ঢাকা ০৯ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
চাখার-মীরেরহাট সড়ক সংস্কারে চরম ধীরগতি: দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ বঙ্গোপসাগর রক্ষার শপথ নিলেন শতাধিক তরুণ পরিবেশকর্মী ইসরাইলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ শিল্পকলায় উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সিলেট অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জেলা প্রশাসক  হবিগঞ্জ নওগাঁয় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, শীর্ষ দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বঞ্চিত, তালিকায় স্বজনপ্রীতির, শাল্লায় কৃষকদের প্রতিবাদ মিছিল  নীলফামারীর ডোমার বিএডিসি খামারে  মাটির উর্বরতা ফিরাতে ধইঞ্চা চাষ ফটিকছড়িতে বিষপানে যুবকের আত্নহত্যা

রাজধানীতে এখনও ঈদের আমেজ, নেই চিরচেনা ব্যস্ততা

#
news image

দ্রুত গতিতে চলছে যানবাহন। মোড়ে মোড়ে নেই বাস হেল্পারদের ডাকাডাকি। ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা চেয়ে আছেন পথচারীর মুখের দিকে। অফিস-আদালত পাড়ায় চলছে নিরবতা। কপাট খোলেনি বিপণীবিতানগুলোর। রমনার পাশের ফুটপাথ দিয়ে হাঁটার সময় এখনো শোনা যাচ্ছে পাখির ডাক। অথচ দীর্ঘ ৯ দিনের ছুটি শেষে কাল থেকে খুলছে অফিস আদালত।

শনিবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গণপরিবহনের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। যানবাহনের সংখ্যা যেমন কম, তেমনি যাত্রীর সংখ্যাও সীমিত। সিগন্যালগুলোতে নেই গাড়ির চাপ। সহজেই পার হওয়া যাচ্ছে রাজধানীর ব্যস্ততম সিগন্যালগুলো। ভাড়ায়চালিত সিএনজি ও মোটরসাইকেলগুলো যাত্রীর আশায় দাড়িছে মোড়গুলোতে। যাত্রী কম থাকায় এসব যানবাহনের সংখ্যাও কমেছে অনেক।

গুলশান-১-এর বিপণীবিতানগুলো খুললে ক্রেতাদের ভিড় নেই তেমন। ঈদের পর দোকান-মালিক কর্মচারীদের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায়। দুপুর পর্যন্তও কেউ কেউ খুলতে পারেনি বিক্রির খাতা। শান্তিনগর, মালিবাগের অনেকগুলো মার্কেট খুলতে দেখা যায়নি। গুলিস্তানে কিছু দোকানপাট খোলা রয়েছে। তবে সেখানের ফুটপাতে দোকানপাটের দেখা মিলেনি। বায়তুল মোকারম-পল্টন এলাকায় কিছু দোকানপাট খুললেও তেমন ক্রেতা দেখা যায়নি। দোকানদারদের মোবাইল দেখে অলস সময় পার করতে দেখা যায়।

গুলিস্তানের ব্যাগ দোকানী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঈদের আগে বেচাকেনা ভালো ছিল। ঈদের পর আজ প্রখম দোকান খুললাম। এখনো বনিভাট্টা করতে পারিনি। দোকানের খরচ সেটা তোলা হবে কিনা তা জানি না। তবে দোকান খুলছি। আস্তে আস্তে কাস্টমার বাড়বে।

তবে মেট্রোরেলে যাত্রীদের স্বাভাবিক ভিড় দেখা গেছে। প্রতিটি ট্রেনই যাত্রী ভর্তি নিয়ে আসতে দেখা যায়। আবাসিক এলাকার স্টেশনগুলোতে যাত্রীর সংখ্যা অন্যান্য স্টেশনের চেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়। মিরপুর থেকে আসা শিউলি বেগম বলেন, ঈদের ছুটিতে আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যাচ্ছি। সড়কের চেয়ে মেট্রোরেলে যাত্রী সংখ্যা বেশি হলেও এসি থাকায় খুব আরামে আসা যায়।

মালিবাগ মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা সিএনজিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, গতকাল থেকে গাড়ি নিয়ে বের হইছি। বারোশোর মতো ভাড়া মেরেছি কাল। আজকেও তেমন যাত্রী নেই। ভাড়াও অনেক কম বলে।

বিজয় সরণিতে  নভোথিয়েটার ও সামরিক জাদুঘরের বাইরে দীর্ঘ লম্বা লাইন। পর্যটকরা লাইন ধরে টিকিট কাটছে। বাবা-মায়ের চেয়ে শিশুরাই বেশি। তাদের চোখে মুখে এখনো ঈদের আনন্দ। 

আগারগাঁও গ্রিন অ্যাপল স্কুল এ্যান্ড কলেজের শিশু শিক্ষার্থী সিদরাতুল মুনতাহা ওহিবা সামরিক জাদুঘরে এসে খুব খুশি। তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে এক হাতে হলুদ বেলুন ও আরেক হাতে ভি চিহ্ন দেখিয়ে ছবি তোলার জন্য প্রস্তুত ব্যস্ত হয়ে পড়ে সে। 

