ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

জুলাই ঘোষণাপত্র জনগণের অধিকার : বাংলাদেশ ন্যাপ

#
news image

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (বাংলাদেশ ন্যাপ) নেতারা বলেছেন, জুলাই ঘোষণাপত্র জনগণের অধিকার। এই ঘোষণাপত্র নিয়ে কোনো প্রকার জোড়া তালি জনগণের কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না। ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে জুলাইয়ের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে হবে। 

আজ রোববার বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা। ক্ষমতার মালিক হবে জনগণ। জুলাই ঘোষণাপত্রে যদি রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়ে যাবে।

তারা বলেন, জনগণের ঐক্য ছাড়া গণঅভ্যুত্থান সফল হয় নাই, হওয়া সম্ভবও ছিল না। যদি জনগণ ঐক্যবদ্ধ না থাকত, তাহলে গণঅভ্যুত্থান সম্ভব ছিল না। গণঅভ্যুত্থান করেছে জনগণ। এর পেছনে কোনো একক দল, একক গোষ্ঠী বা বিশেষ কোনো গ্রুপের নেতৃত্ব ছিল না। আমাদের তরুণ সমাজ জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছে, তারাই জনগনকে গণঅভ্যুত্থানের পথে নিয়ে গেছে। চূড়ান্ত আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে দেশের তরুণ সমাজ।

বাংলাদেশ ন্যাপের নেতারা বলেন, জুলাই আমাদেরকে ধর্ম-বর্ণ ও রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে জুলাই শহীদদের রক্তের দাগ কখনো মুছে ফেলা যাবে না। জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণ ছিল অভূতপূর্ব। এ অভ্যুত্থানে শ্রমিক, রিকশাচালক, শ্রমজীবী, ছাত্র-জনতাসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। 

তারা আরও বলেন, ‘জুলাই চেতনার ভিত্তিতে সৎ, মেধাবী ও যোগ্যদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করার পথ সৃষ্টির মাধ্যমে, বৈষম্য, অন্যায়-অনিয়ম ও দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়নরে বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো লুটেরা ও ফ্যাসিস্টের আগমন ঘটতে না পারে। তা না হলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বৃথা যেতে পারে।’

নিজস্ব প্রতিবেদক :

০৩ আগস্ট, ২০২৫,  7:16 PM

news image

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (বাংলাদেশ ন্যাপ) নেতারা বলেছেন, জুলাই ঘোষণাপত্র জনগণের অধিকার। এই ঘোষণাপত্র নিয়ে কোনো প্রকার জোড়া তালি জনগণের কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না। ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করে জুলাইয়ের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে হবে। 

আজ রোববার বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে তারা বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা। ক্ষমতার মালিক হবে জনগণ। জুলাই ঘোষণাপত্রে যদি রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের হাতে প্রতিষ্ঠিত না হয়, তাহলে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হয়ে যাবে।

তারা বলেন, জনগণের ঐক্য ছাড়া গণঅভ্যুত্থান সফল হয় নাই, হওয়া সম্ভবও ছিল না। যদি জনগণ ঐক্যবদ্ধ না থাকত, তাহলে গণঅভ্যুত্থান সম্ভব ছিল না। গণঅভ্যুত্থান করেছে জনগণ। এর পেছনে কোনো একক দল, একক গোষ্ঠী বা বিশেষ কোনো গ্রুপের নেতৃত্ব ছিল না। আমাদের তরুণ সমাজ জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করেছে, তারাই জনগনকে গণঅভ্যুত্থানের পথে নিয়ে গেছে। চূড়ান্ত আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছে দেশের তরুণ সমাজ।

বাংলাদেশ ন্যাপের নেতারা বলেন, জুলাই আমাদেরকে ধর্ম-বর্ণ ও রাজনীতির ঊর্ধ্বে ওঠে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে জুলাই শহীদদের রক্তের দাগ কখনো মুছে ফেলা যাবে না। জুলাই অভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণ ছিল অভূতপূর্ব। এ অভ্যুত্থানে শ্রমিক, রিকশাচালক, শ্রমজীবী, ছাত্র-জনতাসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল। 

তারা আরও বলেন, ‘জুলাই চেতনার ভিত্তিতে সৎ, মেধাবী ও যোগ্যদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করার পথ সৃষ্টির মাধ্যমে, বৈষম্য, অন্যায়-অনিয়ম ও দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়নরে বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আর কোনো লুটেরা ও ফ্যাসিস্টের আগমন ঘটতে না পারে। তা না হলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বৃথা যেতে পারে।’