ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

রাজশাহীতে সেনাবাহিনীর অভিযান: সাবেক মেয়র লিটনের ভাতিজাসহ আটক ৩

#
news image

রাজশাহী নগরীর কাঁদিরগঞ্জ এলাকায় ‘ডক্টর ইংলিশ’ নামে একটি কোচিং সেন্টারে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জামসহ তিনজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনীর ৪০ ইস্ট বেঙ্গল। শুক্রবার রাত দেড়টা থেকে শুরু হয়ে শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত চলা এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ সামরিক ও বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

শনিবার দুপুরে সেনাবাহিনীর রাজশাহী সেনাক্যাম্প ৪০ ইস্ট বেঙ্গল (মেকানাইজড) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘ এক মাসের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে বোয়ালিয়া থানাধীন দরিখরবোনা এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—কোচিং সেন্টারের মালিক ও ইংরেজি শিক্ষক মোন্তাসেবুল আলম অনিন্দ্য (৩৫), মো. রবিন ও মো. ফয়সাল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনিন্দ্য রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শফিউল আলম লাটুর ছেলে। তিনি আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের চাচাতো ভাইয়ের ছেলে (ভাতিজা) হিসেবেও পরিচিত।

জানা গেছে, অনিন্দ্য হলি আর্টিজান হামলা মামলায় আসামি হয়ে ৬ বছর কারাভোগ করেছেন। পাশাপাশি তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হত্যা মামলারও আসামি।

অভিযানে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, সামরিক মানের দুরবিন ও স্নাইপার স্কোপ, ছয়টি দেশীয় অস্ত্র, বিদেশি ধারালো ডেগার, উন্নতমানের ওয়াকিটকি সেট, জিপিএস, টিজারগান, বিভিন্ন কার্টিজ, বিপুল সংখ্যক অব্যবহৃত সিমকার্ড, বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম, ছয়টি কম্পিউটার সেট, নগদ অর্থ, মদ ও ১১টি নাইট্রোজেন কার্টিজ জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত নাইট্রোজেন কার্টিজগুলো বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দ্বারা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

এ ছাড়া কোচিং সেন্টারের পাশের একটি পুকুরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালালেও এ পর্যন্ত কোনো অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হয়নি।

সেনাবাহিনীর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম দমনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

খন্দকার মোহাম্মদ আলী, রাজশাহী বিভাগীয় ব্যুরো চিফ : 

১৬ আগস্ট, ২০২৫,  11:50 PM

news image

রাজশাহী নগরীর কাঁদিরগঞ্জ এলাকায় ‘ডক্টর ইংলিশ’ নামে একটি কোচিং সেন্টারে অভিযান চালিয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জামসহ তিনজনকে আটক করেছে সেনাবাহিনীর ৪০ ইস্ট বেঙ্গল। শুক্রবার রাত দেড়টা থেকে শুরু হয়ে শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুর পর্যন্ত চলা এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ সামরিক ও বিস্ফোরক সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

শনিবার দুপুরে সেনাবাহিনীর রাজশাহী সেনাক্যাম্প ৪০ ইস্ট বেঙ্গল (মেকানাইজড) থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘ এক মাসের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে বোয়ালিয়া থানাধীন দরিখরবোনা এলাকায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন—কোচিং সেন্টারের মালিক ও ইংরেজি শিক্ষক মোন্তাসেবুল আলম অনিন্দ্য (৩৫), মো. রবিন ও মো. ফয়সাল। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অনিন্দ্য রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শফিউল আলম লাটুর ছেলে। তিনি আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের চাচাতো ভাইয়ের ছেলে (ভাতিজা) হিসেবেও পরিচিত।

জানা গেছে, অনিন্দ্য হলি আর্টিজান হামলা মামলায় আসামি হয়ে ৬ বছর কারাভোগ করেছেন। পাশাপাশি তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হত্যা মামলারও আসামি।

অভিযানে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, সামরিক মানের দুরবিন ও স্নাইপার স্কোপ, ছয়টি দেশীয় অস্ত্র, বিদেশি ধারালো ডেগার, উন্নতমানের ওয়াকিটকি সেট, জিপিএস, টিজারগান, বিভিন্ন কার্টিজ, বিপুল সংখ্যক অব্যবহৃত সিমকার্ড, বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম, ছয়টি কম্পিউটার সেট, নগদ অর্থ, মদ ও ১১টি নাইট্রোজেন কার্টিজ জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত নাইট্রোজেন কার্টিজগুলো বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দ্বারা নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।

এ ছাড়া কোচিং সেন্টারের পাশের একটি পুকুরে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালালেও এ পর্যন্ত কোনো অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হয়নি।

সেনাবাহিনীর বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। অবৈধ অস্ত্র, বিস্ফোরক ও সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম দমনে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।