শাহবাগ মোড়ে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করা এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য বলেন, রাস্তায় গাড়ি কম থাকায় চাপ কম। আমাদের খুব বেশি কষ্ট করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা লাগছে না।

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৬ এপ্রিল, ২০২৫,  5:47 AM

news image

দ্রুত গতিতে চলছে যানবাহন। মোড়ে মোড়ে নেই বাস হেল্পারদের ডাকাডাকি। ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা চেয়ে আছেন পথচারীর মুখের দিকে। অফিস-আদালত পাড়ায় চলছে নিরবতা। কপাট খোলেনি বিপণীবিতানগুলোর। রমনার পাশের ফুটপাথ দিয়ে হাঁটার সময় এখনো শোনা যাচ্ছে পাখির ডাক। অথচ দীর্ঘ ৯ দিনের ছুটি শেষে কাল থেকে খুলছে অফিস আদালত।

শনিবার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গণপরিবহনের সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। যানবাহনের সংখ্যা যেমন কম, তেমনি যাত্রীর সংখ্যাও সীমিত। সিগন্যালগুলোতে নেই গাড়ির চাপ। সহজেই পার হওয়া যাচ্ছে রাজধানীর ব্যস্ততম সিগন্যালগুলো। ভাড়ায়চালিত সিএনজি ও মোটরসাইকেলগুলো যাত্রীর আশায় দাড়িছে মোড়গুলোতে। যাত্রী কম থাকায় এসব যানবাহনের সংখ্যাও কমেছে অনেক।

গুলশান-১-এর বিপণীবিতানগুলো খুললে ক্রেতাদের ভিড় নেই তেমন। ঈদের পর দোকান-মালিক কর্মচারীদের ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায়। দুপুর পর্যন্তও কেউ কেউ খুলতে পারেনি বিক্রির খাতা। শান্তিনগর, মালিবাগের অনেকগুলো মার্কেট খুলতে দেখা যায়নি। গুলিস্তানে কিছু দোকানপাট খোলা রয়েছে। তবে সেখানের ফুটপাতে দোকানপাটের দেখা মিলেনি। বায়তুল মোকারম-পল্টন এলাকায় কিছু দোকানপাট খুললেও তেমন ক্রেতা দেখা যায়নি। দোকানদারদের মোবাইল দেখে অলস সময় পার করতে দেখা যায়।

গুলিস্তানের ব্যাগ দোকানী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঈদের আগে বেচাকেনা ভালো ছিল। ঈদের পর আজ প্রখম দোকান খুললাম। এখনো বনিভাট্টা করতে পারিনি। দোকানের খরচ সেটা তোলা হবে কিনা তা জানি না। তবে দোকান খুলছি। আস্তে আস্তে কাস্টমার বাড়বে।

তবে মেট্রোরেলে যাত্রীদের স্বাভাবিক ভিড় দেখা গেছে। প্রতিটি ট্রেনই যাত্রী ভর্তি নিয়ে আসতে দেখা যায়। আবাসিক এলাকার স্টেশনগুলোতে যাত্রীর সংখ্যা অন্যান্য স্টেশনের চেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়। মিরপুর থেকে আসা শিউলি বেগম বলেন, ঈদের ছুটিতে আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যাচ্ছি। সড়কের চেয়ে মেট্রোরেলে যাত্রী সংখ্যা বেশি হলেও এসি থাকায় খুব আরামে আসা যায়।

মালিবাগ মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা সিএনজিচালক সাইফুল ইসলাম বলেন, গতকাল থেকে গাড়ি নিয়ে বের হইছি। বারোশোর মতো ভাড়া মেরেছি কাল। আজকেও তেমন যাত্রী নেই। ভাড়াও অনেক কম বলে।

বিজয় সরণিতে  নভোথিয়েটার ও সামরিক জাদুঘরের বাইরে দীর্ঘ লম্বা লাইন। পর্যটকরা লাইন ধরে টিকিট কাটছে। বাবা-মায়ের চেয়ে শিশুরাই বেশি। তাদের চোখে মুখে এখনো ঈদের আনন্দ। 

আগারগাঁও গ্রিন অ্যাপল স্কুল এ্যান্ড কলেজের শিশু শিক্ষার্থী সিদরাতুল মুনতাহা ওহিবা সামরিক জাদুঘরে এসে খুব খুশি। তার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলে এক হাতে হলুদ বেলুন ও আরেক হাতে ভি চিহ্ন দেখিয়ে ছবি তোলার জন্য প্রস্তুত ব্যস্ত হয়ে পড়ে সে। 

শাহবাগ মোড়ে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করা এক ট্রাফিক পুলিশ সদস্য বলেন, রাস্তায় গাড়ি কম থাকায় চাপ কম। আমাদের খুব বেশি কষ্ট করে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা লাগছে না।