ঢাকা ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
শিরোনামঃ
ইউপি চেয়ারম্যান থেকে জিসিসির প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার, নেতাকর্মীদের আনন্দ উচ্ছ্বাস  ইউপি চেয়ারম্যান থেকে জিসিসির প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার, নেতাকর্মীদের আনন্দ উচ্ছ্বাস  শহীদ জিয়া ও বেগম জিয়ার কবরে ডিএনসিসি প্রশাসকের শ্রদ্ধা অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকির নামে ফেসবুকে গুজব : অর্থ মন্ত্রণালয়ের সতর্কবার্তা রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব হিসেবে সারওয়ার আলমের নিয়োগ ১৪ উপজেলায় পাইলটিংয়ের মাধ্যমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শুরু ১০ মার্চ বাতিলকৃত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করা যাবে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রবাসী আয় ২ হাজার ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ২৩.৬ শতাংশ ডেঙ্গুতে আরও ১২ জন হাসপাতালে ভর্তি ব্রাজিলে ভারী বৃষ্টিপাতে অন্তত ১৪ জনের প্রাণহানি

বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার মান দেখতে যান নাসির উদ্দিন মিঠু এম পি

#
news image

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ঢাকায় শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই নিজ এলাকায় ফিরলেন মৌলভীবাজার-১(বড়লেখা-জুড়ি) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নাসির উদ্দিন মিঠু । এলাকায় ফিরেই তিনি সরাসরি ছুটে গেলেন বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, জনগণের চিকিৎসাসেবার প্রকৃত অবস্থা নিজের চোখে দেখতে।

সেমবার দুপুরে  দলীয় নেতা–কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নাসির উদ্দিন যান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।সেখানে গিয়ে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন; খোঁজ নেন চিকিৎসা ও সেবার মান সম্পর্কে। অনেকের শয্যার পাশে দাঁড়িয়ে মনোযোগ দিয়ে অভিযোগ ও অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

পরে হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলেন নাসির উদ্দিন। তাঁদের কাছ থেকে জনবল–সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও অ্যাম্বুলেন্স সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিতভাবে শোনেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী অফিসার গালিব চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,ডা.ফেরদৌস আক্তার, বর্নী ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু, জুনি: কন: ও এ্যানেস্থেশিওলজি ডা. রামেন্দ্র সিংহ, জুনিয়র কন: গাইনি ডা.প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য্য, নার্সিং সুপারভাইজার প্রতিভা মন্ডল, প্রধান সহকারী মো : সেলিম রেজা পরিসংখ্যানবিদ সুমন দাশ প্রমুখ। 

হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘ঢাকায় শপথ নেওয়ার পর আমার মনে হচ্ছিল, যত দ্রুত সম্ভব নিজের এলাকায় ফিরতে হবে। কারণ, এই মানুষগুলোর ভোটেই আমি সংসদ সদস্য হয়েছি। তাই আনুষ্ঠানিকতা নয়, কাজ দিয়েই দায়িত্ব শুরু করতে চেয়েছি। এলাকায় ঢুকেই মনে হলো, প্রথমে হাসপাতালে যাই। মানুষের চিকিৎসাসেবা কেমন চলছে, সেটা নিজের চোখে না দেখলে বোঝা যাবে না।’

হাসপাতালে নাসিমা আক্তার নামের এক রোগী বলেন, ‘এমপি সাহেব নিজে এসে আমাদের খোঁজখবর নিয়েছেন, চিকিৎসা ঠিকমতো পাচ্ছি কি না জিজ্ঞেস করেছেন। তিনি যদি কথাগুলো রাখেন, তাহলে হাসপাতালের অবস্থা অনেক ভালো হবে।’

হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এখানে এসে দেখলাম চিকিৎসক ও নার্সের ঘাটতি রয়েছে, তারপরও চিকিৎসকেরা আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। আমি খুব দ্রুত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করব। প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলেন নাসির উদ্দিন আহমেদ মিটু। তাঁদের কাছ থেকে জনবল–সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও অ্যাম্বুলেন্স সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিতভাবে শোনেন।স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,ডা. ফেরদৌস আক্তার বলেন, সংসদ সদস্যের পরিদর্শন আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা। আমরা দীর্ঘদিন ধরে জনবল ও অবকাঠামোগত সংকটের মধ্যে কাজ করছি। বিষয়গুলো তাঁকে খোলামেলাভাবে জানিয়েছি। তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা আশাবাদী, বাস্তব পরিবর্তন আসবে।

