ঢাকা ২৪ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন চট্টগ্রামে বন্যায় ১৫ উপজেলা লণ্ডভণ্ড: ৭ লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত, ঘরবাড়ি ও সড়কের ব্যাপক ক্ষতি গাজীপুরে ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শতভাগ ফিট ইয়ামাল, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ফাইনালের আগে স্বস্তিতে স্পেন দেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, ২৪ ঘণ্টায় আরও একজনের মৃত্যু শাল্লায় আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মূলহোতা তাফাজ্জুল গ্রেপ্তার কনেবাহী গাড়ি খাদে ,উৎসবের রাতেই বিষাদের ছায়া, নিহত ২ চরভদ্রাসনে হিউম্যান অ্যাপেল অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে ৫০০ বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ

মৌলভীবাজার-১ আসন: পরাজয়কে বিজয় হিসাবে দেখছে জামায়াত

#
news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী) আসনের  ২৬-২৭ বছরের ব্যবধানে অন্তত ৫০ হাজার ভোট বৃদ্ধিতে পরাজয়েও হতাশ নয় দলটির প্রার্থী, নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বরং বিজয়ী না হয়েও যেন তারা জয়ের স্বাদ পাচ্ছেন।

স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথমবার ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ আসনে প্রার্থী দেয় জামায়াতে ইসলামী। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমীর ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মালিককে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী করা হয়। ওই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামির প্রার্থীর ভোটের অংক দশ হাজারও পাড়ি দেয়নি। এরপর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় ঐক্যজোটের (বিএনপির) শরীক দল হিসেবে প্রার্থী দেয়নি জামায়াত। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জোটগত কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি জামায়াতে ইসলামী।তারপর জামায়াতে ইসলামী প্রায় ১৭ বছর কঠিন সময় পার করে। হামলা-মামলা, জেল-জুলুম মাথায় নিয়ে ভেতরে ভেতরে সুসংঠিত হতে থাকে। যার চমক দেখা গেল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল কল্পনাও করেনি জামায়াতে ইসলামীর এত উত্থান ঘটবে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বড়লেখা উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌসভার মোট ৬৯টি ভোটকেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লার (১১ দলীয় জোট) প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বিএনপির প্রার্থীর চেয়ে ৪১০ ভোট বেশি পেয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৫৬,১৭০ ও বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদের প্রাপ্ত ভোট ৫৫,৭৬০। কিন্তু জুড়ী উপজেলার ৬ ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের একিভুত হিসাবে ১৫,২৬৯ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম। আসনটির একিভুত হিসাব অনুযায়ি ধানের শীষের প্রাপ্ত ভোট ৯৮,২৮২ ও দাঁড়িপাল্লার প্রাপ্ত ভোট ৮৩,০১৩।

বড়লেখা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী হেরে গেলেও আমরা হতাশ নই, অস্বাভাবিক জনসমর্থন মিলেছে। এই পরাজয়কে আমরা বিজয় হিসেবে দেখছি। জামায়াতে ইসলামী সব ভোটারগণের অবদান স্মরণ রাখবে, অতীতের চেয়ে আরো বেশি কাছে পাবেন।

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  4:02 AM

news image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা ও জুড়ী) আসনের  ২৬-২৭ বছরের ব্যবধানে অন্তত ৫০ হাজার ভোট বৃদ্ধিতে পরাজয়েও হতাশ নয় দলটির প্রার্থী, নেতাকর্মী ও সমর্থকরা বরং বিজয়ী না হয়েও যেন তারা জয়ের স্বাদ পাচ্ছেন।

স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথমবার ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-১ আসনে প্রার্থী দেয় জামায়াতে ইসলামী। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর তৎকালীন আমীর ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মালিককে সংসদ সদস্য পদে প্রার্থী করা হয়। ওই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামির প্রার্থীর ভোটের অংক দশ হাজারও পাড়ি দেয়নি। এরপর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় ঐক্যজোটের (বিএনপির) শরীক দল হিসেবে প্রার্থী দেয়নি জামায়াত। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জোটগত কারণে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেনি জামায়াতে ইসলামী।তারপর জামায়াতে ইসলামী প্রায় ১৭ বছর কঠিন সময় পার করে। হামলা-মামলা, জেল-জুলুম মাথায় নিয়ে ভেতরে ভেতরে সুসংঠিত হতে থাকে। যার চমক দেখা গেল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফলে। প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দল কল্পনাও করেনি জামায়াতে ইসলামীর এত উত্থান ঘটবে।

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বড়লেখা উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌসভার মোট ৬৯টি ভোটকেন্দ্রে দাঁড়িপাল্লার (১১ দলীয় জোট) প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম বিএনপির প্রার্থীর চেয়ে ৪১০ ভোট বেশি পেয়েছেন। তার প্রাপ্ত ভোট ৫৬,১৭০ ও বিএনপি প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমেদের প্রাপ্ত ভোট ৫৫,৭৬০। কিন্তু জুড়ী উপজেলার ৬ ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোটের একিভুত হিসাবে ১৫,২৬৯ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান জামায়াত প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলাম। আসনটির একিভুত হিসাব অনুযায়ি ধানের শীষের প্রাপ্ত ভোট ৯৮,২৮২ ও দাঁড়িপাল্লার প্রাপ্ত ভোট ৮৩,০১৩।

বড়লেখা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমীর ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এমাদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী হেরে গেলেও আমরা হতাশ নই, অস্বাভাবিক জনসমর্থন মিলেছে। এই পরাজয়কে আমরা বিজয় হিসেবে দেখছি। জামায়াতে ইসলামী সব ভোটারগণের অবদান স্মরণ রাখবে, অতীতের চেয়ে আরো বেশি কাছে পাবেন।