ঢাকা ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে সংগীতা আইডিয়াল হাই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়ানুষ্ঠান সম্পন্ন  গুদারা খালের বাঁধ অপসারণ: উচ্ছ্বসিত স্থানীয়রা বড়লেখায় উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু এমপি কোম্পানীগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অংশ নিচ্ছেন সাড়ে ৪ লাখ শিক্ষার্থী জাতিসংঘ ফোরামে ন্যায্য বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো ও টেকসই এলডিসি উত্তরণের আহ্বান বাংলাদেশের দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি বিপুল পরিমান ভারতীয় মোবাইল ফোন জব্দ বানারীপাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ পালিত বড়লেখা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির একাধিক প্রার্থী সুযোগ নিতে পারে জামায়াত

খোলা আকাঁশের নিচে নরসুন্দর (নাপিত) কাজ করে সংসার চলায়

#
news image

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নাপিত পাড়ার বাসিন্দার মৃত্যু নকুল চন্দ্র শীলের ছেলে ধীরেন চন্দ্র শীল (৪২) তিনি ২৫ বছর ধরে গ্রাম গঞ্জে নরসুন্দর (নাপিত) এর কাজ করেন। তিনি শত কষ্টকে বুকে ধারন করে দীর্ঘ দিন ধরে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।


বর্তমানে তিনি টেংগনমারীহাটে ভূমি অফিসের মাঠে চুল দাঁড়ি কাটেন। বর্তমানে সে খোলা আকাঁশের নিচে জীবন চলার জন্য এ কাজ করছেন।


সোমবার দুপুরে তার সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি ২৫ বছর ধরে এই কাজ করি। আর আমার কোন স্থায়ী দোকান ঘর নেই। তবে গ্রামের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় কাজ করি। শুধু তাই নয় আমি টেংগনমারী ভুমি অফিসের মাঠে খোলা আকাঁশের নিচে টুলে ও পিরেতে বসে মানুষের চুল দাঁড়ি কেটে দেই। এ কাজ করে আমি দিনে ২ শত থেকে ৩ শত টাকা পাই। এ দিয়ে কোন রকম আমার সংসার চলে।


তার পরিবারের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার পরিবারের আমি ও আমার স্ত্রীসহ ৬ জন রয়েছি। আমার বড় মেয়ে ১০ ম শ্রেনীতে আর একজন ৫ ম শ্রেনীতে পড়ালেখা করে ও দুই ছেলে রয়েছে তারা ছোট। তবে সন্তানদের পড়ালেখা খরচ যোগাতে আমার খুবেই কষ্ট হয়। তার পড়েও আমি তাদের পড়াচ্ছি। আমার কোন আবাদি জমি জায়গা নেই। তবে আমার ৩ শতক জমি রয়েছে এতে ঘর বাড়ি করে রয়েছি।
তিনি অশ্রুশিক্ত কন্ঠে বলেন, আমি দেখেছি অনেকে দান অনুদানসহ অনেক কিছু পায়। তবে আমি কোন দিন কারও কাছ থেকে কোন কিছু পাইনি। যদি পেতাম তাহলে কিছুটা হলেও উপকৃত হতাম।

মশিয়ার রহমান, নীলফামারী :

১০ ডিসেম্বর, ২০২৪,  1:44 AM

news image

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নাপিত পাড়ার বাসিন্দার মৃত্যু নকুল চন্দ্র শীলের ছেলে ধীরেন চন্দ্র শীল (৪২) তিনি ২৫ বছর ধরে গ্রাম গঞ্জে নরসুন্দর (নাপিত) এর কাজ করেন। তিনি শত কষ্টকে বুকে ধারন করে দীর্ঘ দিন ধরে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।


বর্তমানে তিনি টেংগনমারীহাটে ভূমি অফিসের মাঠে চুল দাঁড়ি কাটেন। বর্তমানে সে খোলা আকাঁশের নিচে জীবন চলার জন্য এ কাজ করছেন।


সোমবার দুপুরে তার সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি ২৫ বছর ধরে এই কাজ করি। আর আমার কোন স্থায়ী দোকান ঘর নেই। তবে গ্রামের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় কাজ করি। শুধু তাই নয় আমি টেংগনমারী ভুমি অফিসের মাঠে খোলা আকাঁশের নিচে টুলে ও পিরেতে বসে মানুষের চুল দাঁড়ি কেটে দেই। এ কাজ করে আমি দিনে ২ শত থেকে ৩ শত টাকা পাই। এ দিয়ে কোন রকম আমার সংসার চলে।


তার পরিবারের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার পরিবারের আমি ও আমার স্ত্রীসহ ৬ জন রয়েছি। আমার বড় মেয়ে ১০ ম শ্রেনীতে আর একজন ৫ ম শ্রেনীতে পড়ালেখা করে ও দুই ছেলে রয়েছে তারা ছোট। তবে সন্তানদের পড়ালেখা খরচ যোগাতে আমার খুবেই কষ্ট হয়। তার পড়েও আমি তাদের পড়াচ্ছি। আমার কোন আবাদি জমি জায়গা নেই। তবে আমার ৩ শতক জমি রয়েছে এতে ঘর বাড়ি করে রয়েছি।
তিনি অশ্রুশিক্ত কন্ঠে বলেন, আমি দেখেছি অনেকে দান অনুদানসহ অনেক কিছু পায়। তবে আমি কোন দিন কারও কাছ থেকে কোন কিছু পাইনি। যদি পেতাম তাহলে কিছুটা হলেও উপকৃত হতাম।