ঢাকা ০৯ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে তিতাস গ্যাসের ভুয়া কর্মকর্তা সেজে চাঁদাবাজি, নারীসহ গ্রেপ্তার ২ চাখার-মীরেরহাট সড়ক সংস্কারে চরম ধীরগতি: দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ বঙ্গোপসাগর রক্ষার শপথ নিলেন শতাধিক তরুণ পরিবেশকর্মী ইসরাইলবিরোধী সামরিক অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের জয় দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শুরু করতে চায় বাংলাদেশ শিল্পকলায় উদীয়মান নাট্যনির্দেশকদের বিশেষ প্রশিক্ষণ সিলেট অঞ্চলের প্রতিযোগিতায় হবিগঞ্জ জেলার বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন জেলা প্রশাসক  হবিগঞ্জ নওগাঁয় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, শীর্ষ দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বঞ্চিত, তালিকায় স্বজনপ্রীতির, শাল্লায় কৃষকদের প্রতিবাদ মিছিল  নীলফামারীর ডোমার বিএডিসি খামারে  মাটির উর্বরতা ফিরাতে ধইঞ্চা চাষ

সাংবাদিককে আইনজীবীর হুমকি, ভূমিদস্যু-জালিয়াত চক্রের দৌরাত্ম্য শেষ কোথায় ?

#
news image

গাজীপুরে ভূমিদস্যু ও জালিয়াত চক্রের পক্ষে অবস্থান নিয়ে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি মো. আজিজুল হককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় সাংবাদিক আজিজুল হক গাজীপুর সদর থানায় মঙ্গলবার একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, গাছা থানার পলাশোনা এলাকায় ‘ঠাকুর দাস মণ্ডল’ নামে এক কথিত বাদীকে ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে নিরীহ মানুষের জমিজমা দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করতে মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে সাংবাদিক আজিজুল হক আদালত এলাকায় গেলে মামলার আইনজীবী ও আওয়ামীপন্থী হিসেবে পরিচিত মো. নবীজুল ইসলাম (গাজীপুর বারের সদস্য নং ১২৯৮) ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “নয়া দিগন্ত দুই নম্বর পত্রিকা, আপনি ভূয়া সাংবাদিক, কোনো তথ্য দিব না।”
এ সময় তিনি সহকর্মী সাংবাদিকদেরও ‘সাইজ করার’ হুমকি দেন। উপস্থিত বিচারপ্রার্থীরা এগিয়ে এলে নবীজুল ইসলাম স্থান ত্যাগ করেন, তবে যাওয়ার সময় সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বলেন, “এই বিষয়ে নিউজ করলে দেখে নেব।”
ঘটনার পর সাংবাদিক আজিজুল হক নিজেকে নিরাপত্তাহীন মনে করছেন। তাঁর দাবি, নবীজুল ইসলাম ভূমিদস্যু ও প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য, যারা বিগত সরকারের সময় স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে জাল দলিল তৈরি করে মানুষের জমিজমা দখল ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। স্থানীয়দের বক্তব্যে জানা গেছে, মামলার বাদী ‘ঠাকুর দাস মণ্ডল’ নামের কোনো ব্যক্তি ঐ এলাকায় নেই, বরং তাঁর নামে জাল দলিল তৈরি করে পলাশোনা এলাকার একটি পুকুর দখলের চেষ্টা করছে চক্রটি।
জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ‘ঠাকুর দাস’ নামীয় কোনো বৈধ দলিলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পর এলাকাবাসী প্রতারক চক্রের সদস্যদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার এবং কথিত ‘ঠাকুর দাস মণ্ডল’-এর প্রকৃত পরিচয় উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
সদর মেট্রো থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মো. মেহদী হাসান, পিপিএম বলেন, “দৈনিক নয়া দিগন্তের সাংবাদিক আজিজুল হক পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হুমকি পেয়েছেন—এমন অভিযোগে তিনি জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি :

০৮ অক্টোবর, ২০২৫,  11:54 AM

news image

গাজীপুরে ভূমিদস্যু ও জালিয়াত চক্রের পক্ষে অবস্থান নিয়ে দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার গাজীপুর মহানগর প্রতিনিধি মো. আজিজুল হককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় সাংবাদিক আজিজুল হক গাজীপুর সদর থানায় মঙ্গলবার একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, গাছা থানার পলাশোনা এলাকায় ‘ঠাকুর দাস মণ্ডল’ নামে এক কথিত বাদীকে ব্যবহার করে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে নিরীহ মানুষের জমিজমা দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ঘটনাটির সত্যতা যাচাই করতে মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে সাংবাদিক আজিজুল হক আদালত এলাকায় গেলে মামলার আইনজীবী ও আওয়ামীপন্থী হিসেবে পরিচিত মো. নবীজুল ইসলাম (গাজীপুর বারের সদস্য নং ১২৯৮) ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “নয়া দিগন্ত দুই নম্বর পত্রিকা, আপনি ভূয়া সাংবাদিক, কোনো তথ্য দিব না।”
এ সময় তিনি সহকর্মী সাংবাদিকদেরও ‘সাইজ করার’ হুমকি দেন। উপস্থিত বিচারপ্রার্থীরা এগিয়ে এলে নবীজুল ইসলাম স্থান ত্যাগ করেন, তবে যাওয়ার সময় সাংবাদিককে উদ্দেশ্য করে বলেন, “এই বিষয়ে নিউজ করলে দেখে নেব।”
ঘটনার পর সাংবাদিক আজিজুল হক নিজেকে নিরাপত্তাহীন মনে করছেন। তাঁর দাবি, নবীজুল ইসলাম ভূমিদস্যু ও প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্য, যারা বিগত সরকারের সময় স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে জাল দলিল তৈরি করে মানুষের জমিজমা দখল ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। স্থানীয়দের বক্তব্যে জানা গেছে, মামলার বাদী ‘ঠাকুর দাস মণ্ডল’ নামের কোনো ব্যক্তি ঐ এলাকায় নেই, বরং তাঁর নামে জাল দলিল তৈরি করে পলাশোনা এলাকার একটি পুকুর দখলের চেষ্টা করছে চক্রটি।
জেলা রেজিস্ট্রারের কার্যালয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে ‘ঠাকুর দাস’ নামীয় কোনো বৈধ দলিলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে জানা গেছে। এ ঘটনার পর এলাকাবাসী প্রতারক চক্রের সদস্যদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার এবং কথিত ‘ঠাকুর দাস মণ্ডল’-এর প্রকৃত পরিচয় উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।
সদর মেট্রো থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), মো. মেহদী হাসান, পিপিএম বলেন, “দৈনিক নয়া দিগন্তের সাংবাদিক আজিজুল হক পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হুমকি পেয়েছেন—এমন অভিযোগে তিনি জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”