় বেড়েছে।

গ্রামাঞ্চল এবং শহরের নিম্ন আয়ের মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে। পর্যাপ্ত গরম কাপড় না থাকায় তাদের দিনযাপন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। খোলা আকাশের

নিচে বসবাসরত এবং শ্রমজীবী মানুষরা ঠান্ডা থেকে বাঁচতে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
সরকারি এবং বেসরকারি উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ফাসাডাঙ্গী এলাকার কৃষক আব্দুল্লাহ জানান, রাতে শীতের তীব্রতায় গরম বস্ত্রের অভাব বেশি অনুভূত হচ্ছে। আর দিনে আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণ করা সহজ।

ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও ব্যক্তিরাও উদ্যোগ নিয়ে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। তবে আরও সহায়তা প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন এলাকার জনপ্রতিনিধিরা।