ঢাকা ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
৯ মাসের শিশু সন্তানকে হত্যার পর আত্মহত্যা.করলেন ছাত্রলীগ সভাপতির স্ত্রী তানজিদের সেঞ্চুরিতে চট্টগ্রামকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিল রাজশাহী ‎আজমিরীগঞ্জে শতাধিক মন্দিরে শ্রী শ্রী সরস্বতী পূজা অনুষ্ঠিত বড়লেখায় পতিত জমিতে সরিষার সমাহার, কৃষকের মুখে হাসি দিনাজপুরকে সিটি করপোরেশনে রূপান্তরের ঘোষণা জামায়াত আমিরের ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়তে দাঁড়িপাল্লায় ভোট চাইলেন শেখ মনজুরুল হক রাহাদ টঙ্গীতে মাদক ও অস্ত্রসহ আটক ৩৫ মানুষ পরিবর্তন চায়, শান্তিতে থাকতে চায়: তারেক রহমান ৪৮তম বিসিএস থেকে ৩২৬৩ জনকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন ধর্ম ও বর্ণভেদে নয়-বাংলাদেশ সকল মানুষের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ আবাসভূমি : প্রধান উপদেষ্টা

দক্ষিণ সুদানে ফেব্রুয়ারি থেকে সংঘর্ষে অন্তত ৭৫ জন নিহত : জাতিসংঘ

#
news image

দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনী ও প্রেসিডেন্ট সালভা কিইরের প্রতিদ্বন্দ্বী যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘর্ষে গত ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৭৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ফলকার তুর্ক এ তথ্য জানিয়েছেন।

নাইরোবি থেকে এএফপি জানায়, ফলকার তুর্ক বলেছেন, বিশ্বের নবীন এ রাষ্ট্রটিতে আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে সুদান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশটি গৃহযুদ্ধে নিমজ্জিত ছিল। এতে প্রায় চার লাখ মানুষের প্রাণহানি এবং ৪০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।

গৃহযুদ্ধে জড়িত পক্ষগুলোর মধ্যে ২০১৮ সালের ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তির ফলে এতদিন ‘অনিশ্চিত শান্তি’ বজায় ছিল। কিন্তু বেশ কয়েক মাস ধরে সহিংস সংঘর্ষের ফলে প্রেসিডেন্ট কিইরের দল তার দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইস প্রেসিডেন্ট রিক মাচারের সমর্থকদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। গত মার্চ মাসে রিক মাচারকে গ্রেফতার করা হয়।

ফলকার তুর্ক এক বিবৃতিতে জানান, কিইরের এসএসপিডিএফ ও মাচারের এসপিএলএ-আইও এবং তাদের নিজ নিজ মিলিশিয়াদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৭৫ জন বেসামরিক লোক নিহত এবং ৭৮ জন আহত হয়েছে। হাজার হাজার লোক তাদের বাড়িঘর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জংলেই রাজ্য ও আপার নীল অঞ্চলে এসপিএলএ-আইও’র অবস্থানের বিরুদ্ধে দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনীর ‘নির্বিচারে বিমানের মাধ্যমে বোমাবর্ষণ, নদী ও স্থলে হামলা’র খবর পাওয়া গেছে।

এতে আরও বলা হয়, বেসামরিক জনবহুল এলাকাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা সংক্রান্ত দাতব্য সংস্থা- ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএসএফ) পরিচালিত একটি চিকিৎসা কেন্দ্রও রয়েছে।

বুধবার এসপিএলএ-আইও’র সহযোগী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো জংলেই রাজ্যের ফাঙ্গাক কাউন্টিতে হারানো এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারের জন্য একটি পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। এর ফলে আরও বেশি বেসামরিক লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।

জাতিসংঘের এক হিসাব অনুসারে, উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

