ঢাকা ১০ মার্চ, ২০২৬
শিরোনামঃ
বড়লেখায় পেট্রোল পাম্পে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা লন্ডনে ‘সি ফর চাটগাঁ মিডিয়া’র ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত কোম্পানীগঞ্জে ডিপ্লোমা মেডিকেল অফিসারদের ইফতার ও দোয়া মাহফিল বৈষম্য নিরসন ও চাকরির নিশ্চয়তার দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মৎস্য বিল দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকি বাগেরহাটে নানা অব্যবস্থাপনায় উদযাপিত হল আন্তর্জাতিক নারী দিবস আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া পরিষদ কুষ্টিয়া শহর শাখার আহ্বায়ক কমিটি গঠিত থানার সামনে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ-প্রিন্টারসহ ১৫ লাখ টাকার সরঞ্জাম চুরি নেশা জাতীয় কফ সিরাপ স্কফের নাম পরিবর্ত করে নতুন নামে ব্রোনকস পি 'চোক প্লাস পুলিশ '"ম্যানেজ" নেতাদের অবাধে বালু তোলায় হুমকির মুখে সেতু, সড়ক ও বাঁধ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া প্রেস ক্লাবের ৩৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ইফতার মাহফিল পালিত

খোলা আকাঁশের নিচে নরসুন্দর (নাপিত) কাজ করে সংসার চলায়

#
news image

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নাপিত পাড়ার বাসিন্দার মৃত্যু নকুল চন্দ্র শীলের ছেলে ধীরেন চন্দ্র শীল (৪২) তিনি ২৫ বছর ধরে গ্রাম গঞ্জে নরসুন্দর (নাপিত) এর কাজ করেন। তিনি শত কষ্টকে বুকে ধারন করে দীর্ঘ দিন ধরে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।


বর্তমানে তিনি টেংগনমারীহাটে ভূমি অফিসের মাঠে চুল দাঁড়ি কাটেন। বর্তমানে সে খোলা আকাঁশের নিচে জীবন চলার জন্য এ কাজ করছেন।


সোমবার দুপুরে তার সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি ২৫ বছর ধরে এই কাজ করি। আর আমার কোন স্থায়ী দোকান ঘর নেই। তবে গ্রামের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় কাজ করি। শুধু তাই নয় আমি টেংগনমারী ভুমি অফিসের মাঠে খোলা আকাঁশের নিচে টুলে ও পিরেতে বসে মানুষের চুল দাঁড়ি কেটে দেই। এ কাজ করে আমি দিনে ২ শত থেকে ৩ শত টাকা পাই। এ দিয়ে কোন রকম আমার সংসার চলে।


তার পরিবারের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার পরিবারের আমি ও আমার স্ত্রীসহ ৬ জন রয়েছি। আমার বড় মেয়ে ১০ ম শ্রেনীতে আর একজন ৫ ম শ্রেনীতে পড়ালেখা করে ও দুই ছেলে রয়েছে তারা ছোট। তবে সন্তানদের পড়ালেখা খরচ যোগাতে আমার খুবেই কষ্ট হয়। তার পড়েও আমি তাদের পড়াচ্ছি। আমার কোন আবাদি জমি জায়গা নেই। তবে আমার ৩ শতক জমি রয়েছে এতে ঘর বাড়ি করে রয়েছি।
তিনি অশ্রুশিক্ত কন্ঠে বলেন, আমি দেখেছি অনেকে দান অনুদানসহ অনেক কিছু পায়। তবে আমি কোন দিন কারও কাছ থেকে কোন কিছু পাইনি। যদি পেতাম তাহলে কিছুটা হলেও উপকৃত হতাম।

মশিয়ার রহমান, নীলফামারী :

১০ ডিসেম্বর, ২০২৪,  1:44 AM

news image

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের নাপিত পাড়ার বাসিন্দার মৃত্যু নকুল চন্দ্র শীলের ছেলে ধীরেন চন্দ্র শীল (৪২) তিনি ২৫ বছর ধরে গ্রাম গঞ্জে নরসুন্দর (নাপিত) এর কাজ করেন। তিনি শত কষ্টকে বুকে ধারন করে দীর্ঘ দিন ধরে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।


বর্তমানে তিনি টেংগনমারীহাটে ভূমি অফিসের মাঠে চুল দাঁড়ি কাটেন। বর্তমানে সে খোলা আকাঁশের নিচে জীবন চলার জন্য এ কাজ করছেন।


সোমবার দুপুরে তার সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি ২৫ বছর ধরে এই কাজ করি। আর আমার কোন স্থায়ী দোকান ঘর নেই। তবে গ্রামের বিভিন্ন পাড়া মহল্লায় কাজ করি। শুধু তাই নয় আমি টেংগনমারী ভুমি অফিসের মাঠে খোলা আকাঁশের নিচে টুলে ও পিরেতে বসে মানুষের চুল দাঁড়ি কেটে দেই। এ কাজ করে আমি দিনে ২ শত থেকে ৩ শত টাকা পাই। এ দিয়ে কোন রকম আমার সংসার চলে।


তার পরিবারের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার পরিবারের আমি ও আমার স্ত্রীসহ ৬ জন রয়েছি। আমার বড় মেয়ে ১০ ম শ্রেনীতে আর একজন ৫ ম শ্রেনীতে পড়ালেখা করে ও দুই ছেলে রয়েছে তারা ছোট। তবে সন্তানদের পড়ালেখা খরচ যোগাতে আমার খুবেই কষ্ট হয়। তার পড়েও আমি তাদের পড়াচ্ছি। আমার কোন আবাদি জমি জায়গা নেই। তবে আমার ৩ শতক জমি রয়েছে এতে ঘর বাড়ি করে রয়েছি।
তিনি অশ্রুশিক্ত কন্ঠে বলেন, আমি দেখেছি অনেকে দান অনুদানসহ অনেক কিছু পায়। তবে আমি কোন দিন কারও কাছ থেকে কোন কিছু পাইনি। যদি পেতাম তাহলে কিছুটা হলেও উপকৃত হতাম।