ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

রোহিঙ্গারা আঁর বোঝা হতে চাইনা উনিও বুঝেছেন রোহিঙ্গাদের ড. ইউনূস 

#
news image

রোহিঙ্গাদের সাথে ইফতারে গিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেছেন “আল্লাহর কাছে দোয়া গরি সাম্মর বার যেন অনরা নিজর বাড়িত যাইয়ারে ঈদ গরিত পারন”।

রোহিঙ্গা ভাষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বলা এই কথার অর্থ হলো, আল্লাহর কাছে দোয়া করি আগামী বছর আপনারা যেনো নিজের ঘরে গিয়ে ঈদ করতে পারেন”

শুক্রবার নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কক্সবাজার সফরের শেষ পর্ব ছিলো উখিয়ার আশ্রয় শিবিরের ২০নং ক্যাম্পে লাখো রোহিঙ্গার অংশগ্রহণে ইফতার।

দুপুর ১টার কিছু সময় আগে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেসকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে চেপে কক্সবাজার বিমানবন্দরে আসেন ইউনূস। এরপর গুতেরেস রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চলে যান এবং ইউনূস কক্সবাজার বিমানবন্দরর সম্প্রসারণ কাজ ও খুরুস্কুলের জলবায়ু পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়ে সভা করেন।

সবশেষে তিনি যান আশ্রয় শিবিরে। সেখানে এন্তেনিও গুতেরেসসহ অংশ নেন লাখো রোহিঙ্গার ইফতারে।

এসময় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গাদের উদ্দ্যেশ্যে বক্তব্য দেন। পুরো বক্তব্য তিনি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় দেন।

তিনি বলেন, আপনারা যে কারো বোঝা হতে চাননা-এটা বলেছেন। আমরা সেটা তাকে (গুতেরেস) বলবো। আপনারা যে অনুরোধ করেছেন সেটাও সে বুঝেছে। আমরাও অনুরোধ করবো যতো তাড়াতাড়ি পারা যায় মিয়ানমারে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা যেনো হয়। আপনারা যে বোঝা নয় দুনিয়ার মানুষের সেবা করতে চান সেটাও তুলে ধরা হবে।

মোহাম্মদ ইউনূস বলেন, আপনারা যে সুযোগ সুবিধা চান নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সেটা তিনি (গুতেরেস) বুঝেছেন। দুনিয়ার মানুষকে তা বুঝাতে হবে। সে দায়িত্ব উনি (গুতেরেস) নিয়েছেন। দুনিয়ার হাজার রকমের দায়িত্ব তার। কোথায় যুদ্ধ হয়েছে কোথায় কি হচ্ছে সব তার দেখতে হয়। এতোকিছুর পর আপনাদের দায়িত্ব কতো গুরুত্ব দিয়ে তিনি বিবেচনা করছেন তা বুঝানোর জন্য এতোদূর থেকে আপনাদের সাথে বসে ইফতার করবে, আপনাদের কষ্টটা উপলব্ধি করার জন্য।

“সবার পক্ষ থেকে আমরা তার (গুতেরেস) কাছে শুকরিয়া জানাই” বলেন ইউনূস।
এরপর ইফতার শেষ করেই তারা ক্যাম্প থেকে সড়ক পথে ফেরেন কক্সবাজার বিমানবন্দরে। রাত ৮টায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে এন্তেনিও গুতেরেসসহ ঢাকায় ফিরে যান মোহাম্মদ ইউনূস।

নুরুল বশর, উখিয়া :

১৫ মার্চ, ২০২৫,  4:14 AM

news image

রোহিঙ্গাদের সাথে ইফতারে গিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেছেন “আল্লাহর কাছে দোয়া গরি সাম্মর বার যেন অনরা নিজর বাড়িত যাইয়ারে ঈদ গরিত পারন”।

রোহিঙ্গা ভাষার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় বলা এই কথার অর্থ হলো, আল্লাহর কাছে দোয়া করি আগামী বছর আপনারা যেনো নিজের ঘরে গিয়ে ঈদ করতে পারেন”

শুক্রবার নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কক্সবাজার সফরের শেষ পর্ব ছিলো উখিয়ার আশ্রয় শিবিরের ২০নং ক্যাম্পে লাখো রোহিঙ্গার অংশগ্রহণে ইফতার।

দুপুর ১টার কিছু সময় আগে জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তেনিও গুতেরেসকে সাথে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে চেপে কক্সবাজার বিমানবন্দরে আসেন ইউনূস। এরপর গুতেরেস রোহিঙ্গা ক্যাম্পে চলে যান এবং ইউনূস কক্সবাজার বিমানবন্দরর সম্প্রসারণ কাজ ও খুরুস্কুলের জলবায়ু পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়ে সভা করেন।

সবশেষে তিনি যান আশ্রয় শিবিরে। সেখানে এন্তেনিও গুতেরেসসহ অংশ নেন লাখো রোহিঙ্গার ইফতারে।

এসময় প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস রোহিঙ্গাদের উদ্দ্যেশ্যে বক্তব্য দেন। পুরো বক্তব্য তিনি চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় দেন।

তিনি বলেন, আপনারা যে কারো বোঝা হতে চাননা-এটা বলেছেন। আমরা সেটা তাকে (গুতেরেস) বলবো। আপনারা যে অনুরোধ করেছেন সেটাও সে বুঝেছে। আমরাও অনুরোধ করবো যতো তাড়াতাড়ি পারা যায় মিয়ানমারে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা যেনো হয়। আপনারা যে বোঝা নয় দুনিয়ার মানুষের সেবা করতে চান সেটাও তুলে ধরা হবে।

মোহাম্মদ ইউনূস বলেন, আপনারা যে সুযোগ সুবিধা চান নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়ার সেটা তিনি (গুতেরেস) বুঝেছেন। দুনিয়ার মানুষকে তা বুঝাতে হবে। সে দায়িত্ব উনি (গুতেরেস) নিয়েছেন। দুনিয়ার হাজার রকমের দায়িত্ব তার। কোথায় যুদ্ধ হয়েছে কোথায় কি হচ্ছে সব তার দেখতে হয়। এতোকিছুর পর আপনাদের দায়িত্ব কতো গুরুত্ব দিয়ে তিনি বিবেচনা করছেন তা বুঝানোর জন্য এতোদূর থেকে আপনাদের সাথে বসে ইফতার করবে, আপনাদের কষ্টটা উপলব্ধি করার জন্য।

“সবার পক্ষ থেকে আমরা তার (গুতেরেস) কাছে শুকরিয়া জানাই” বলেন ইউনূস।
এরপর ইফতার শেষ করেই তারা ক্যাম্প থেকে সড়ক পথে ফেরেন কক্সবাজার বিমানবন্দরে। রাত ৮টায় বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে এন্তেনিও গুতেরেসসহ ঢাকায় ফিরে যান মোহাম্মদ ইউনূস।