ঢাকা ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
বগুড়া গাবতলী উপজেলাতে গলাকাটা মরদেহ গাজীপুরে ভাড়া বাসায় পোশাক শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার দেশব্যাপী হত্যা-ধর্ষণ ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বাগেরহাটে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ মিছিল জামানত হারালেন নীলফামারীর ৪টি আসনের ১৮ প্রার্থী  নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থীর জয়, মন্ত্রীত্বের দাবিতে সামাজিক মাধ্যমে জোর আলোচনা সুষ্ঠু ও ঐতিহাসিক নির্বাচন আয়োজন করায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি উপদেষ্টা পরিষদে ধন্যবাদ জ্ঞাপন মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ ভবন কমপ্লেক্সে মন্ত্রিসভার শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি নওগাঁর মানুষ মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান জাহিদুল ইসলাম ধলুকে  মৌলভীবাজার-১ আসন: পরাজয়কে বিজয় হিসাবে দেখছে জামায়াত বাসন মেট্রোথানা বিএনপির ভালোবাসায় সিক্ত নব নির্বাচিত এমপি মজিবুর রহমান 

নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থীর জয়, মন্ত্রীত্বের দাবিতে সামাজিক মাধ্যমে জোর আলোচনা

#
news image

নোয়াখালী জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় এলাকা নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট ও সদর উপজেলার আংশিক অশ্বদিয়া ও নেয়াজপুর ইউনিয়ন) বরাবরই দেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে আসছে। 
 
সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হওয়ায় জেলায় নতুন রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
 
কেন নোয়াখালী-৫ ‘ভিআইপি’ আসন ?
নোয়াখালী-৫ আসনকে রাজনৈতিক মহলে ‘ভিআইপি আসন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় মূলত দুই প্রভাবশালী জাতীয় নেতার কারণে।
 
এই আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জাতীয় পর্যায়ে প্রভাবের কারণে আসনটি বিশেষ মর্যাদা পায়।
 
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদেরও এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে একাধিকবার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে দুই বড় দলের শীর্ষ নেতাদের প্রতিনিধিত্বের কারণে নোয়াখালী-৫ জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করেছে দীর্ঘদিন।
 
ফখরুল ইসলামের বিজয় ও নতুন প্রত্যাশা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বিজয়ের পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
 
সামাজিক মাধ্যমে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যে দেখা যাচ্ছে,দলীয় প্রধান তারেক রহমান এবং বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে দাবি জানানো হচ্ছে, প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের আসনের ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামকে মন্ত্রীত্ব দেওয়া হোক।
 
স্থানীয়দের মতে, নোয়াখালী-৫ আসন বরাবরই জাতীয় নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্ব করেছে। তাই এই আসন থেকে নির্বাচিত বর্তমান সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।
 
সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোয়াখালীর তরুণ প্রজন্ম ও রাজনৈতিক সচেতন নাগরিকরা লিখছেন,নোয়াখালী-৫ আসনের মর্যাদা ধরে রাখতে হলে এই আসনের জনপ্রতিনিধিকে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
 
অনেকে মনে করছেন, এটি শুধু ব্যক্তি ফখরুল ইসলামের বিষয় নয়; বরং বৃহত্তর নোয়াখালীর রাজনৈতিক অবস্থান ও মর্যাদার প্রশ্ন।
 
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের  মতে, মন্ত্রিত্ব প্রদান সম্পূর্ণভাবে দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে কোনো আসনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব, রাজনৈতিক বার্তা ও আঞ্চলিক ভারসাম্য এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে দলগুলো অনেক সময় মন্ত্রিসভা গঠন করে থাকে। 
 
নোয়াখালী-৫ আসনের অতীত রেকর্ড এবং জাতীয় রাজনীতিতে এর প্রভাব বিবেচনায় বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে।
 
নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থীর বিজয় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়,দলীয় হাইকমান্ড স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাকে কতটা গুরুত্ব দেয়। আপাতত সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার ঝড় অব্যাহত রয়েছে, আর নোয়াখালীর মানুষের চোখ এখন কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে।

নোয়াখালী প্রতিনিধি :

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  11:53 PM

news image

নোয়াখালী জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় এলাকা নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট ও সদর উপজেলার আংশিক অশ্বদিয়া ও নেয়াজপুর ইউনিয়ন) বরাবরই দেশের রাজনীতিতে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে আসছে। 
 
সম্প্রতি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হওয়ায় জেলায় নতুন রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
 
কেন নোয়াখালী-৫ ‘ভিআইপি’ আসন ?
নোয়াখালী-৫ আসনকে রাজনৈতিক মহলে ‘ভিআইপি আসন’ হিসেবে বিবেচনা করা হয় মূলত দুই প্রভাবশালী জাতীয় নেতার কারণে।
 
এই আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ। তিনি বিভিন্ন সময়ে মন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও জাতীয় পর্যায়ে প্রভাবের কারণে আসনটি বিশেষ মর্যাদা পায়।
 
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ নেতা ওবায়দুল কাদেরও এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে একাধিকবার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ফলে দুই বড় দলের শীর্ষ নেতাদের প্রতিনিধিত্বের কারণে নোয়াখালী-৫ জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করেছে দীর্ঘদিন।
 
ফখরুল ইসলামের বিজয় ও নতুন প্রত্যাশা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বিজয়ের পর স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
 
সামাজিক মাধ্যমে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পোস্ট ও মন্তব্যে দেখা যাচ্ছে,দলীয় প্রধান তারেক রহমান এবং বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে দাবি জানানো হচ্ছে, প্রয়াত ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের আসনের ঐতিহ্য ও রাজনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামকে মন্ত্রীত্ব দেওয়া হোক।
 
স্থানীয়দের মতে, নোয়াখালী-৫ আসন বরাবরই জাতীয় নেতৃত্বের প্রতিনিধিত্ব করেছে। তাই এই আসন থেকে নির্বাচিত বর্তমান সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আরও ত্বরান্বিত হবে।
 
সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া, ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোয়াখালীর তরুণ প্রজন্ম ও রাজনৈতিক সচেতন নাগরিকরা লিখছেন,নোয়াখালী-৫ আসনের মর্যাদা ধরে রাখতে হলে এই আসনের জনপ্রতিনিধিকে জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
 
অনেকে মনে করছেন, এটি শুধু ব্যক্তি ফখরুল ইসলামের বিষয় নয়; বরং বৃহত্তর নোয়াখালীর রাজনৈতিক অবস্থান ও মর্যাদার প্রশ্ন।
 
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের  মতে, মন্ত্রিত্ব প্রদান সম্পূর্ণভাবে দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে কোনো আসনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব, রাজনৈতিক বার্তা ও আঞ্চলিক ভারসাম্য এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে দলগুলো অনেক সময় মন্ত্রিসভা গঠন করে থাকে। 
 
নোয়াখালী-৫ আসনের অতীত রেকর্ড এবং জাতীয় রাজনীতিতে এর প্রভাব বিবেচনায় বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে।
 
নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থীর বিজয় নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করেছে। এখন দেখার বিষয়,দলীয় হাইকমান্ড স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাকে কতটা গুরুত্ব দেয়। আপাতত সামাজিক মাধ্যমে আলোচনার ঝড় অব্যাহত রয়েছে, আর নোয়াখালীর মানুষের চোখ এখন কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দিকে।