ঢাকা ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ১৯তম কারামুক্তি দিবস আজ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের মেয়াদের নিয়োগ ও বদলির নথি তলব করল দুদক অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি সেনার গুলিতে দুই ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত ডিএসইতে সূচকের চাঙ্গা ভাব, লেনদেন ৭২০ কোটি টাকা পার ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২৫২ বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদের প্রয়াণে শোক ও দোয়া মাহফিল চরভদ্রাসনে শিক্ষার মানোন্নয়ন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে অভিভাবক সমাবেশ শাল্লায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর ৪ দিন অনশন, সমাধানে ব্যর্থ স্থানীয়রা বড়লেখায় নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত পিরোজপুরে কদমতলা ইউনিয়নের দুই বিএনপি নেতার মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

বড়লেখা- জুড়ি আসনে চা-শ্রমিকের ভোট আদায়ে মরিয়া প্রার্থীরা

#
news image

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিভিন্নভাবে অবজ্ঞা আর অবহেলায় দিনাতিপাত করছেন চা-শ্রমিকরা। বিপ্লবের পর বিপ্লব হয়—দেশের অবস্থার পরিবর্তন হলেও তাঁদের ভাগ্যে জোটে না স্থায়ী বসবাসের জমি। মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত এই শ্রমিকদের ভোট নিতে প্রার্থীরা ভোটের সময় নানা রঙিন স্বপ্ন দেখান।

বড়লেখা-জুড়ি দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার -১ আসন। সাধারন ভোটারদের ধারনা নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে এখানে বড় ফ্যাক্টর চা-শ্রমিকদের ভোট। চা-বাগানের শ্রমিকদের ভোট প্রার্থীদের জয়ের ব্যাপারে বিশেষ ভূমিকা রাখে। আগে এখানে বরাবরই নৌকার প্রার্থী নিরঙ্কুশ জয়ী হতেন।

কিন্তু আসন্ন নৌকাবিহীন নির্বাচনে চা-শ্রমিকদের ভোট আদায় করে নিতে মরিয়া ভোটের মাঠে থাকা রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা।মৌলভীবাজার-১আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী নাসির উদ্দীন আহমদ মিঠু,জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোট  প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম এবং আল ইসলাহ মনোনীত স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমদ —এই তিনজনের মধ্যে নির্বাচনী লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। এ ছাড়া এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরো ৩ জন প্রার্থী।

এ বিষয়ে চা-শ্রমিক লক্ষী রাণী বলেন, ‘ভোট দিয়ে কী করব! যারা আমাদের ভোট নিয়ে উন্নয়ন করে না, তাদের ভোট দিয়ে কী লাভ? আমরা সাধারণ চা-শ্রমিক।

ভোট আসলে আমাদের কাছে প্রার্থীরা এসে দিদি, মাসি ডেকে বলে, আপনাদের এই করে দেব, সেই করে দেব। কিন্তু ভোট আদায় করে তারা আর আমাদের খোঁজই রাখে না। সর্বোপরি আমাদের শুধু ব্যবহার করা হয়।’

সমনবাগ বাগানের চা-শ্রমিক বিপুল বলেন, ‘ভোট আসলেই আমাদের কদর বাড়ে। কিন্তু কোনোভাবেই আমাদের দীর্ঘদিনের দুর্দশা থেকে মুক্তি পাই না।

স্বপ্না রাণী বলেন, ‘তারা মনে করে আমরা ভোটের মেশিন। স্বার্থ শেষ হয়ে গেলে কেউ আমাদের জিজ্ঞেস করে না। এইবার কিন্তু আমরা সব বুঝি, লাম-সাম দিয়ে আমাদের বোঝানো যাবে না। চিন্তা-ভাবনা করেই ভোট দিমু।’

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :

০১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  2:51 PM

news image

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বিভিন্নভাবে অবজ্ঞা আর অবহেলায় দিনাতিপাত করছেন চা-শ্রমিকরা। বিপ্লবের পর বিপ্লব হয়—দেশের অবস্থার পরিবর্তন হলেও তাঁদের ভাগ্যে জোটে না স্থায়ী বসবাসের জমি। মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত এই শ্রমিকদের ভোট নিতে প্রার্থীরা ভোটের সময় নানা রঙিন স্বপ্ন দেখান।

বড়লেখা-জুড়ি দুই উপজেলা নিয়ে গঠিত মৌলভীবাজার -১ আসন। সাধারন ভোটারদের ধারনা নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে এখানে বড় ফ্যাক্টর চা-শ্রমিকদের ভোট। চা-বাগানের শ্রমিকদের ভোট প্রার্থীদের জয়ের ব্যাপারে বিশেষ ভূমিকা রাখে। আগে এখানে বরাবরই নৌকার প্রার্থী নিরঙ্কুশ জয়ী হতেন।

কিন্তু আসন্ন নৌকাবিহীন নির্বাচনে চা-শ্রমিকদের ভোট আদায় করে নিতে মরিয়া ভোটের মাঠে থাকা রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা।মৌলভীবাজার-১আসনে বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী নাসির উদ্দীন আহমদ মিঠু,জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোট  প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম এবং আল ইসলাহ মনোনীত স্বতন্ত্র প্রার্থী মুফতি বেলাল আহমদ —এই তিনজনের মধ্যে নির্বাচনী লড়াই হবে বলে মনে করছেন ভোটাররা। এ ছাড়া এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরো ৩ জন প্রার্থী।

এ বিষয়ে চা-শ্রমিক লক্ষী রাণী বলেন, ‘ভোট দিয়ে কী করব! যারা আমাদের ভোট নিয়ে উন্নয়ন করে না, তাদের ভোট দিয়ে কী লাভ? আমরা সাধারণ চা-শ্রমিক।

ভোট আসলে আমাদের কাছে প্রার্থীরা এসে দিদি, মাসি ডেকে বলে, আপনাদের এই করে দেব, সেই করে দেব। কিন্তু ভোট আদায় করে তারা আর আমাদের খোঁজই রাখে না। সর্বোপরি আমাদের শুধু ব্যবহার করা হয়।’

সমনবাগ বাগানের চা-শ্রমিক বিপুল বলেন, ‘ভোট আসলেই আমাদের কদর বাড়ে। কিন্তু কোনোভাবেই আমাদের দীর্ঘদিনের দুর্দশা থেকে মুক্তি পাই না।

স্বপ্না রাণী বলেন, ‘তারা মনে করে আমরা ভোটের মেশিন। স্বার্থ শেষ হয়ে গেলে কেউ আমাদের জিজ্ঞেস করে না। এইবার কিন্তু আমরা সব বুঝি, লাম-সাম দিয়ে আমাদের বোঝানো যাবে না। চিন্তা-ভাবনা করেই ভোট দিমু।’