ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
শিরোনামঃ
খান জাহান আলীর মাজারে কুমির ফিরিয়ে না দিলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি সাত দিনের মধ্যেই উঠে গেল ৪৫ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কের কার্পেটিং, ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী জমি বিরোধের জেরে উজিরপুরে মানববন্ধনে সংঘর্ষ, আহত ৩০, থানায় পৃথক অভিযোগ মংলায় কোস্টগার্ড-এলাকাবাসী সংঘর্ষ: কোস্টগার্ডের জাহাজে হামলার অভিযোগ ছাত্র আন্দোলনে ককটেল হামলার মামলায় কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা শেখ রাসেল গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জের জন্য তিন সংসদ সদস্য: গর্ব, সম্ভাবনা ও উন্নয়নের নতুন দিগন্ত হবিগঞ্জে কলেজছাত্রীকে উত্যক্ত ও ধ/র্ষ/ণের হুমকির অভিযোগে জড়িতদের গ্রেফতার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ হাটহাজারীতে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেফতার ভাঙ্গায় অগ্নিকাণ্ড ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে চাল, টিন ও মানবিক সহায়তা বিতরণ সুনামগঞ্জে খুনের জেরে ৩ প্রবাসীসহ ৬ বাড়িতে তাণ্ডব ও লুটপাট, এক প্রবাসী মায়ের আর্তনাদ !

উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে সি’র সহায়তা চাইলেন লি

#
news image

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে বেইজিংয়ের সহায়তা চেয়ে তিনি চীনের নেতা সি সিনপিংকে অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ‘ক্ষতিপূরণের’ বিনিময়ে কর্মসূচি স্থগিতের পথও খোলা থাকতে পারে।

সাংহাই থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

ছয় বছর পর এই প্রথম কোনো দক্ষিণ কোরীয় নেতা চীন সফর করলেন।

সোমবার বেইজিংয়ে সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন লি। এর একদিন আগেই পরমাণু অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়া জাপান সাগরে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

সফর শেষ করে সাংহাইয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে লি বলেন, পিয়ংইয়ংকে আবার আলোচনার টেবিলে ফেরাতে তিনি বেইজিংয়ের ভূমিকা চেয়েছেন।

লি বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচিসহ কোরীয় উপদ্বীপসংক্রান্ত বিষয়ে আমি চাই চীন মধ্যস্থতার ভূমিকা নিক। আমাদের সব যোগাযোগের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আশা করি চীন শান্তির জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করবে।’

লি জানান, জবাবে চীনের নেতা সিউলকে পিয়ংইয়ংয়ের বিষয়ে ‘ধৈর্য’ ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। দুই কোরিয়ার সম্পর্ক বর্তমানে খুবই নাজুক- বিষয়টি বিবেচনায় নিতে বলেছেন তিনি।

লি বলেন,  তারা ঠিকই বলেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে আমরা এমন সামরিক তৎপরতা চালিয়েছি, যা উত্তর কোরিয়া হুমকি হিসেবে দেখেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট জানান, এক পরিকল্পনার কথা তিনি তুলে ধরেছেন, যার আওতায় ‘ক্ষতিপূরণের’ বিনিময়ে পিয়ংইয়ং তাদের পরমাণু কর্মসূচি স্থগিত করবে।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান অবস্থানেই থেমে থাকা—আর কোনো পরমাণু অস্ত্র উৎপাদন না করা, বিদেশে পারমাণবিক উপাদান স্থানান্তর না করা এবং আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন বন্ধ রাখা—এটাই বড় সাফল্য হবে।’

এ সময় তিনি আইসিবিএম বা আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা উল্লেখ করেন।

লি আরো বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদে পরমাণুমুক্ত কোরীয় উপদ্বীপের লক্ষ্য আমাদের কখনোই ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।’

তিনি জানান, এই বার্তাগুলো পিয়ংইয়ংয়ের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি বেইজিংকে অনুরোধ করেছেন। আর এসব বিষয়ে চীনের পক্ষ থেকেও ‘ঐকমত্য’ পাওয়া গেছে।

আন্তর্জাতিক ডেক্স :

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬,  3:50 PM

news image

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে বেইজিংয়ের সহায়তা চেয়ে তিনি চীনের নেতা সি সিনপিংকে অনুরোধ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ‘ক্ষতিপূরণের’ বিনিময়ে কর্মসূচি স্থগিতের পথও খোলা থাকতে পারে।

সাংহাই থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।

ছয় বছর পর এই প্রথম কোনো দক্ষিণ কোরীয় নেতা চীন সফর করলেন।

সোমবার বেইজিংয়ে সি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন লি। এর একদিন আগেই পরমাণু অস্ত্রধারী উত্তর কোরিয়া জাপান সাগরে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।

সফর শেষ করে সাংহাইয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে লি বলেন, পিয়ংইয়ংকে আবার আলোচনার টেবিলে ফেরাতে তিনি বেইজিংয়ের ভূমিকা চেয়েছেন।

লি বলেন, ‘উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কর্মসূচিসহ কোরীয় উপদ্বীপসংক্রান্ত বিষয়ে আমি চাই চীন মধ্যস্থতার ভূমিকা নিক। আমাদের সব যোগাযোগের পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আশা করি চীন শান্তির জন্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করবে।’

লি জানান, জবাবে চীনের নেতা সিউলকে পিয়ংইয়ংয়ের বিষয়ে ‘ধৈর্য’ ধরার আহ্বান জানিয়েছেন। দুই কোরিয়ার সম্পর্ক বর্তমানে খুবই নাজুক- বিষয়টি বিবেচনায় নিতে বলেছেন তিনি।

লি বলেন,  তারা ঠিকই বলেছেন। দীর্ঘ সময় ধরে আমরা এমন সামরিক তৎপরতা চালিয়েছি, যা উত্তর কোরিয়া হুমকি হিসেবে দেখেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট জানান, এক পরিকল্পনার কথা তিনি তুলে ধরেছেন, যার আওতায় ‘ক্ষতিপূরণের’ বিনিময়ে পিয়ংইয়ং তাদের পরমাণু কর্মসূচি স্থগিত করবে।

তিনি বলেন, ‘বর্তমান অবস্থানেই থেমে থাকা—আর কোনো পরমাণু অস্ত্র উৎপাদন না করা, বিদেশে পারমাণবিক উপাদান স্থানান্তর না করা এবং আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন বন্ধ রাখা—এটাই বড় সাফল্য হবে।’

এ সময় তিনি আইসিবিএম বা আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের কথা উল্লেখ করেন।

লি আরো বলেন, ‘দীর্ঘমেয়াদে পরমাণুমুক্ত কোরীয় উপদ্বীপের লক্ষ্য আমাদের কখনোই ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়।’

তিনি জানান, এই বার্তাগুলো পিয়ংইয়ংয়ের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি বেইজিংকে অনুরোধ করেছেন। আর এসব বিষয়ে চীনের পক্ষ থেকেও ‘ঐকমত্য’ পাওয়া গেছে।