হানিফ পারভেজ, বড়লেখা (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :

২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  9:27 PM

news image

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ঢাকায় শপথ গ্রহণের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেই নিজ এলাকায় ফিরলেন মৌলভীবাজার-১(বড়লেখা-জুড়ি) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) নাসির উদ্দিন মিঠু । এলাকায় ফিরেই তিনি সরাসরি ছুটে গেলেন বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, জনগণের চিকিৎসাসেবার প্রকৃত অবস্থা নিজের চোখে দেখতে।

সেমবার দুপুরে  দলীয় নেতা–কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে নাসির উদ্দিন যান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।সেখানে গিয়ে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন; খোঁজ নেন চিকিৎসা ও সেবার মান সম্পর্কে। অনেকের শয্যার পাশে দাঁড়িয়ে মনোযোগ দিয়ে অভিযোগ ও অভিজ্ঞতার কথা শোনেন।

পরে হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলেন নাসির উদ্দিন। তাঁদের কাছ থেকে জনবল–সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও অ্যাম্বুলেন্স সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিতভাবে শোনেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী অফিসার গালিব চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,ডা.ফেরদৌস আক্তার, বর্নী ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, প্রেসক্লাব সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান খছরু, জুনি: কন: ও এ্যানেস্থেশিওলজি ডা. রামেন্দ্র সিংহ, জুনিয়র কন: গাইনি ডা.প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য্য, নার্সিং সুপারভাইজার প্রতিভা মন্ডল, প্রধান সহকারী মো : সেলিম রেজা পরিসংখ্যানবিদ সুমন দাশ প্রমুখ। 

হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে নাসির উদ্দিন বলেন, ‘ঢাকায় শপথ নেওয়ার পর আমার মনে হচ্ছিল, যত দ্রুত সম্ভব নিজের এলাকায় ফিরতে হবে। কারণ, এই মানুষগুলোর ভোটেই আমি সংসদ সদস্য হয়েছি। তাই আনুষ্ঠানিকতা নয়, কাজ দিয়েই দায়িত্ব শুরু করতে চেয়েছি। এলাকায় ঢুকেই মনে হলো, প্রথমে হাসপাতালে যাই। মানুষের চিকিৎসাসেবা কেমন চলছে, সেটা নিজের চোখে না দেখলে বোঝা যাবে না।’

হাসপাতালে নাসিমা আক্তার নামের এক রোগী বলেন, ‘এমপি সাহেব নিজে এসে আমাদের খোঁজখবর নিয়েছেন, চিকিৎসা ঠিকমতো পাচ্ছি কি না জিজ্ঞেস করেছেন। তিনি যদি কথাগুলো রাখেন, তাহলে হাসপাতালের অবস্থা অনেক ভালো হবে।’

হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এখানে এসে দেখলাম চিকিৎসক ও নার্সের ঘাটতি রয়েছে, তারপরও চিকিৎসকেরা আন্তরিকতার সঙ্গে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের এই প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানাই। আমি খুব দ্রুত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করব। প্রয়োজনীয় জনবল বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের সঙ্গে কথা বলেন নাসির উদ্দিন আহমেদ মিটু। তাঁদের কাছ থেকে জনবল–সংকট, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, যন্ত্রপাতির ঘাটতি ও অ্যাম্বুলেন্স সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয় বিস্তারিতভাবে শোনেন।স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা,ডা. ফেরদৌস আক্তার বলেন, সংসদ সদস্যের পরিদর্শন আমাদের জন্য ইতিবাচক বার্তা। আমরা দীর্ঘদিন ধরে জনবল ও অবকাঠামোগত সংকটের মধ্যে কাজ করছি। বিষয়গুলো তাঁকে খোলামেলাভাবে জানিয়েছি। তিনি মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আমরা আশাবাদী, বাস্তব পরিবর্তন আসবে।