নাসিরনগরে মৃত্যুর ফাঁদ: মাথার ওপরে ঝুলছে পল্লী বিদ্যুতের তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী
নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধি :
০৬ মার্চ, ২০২৬, 5:48 PM
নাসিরনগরে মৃত্যুর ফাঁদ: মাথার ওপরে ঝুলছে পল্লী বিদ্যুতের তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চরম অবহেলার চিত্র ফুটে উঠেছে। ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ফকিরা মুড়া গোরস্থান সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুতের মূল লাইনের তার মানুষের মাথার মাত্র ২ হাত ওপর দিয়ে ঝুলে আছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তারগুলো এভাবে ঝুলে থাকলেও বিদ্যুৎ অফিস কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গোরস্থান সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় মৃতদেহ দাফনের জন্য ‘লাশের খাটিয়া’ নিয়ে যাওয়ার সময় বিপত্তি সবচেয়ে বেশি ঘটে। খাটিয়া উঁচুতে থাকায় বিদ্যুতের তারে লেগে ইতোমধ্যে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া, এই ঝুঁকিপূর্ণ লাইনের পাশেই অবস্থিত একটি মাদ্রাসা, যেখানে প্রায় দুই শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত যাতায়াত ও পড়াশোনা করে। কোমলমতি শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি এখন চরম হুমকির মুখে।
এলাকাবাসীর দাবি, সমস্যাটি সমাধানের জন্য বার বার স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। কিন্তু বারবার ধর্ণা দিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কর্মকর্তাদের এই উদাসীনতাকে ‘জনগণের জীবনের সাথে ছিনিমিনি’ বলে অভিহিত করেছেন স্থানীয়রা।
"আমরা আতঙ্কে থাকি কখন কার ওপর তার ছিঁড়ে পড়ে বা কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। বিশেষ করে জানাজা বা দাফনের সময় খাটিয়া নিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমরা দ্রুত এই লাইনের উচ্চতা বাড়ানোর দাবি জানাই।" — স্থানীয় এক ভুক্তভোগী।
বিদ্যুৎ লাইনের এই বিপজ্জনক অবস্থার কারণে যেকোনো সময় বড় কোনো অগ্নিকাণ্ড বা প্রাণহানি ঘটতে পারে। ধরমন্ডল ইউনিয়নের সচেতন মহল ও এলাকাবাসী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।
নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধি :
০৬ মার্চ, ২০২৬, 5:48 PM
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির চরম অবহেলার চিত্র ফুটে উঠেছে। ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ফকিরা মুড়া গোরস্থান সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুতের মূল লাইনের তার মানুষের মাথার মাত্র ২ হাত ওপর দিয়ে ঝুলে আছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তারগুলো এভাবে ঝুলে থাকলেও বিদ্যুৎ অফিস কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গোরস্থান সংলগ্ন এলাকা হওয়ায় মৃতদেহ দাফনের জন্য ‘লাশের খাটিয়া’ নিয়ে যাওয়ার সময় বিপত্তি সবচেয়ে বেশি ঘটে। খাটিয়া উঁচুতে থাকায় বিদ্যুতের তারে লেগে ইতোমধ্যে অনেকেই দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া, এই ঝুঁকিপূর্ণ লাইনের পাশেই অবস্থিত একটি মাদ্রাসা, যেখানে প্রায় দুই শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত যাতায়াত ও পড়াশোনা করে। কোমলমতি শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি এখন চরম হুমকির মুখে।
এলাকাবাসীর দাবি, সমস্যাটি সমাধানের জন্য বার বার স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। কিন্তু বারবার ধর্ণা দিয়েও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। কর্মকর্তাদের এই উদাসীনতাকে ‘জনগণের জীবনের সাথে ছিনিমিনি’ বলে অভিহিত করেছেন স্থানীয়রা।
"আমরা আতঙ্কে থাকি কখন কার ওপর তার ছিঁড়ে পড়ে বা কেউ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। বিশেষ করে জানাজা বা দাফনের সময় খাটিয়া নিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। আমরা দ্রুত এই লাইনের উচ্চতা বাড়ানোর দাবি জানাই।" — স্থানীয় এক ভুক্তভোগী।
বিদ্যুৎ লাইনের এই বিপজ্জনক অবস্থার কারণে যেকোনো সময় বড় কোনো অগ্নিকাণ্ড বা প্রাণহানি ঘটতে পারে। ধরমন্ডল ইউনিয়নের সচেতন মহল ও এলাকাবাসী উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।