হামলার পর যুবকের আত্মহত্যা, আহত এক
বিপুল চন্দ, ফরিদপুর প্রতিনিধি :
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 2:56 PM
হামলার পর যুবকের আত্মহত্যা, আহত এক
ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন পশ্চিম খাবাসপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় এক যুবকের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার পর অপর যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
গতকাল মঙ্গলবার সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ আরিফ (২৫) নামের এক ব্যক্তি পশ্চিম খাবাসপুর মিয়া বাড়ির সড়কে মজিবর মিয়ার বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। তিনি এসিআই প্লাস্টিক কোম্পানির জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। একই বাসার অপর কক্ষে ভাড়া থাকতেন মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), পেশায় একটি পরিবেশক প্রতিষ্ঠানের ড্রাইভার।
ঘটনার সময় আরিফ তার কক্ষে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় জাহাঙ্গীর আলম ধারালো দা নিয়ে তাকে জিম্মি করে ঘরের লোকজন ডাকতে বলেন। একপর্যায়ে আরিফ দরজা খুলতে গেলে জাহাঙ্গীর তাকে পেছন থেকে কোপ মারেন। এতে তার মাথা ও হাতে গুরুতর জখম হয়। পরে তিনি কৌশলে ঘর থেকে বের হয়ে দেয়াল টপকে রাস্তায় এসে সাহায্য চাইলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন।
এদিকে হামলার পর জাহাঙ্গীর আলম নিজ কক্ষে দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সাথে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালি থানার এসআই আতিকুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বিপুল চন্দ, ফরিদপুর প্রতিনিধি :
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 2:56 PM
ফরিদপুর সদর উপজেলার কোতোয়ালি থানাধীন পশ্চিম খাবাসপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় এক যুবকের উপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার পর অপর যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
গতকাল মঙ্গলবার সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোহাম্মদ আরিফ (২৫) নামের এক ব্যক্তি পশ্চিম খাবাসপুর মিয়া বাড়ির সড়কে মজিবর মিয়ার বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন। তিনি এসিআই প্লাস্টিক কোম্পানির জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। একই বাসার অপর কক্ষে ভাড়া থাকতেন মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৫), পেশায় একটি পরিবেশক প্রতিষ্ঠানের ড্রাইভার।
ঘটনার সময় আরিফ তার কক্ষে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় জাহাঙ্গীর আলম ধারালো দা নিয়ে তাকে জিম্মি করে ঘরের লোকজন ডাকতে বলেন। একপর্যায়ে আরিফ দরজা খুলতে গেলে জাহাঙ্গীর তাকে পেছন থেকে কোপ মারেন। এতে তার মাথা ও হাতে গুরুতর জখম হয়। পরে তিনি কৌশলে ঘর থেকে বের হয়ে দেয়াল টপকে রাস্তায় এসে সাহায্য চাইলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন।
এদিকে হামলার পর জাহাঙ্গীর আলম নিজ কক্ষে দরজা বন্ধ করে ফ্যানের সাথে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
সংবাদ পেয়ে কোতোয়ালি থানার এসআই আতিকুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সম্পর্কিত