ফলকার  তুর্ক  বলেন, এসপিএলএ-আইও’র সঙ্গে যুক্ত কয়েক ডজন বিরোধী রাজনীতিবিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মাচার, মন্ত্রী, এমপি, সেনা কর্মকর্তা ও বেসামরিক ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান দেশটিতে ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বিচার আটক ও ঘৃণাসূচক বক্তব্য বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, সকল পক্ষকে অবিলম্বে তাদের অবস্থান থেকে সরে আসতে হবে। আমি সকল পক্ষকে ২০১৮ সালের শান্তি চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, সহিংসতা বৃদ্ধি ইতোমধ্যে ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি ও মানবাধিকারের ব্যাপক লঙ্ঘন পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।

আন্তর্জাতিক ডেক্স :

২৪ মে, ২০২৫,  1:54 AM

news image

দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনী ও প্রেসিডেন্ট সালভা কিইরের প্রতিদ্বন্দ্বী যোদ্ধাদের মধ্যে সংঘর্ষে গত ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৭৫ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ফলকার তুর্ক এ তথ্য জানিয়েছেন।

নাইরোবি থেকে এএফপি জানায়, ফলকার তুর্ক বলেছেন, বিশ্বের নবীন এ রাষ্ট্রটিতে আরও কয়েক ডজন আহত হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।

দক্ষিণ সুদান ২০১১ সালে সুদান থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশটি গৃহযুদ্ধে নিমজ্জিত ছিল। এতে প্রায় চার লাখ মানুষের প্রাণহানি এবং ৪০ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন।

গৃহযুদ্ধে জড়িত পক্ষগুলোর মধ্যে ২০১৮ সালের ক্ষমতা ভাগাভাগির চুক্তির ফলে এতদিন ‘অনিশ্চিত শান্তি’ বজায় ছিল। কিন্তু বেশ কয়েক মাস ধরে সহিংস সংঘর্ষের ফলে প্রেসিডেন্ট কিইরের দল তার দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাইস প্রেসিডেন্ট রিক মাচারের সমর্থকদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। গত মার্চ মাসে রিক মাচারকে গ্রেফতার করা হয়।

ফলকার তুর্ক এক বিবৃতিতে জানান, কিইরের এসএসপিডিএফ ও মাচারের এসপিএলএ-আইও এবং তাদের নিজ নিজ মিলিশিয়াদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৭৫ জন বেসামরিক লোক নিহত এবং ৭৮ জন আহত হয়েছে। হাজার হাজার লোক তাদের বাড়িঘর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জংলেই রাজ্য ও আপার নীল অঞ্চলে এসপিএলএ-আইও’র অবস্থানের বিরুদ্ধে দক্ষিণ সুদানের সেনাবাহিনীর ‘নির্বিচারে বিমানের মাধ্যমে বোমাবর্ষণ, নদী ও স্থলে হামলা’র খবর পাওয়া গেছে।

এতে আরও বলা হয়, বেসামরিক জনবহুল এলাকাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসা সংক্রান্ত দাতব্য সংস্থা- ডক্টরস উইদাউট বর্ডার্স (এমএসএফ) পরিচালিত একটি চিকিৎসা কেন্দ্রও রয়েছে।

বুধবার এসপিএলএ-আইও’র সহযোগী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো জংলেই রাজ্যের ফাঙ্গাক কাউন্টিতে হারানো এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারের জন্য একটি পাল্টা আক্রমণ শুরু করে। এর ফলে আরও বেশি বেসামরিক লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়।

জাতিসংঘের এক হিসাব অনুসারে, উত্তেজনা বৃদ্ধির পর থেকে প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

ফলকার  তুর্ক  বলেন, এসপিএলএ-আইও’র সঙ্গে যুক্ত কয়েক ডজন বিরোধী রাজনীতিবিদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মাচার, মন্ত্রী, এমপি, সেনা কর্মকর্তা ও বেসামরিক ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান দেশটিতে ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বিচার আটক ও ঘৃণাসূচক বক্তব্য বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, সকল পক্ষকে অবিলম্বে তাদের অবস্থান থেকে সরে আসতে হবে। আমি সকল পক্ষকে ২০১৮ সালের শান্তি চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, সহিংসতা বৃদ্ধি ইতোমধ্যে ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতি ও মানবাধিকারের ব্যাপক লঙ্ঘন পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।