ঢাকা ২৬ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রেমের বিয়ে নিয়ে উত্তেজনা -ভাইদের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক অপহরণ ও হত্যার হুমকির অভিযোগ বড়লেখা উপজেলা নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত কুড়িয়ে পাওয়া নগদ টাকা মালিককে বুঝিয়ে দিলেন শফিকুল পিরোজপুরে অনুমোদনহীন আইসক্রিম কারখানায় লাখ টাকা জরিমানা, বিপুল পরিমাণ পণ্য ধ্বংস কুষ্টিয়ায় বাড়ছে হামের প্রকোপ, ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি ৩৯ ডিজিটাল যুগে বিস্মৃতির অতলে হারিয়ে যাচ্ছে ডাকবাক্স গলাচিপায় জেলেদের মুখে হাসি—ইলিশ সংরক্ষণে বিরত থাকা পরিবারগুলোর পাশে মানবিক সহায়তা আনন্দমুখর পরিবেশে সমাপ্তি হলো গাজীপুর জেলা ইলেকট্রিক্যাল এসোসিয়েশন বার্ষিক পিকনিক বাগেরহাটে চেক জালিয়াতির অভিযোগসহ যৌথ ব্যবসা দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রাণনাশের আশঙ্কা দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ হবিগঞ্জ জেলা শাখার  সাংস্কৃতিক দায়িত্বশীল সমাবেশ।

জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখার আহ্বান ছাত্রশিবিরের

#
news image

ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত মোকাবেলায় দেশপ্রেমিক সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সকল প্রকার দুঃশাসন ও আধিপত্যবাদের শৃঙ্খল ভেঙে সম্প্রীতি ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ২০২৪ সালে একত্রিত হয়। সংঘটিত হয় ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রতীক—ঐতিহাসিক ৩৬ জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান। সৃষ্টি হয় নতুন দেশ গঠনের এক সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু বরাবরের মতো এবারও জাতির ভাগ্যে ব্যর্থতা ও গোলামির চিহ্ন এঁকে দিতে চায় দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা।

তারা বলেন, 'আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, গুটিকয়েক ব্যক্তির শিশুসুলভ অপরিপক্ব চিন্তা ও অদূরদর্শিতার কারণে জাতি আজ বিভক্তির পথে। তারা ফ্যাসিবাদী বয়ানগুলোকে সামনে এনে দেশপ্রেমিক শক্তিসমূহকে একে অন্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে বিভক্ত করার প্রয়াসে লিপ্ত হয়েছে। শুধু তাই নয়, পরিকল্পিতভাবে সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। অথচ এ বাহিনী জুলাই ছাত্র-জনতা অভ্যুত্থানসহ ইতিহাসের প্রতিটি সংকটে জাতির পাশে ছিল এবং দেশের শান্তি ও স্থিতির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। তবে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে জনগণের ওপর জুলুম চালিয়েছে, তারা অপরাধী হিসেবে শাস্তিযোগ্য।'

নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, জাতির এই ক্রান্তিকাল থেকে উত্তরণে প্রয়োজন জুলাই স্পিরিটকে ধারণের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় ও সুসংহত করা। জাতীয় ঐক্য কোনো স্লোগান নয়, এটি সময়ের দাবি, ইতিহাসের শিক্ষা এবং ভবিষ্যতের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের আবশ্যকীয় শর্ত। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায়, বিশেষ করে ভারতীয় আধিপত্যবাদের চতুর, সর্বগ্রাসী ও নির্মম কৌশলের মুখে, আমাদের সামনে একটি মাত্র পথ খোলা রয়েছে; সেটি হলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে শক্তিশালী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো। এর পরিবর্তে জাতীয় ঐক্য বিনাশে যারা ভূমিকা রাখবে, ইতিহাস তাদের ‘জুলাই গাদ্দার’ হিসেবে চিহ্নিত করবে।'

নিজস্ব প্রতিবেদক :

২৪ মে, ২০২৫,  2:11 AM

news image

ব্যক্তিগত ও দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত মোকাবেলায় দেশপ্রেমিক সকল পক্ষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।

আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল ইসলাম সাদ্দাম এ আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, সকল প্রকার দুঃশাসন ও আধিপত্যবাদের শৃঙ্খল ভেঙে সম্প্রীতি ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ২০২৪ সালে একত্রিত হয়। সংঘটিত হয় ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের প্রতীক—ঐতিহাসিক ৩৬ জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান। সৃষ্টি হয় নতুন দেশ গঠনের এক সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু বরাবরের মতো এবারও জাতির ভাগ্যে ব্যর্থতা ও গোলামির চিহ্ন এঁকে দিতে চায় দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারীরা।

তারা বলেন, 'আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, গুটিকয়েক ব্যক্তির শিশুসুলভ অপরিপক্ব চিন্তা ও অদূরদর্শিতার কারণে জাতি আজ বিভক্তির পথে। তারা ফ্যাসিবাদী বয়ানগুলোকে সামনে এনে দেশপ্রেমিক শক্তিসমূহকে একে অন্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে বিভক্ত করার প্রয়াসে লিপ্ত হয়েছে। শুধু তাই নয়, পরিকল্পিতভাবে সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে। অথচ এ বাহিনী জুলাই ছাত্র-জনতা অভ্যুত্থানসহ ইতিহাসের প্রতিটি সংকটে জাতির পাশে ছিল এবং দেশের শান্তি ও স্থিতির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে। তবে যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে জনগণের ওপর জুলুম চালিয়েছে, তারা অপরাধী হিসেবে শাস্তিযোগ্য।'

নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, জাতির এই ক্রান্তিকাল থেকে উত্তরণে প্রয়োজন জুলাই স্পিরিটকে ধারণের মাধ্যমে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় ও সুসংহত করা। জাতীয় ঐক্য কোনো স্লোগান নয়, এটি সময়ের দাবি, ইতিহাসের শিক্ষা এবং ভবিষ্যতের সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের আবশ্যকীয় শর্ত। বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায়, বিশেষ করে ভারতীয় আধিপত্যবাদের চতুর, সর্বগ্রাসী ও নির্মম কৌশলের মুখে, আমাদের সামনে একটি মাত্র পথ খোলা রয়েছে; সেটি হলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে শক্তিশালী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো। এর পরিবর্তে জাতীয় ঐক্য বিনাশে যারা ভূমিকা রাখবে, ইতিহাস তাদের ‘জুলাই গাদ্দার’ হিসেবে চিহ্নিত করবে।'