ঢাকা ২৫ জুলাই, ২০২৬
শিরোনামঃ
গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  গাজীপুরে কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারাগাছ বিতরণ  রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার গুরুতর অসুস্থতার কারণে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন ইতিহাসের বৃহত্তম ফুটবল উৎসবের সমাপনী: স্পেনের সামনে আর্জেন্টিনা, প্রস্তুত নিউ ইয়র্ক ইরানি হামলায় জ্বলছে কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি পরিশোধন কেন্দ্র ব্যবসায় আধুনিক প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বিসিসিসিআইয়ের সেমিনার: গুরুত্ব পেল এআই ও ব্লকচেইন

নাসিরনগরে মৃত্যুর ফাঁদ: মাথার ওপরে ঝুলছে পল্লী বিদ্যুতের তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

#
news image

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চরম অবহেলার চিত্র ফুটে উঠেছে। ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ফকিরা মুড়া গোরস্থান সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুতের মূল লাইনের তার মানুষের মাথার মাত্র ২ হাত ওপর দিয়ে ঝুলে আছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।
​স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তারগুলো এভাবে ঝুলে থাকলেও বিদ্যুৎ অফিস কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গোরস্থান সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় মৃতদেহ দাফনের জন্য ‘লাশের খাটিয়া’ নিয়ে যাওয়ার সময় বিপত্তি সবচেয়ে বেশি ঘটে। খাটিয়া উঁচুতে থাকায় বিদ্যুতের তারে লেগে ইতোমধ্যে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।
​এছাড়া, এই ঝুঁকিপূর্ণ লাইনের পাশেই অবস্থিত একটি মাদ্রাসা, যেখানে প্রায় দুই শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত যাতায়াত ও পড়াশোনা করে। কোমলমতি শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি এখন চরম হুমকির মুখে।
​এলাকাবাসীর দাবি, সমস্যাটি সমাধানের জন্য বার বার স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। কিন্তু বারবার ধর্ণা দিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কর্মকর্তাদের এই উদাসীনতাকে ‘জনগণের জীবনের সাথে ছিনিমিনি’ বলে অভিহিত করেছেন স্থানীয়রা।
​"আমরা আতঙ্কে থাকি কখন কার ওপর তার ছিঁড়ে পড়ে বা কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। বিশেষ করে জানাজা বা দাফনের সময় খাটিয়া নিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমরা দ্রুত এই লাইনের উচ্চতা বাড়ানোর দাবি জানাই।" — স্থানীয় এক ভুক্তভোগী।
​বিদ্যুৎ লাইনের এই বিপজ্জনক অবস্থার কারণে যেকোনো সময় বড় কোনো অগ্নিকাণ্ড বা প্রাণহানি ঘটতে পারে। ধরমন্ডল ইউনিয়নের সচেতন মহল ও এলাকাবাসী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

নাসিরনগর  (​ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধি :

০৬ মার্চ, ২০২৬,  5:48 PM

news image

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চরম অবহেলার চিত্র ফুটে উঠেছে। ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ফকিরা মুড়া গোরস্থান সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুতের মূল লাইনের তার মানুষের মাথার মাত্র ২ হাত ওপর দিয়ে ঝুলে আছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।
​স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তারগুলো এভাবে ঝুলে থাকলেও বিদ্যুৎ অফিস কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গোরস্থান সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় মৃতদেহ দাফনের জন্য ‘লাশের খাটিয়া’ নিয়ে যাওয়ার সময় বিপত্তি সবচেয়ে বেশি ঘটে। খাটিয়া উঁচুতে থাকায় বিদ্যুতের তারে লেগে ইতোমধ্যে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।
​এছাড়া, এই ঝুঁকিপূর্ণ লাইনের পাশেই অবস্থিত একটি মাদ্রাসা, যেখানে প্রায় দুই শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত যাতায়াত ও পড়াশোনা করে। কোমলমতি শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি এখন চরম হুমকির মুখে।
​এলাকাবাসীর দাবি, সমস্যাটি সমাধানের জন্য বার বার স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। কিন্তু বারবার ধর্ণা দিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কর্মকর্তাদের এই উদাসীনতাকে ‘জনগণের জীবনের সাথে ছিনিমিনি’ বলে অভিহিত করেছেন স্থানীয়রা।
​"আমরা আতঙ্কে থাকি কখন কার ওপর তার ছিঁড়ে পড়ে বা কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। বিশেষ করে জানাজা বা দাফনের সময় খাটিয়া নিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমরা দ্রুত এই লাইনের উচ্চতা বাড়ানোর দাবি জানাই।" — স্থানীয় এক ভুক্তভোগী।
​বিদ্যুৎ লাইনের এই বিপজ্জনক অবস্থার কারণে যেকোনো সময় বড় কোনো অগ্নিকাণ্ড বা প্রাণহানি ঘটতে পারে। ধরমন্ডল ইউনিয়নের সচেতন মহল ও এলাকাবাসী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।