বাগেরহাটে ইজারা নেওয়ার ১৭ বছর পরও দখল মেলেনি ‘ছয়বাকী খাল’, ক্ষতিপূরণ বা দখল ফেরতের দাবি
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
১২ মার্চ, ২০২৬, 12:05 AM
বাগেরহাটে ইজারা নেওয়ার ১৭ বছর পরও দখল মেলেনি ‘ছয়বাকী খাল’, ক্ষতিপূরণ বা দখল ফেরতের দাবি
বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বড় বাঁশবাড়িয়া ও বান্দাদিয়া মৌজায় অবস্থিত ‘ছয়বাকী খাল’ নামে একটি বদ্ধ জলাশয়কে কেন্দ্র করে নতুন করে দখল-বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইজারাকৃত ওই সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি জানিয়েছেন পদ্মা যুব উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি ইলিয়াস মল্লিক।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে সদর উপজেলার অধীনস্থ বড় বাঁশবাড়িয়া ও বান্দাদিয়া মৌজায় অবস্থিত প্রায় ৫ দশমিক ৫৭ একর আয়তনের ‘ছয়বাকী খাল’ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুযায়ী পদ্মা যুব উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের নামে ইজারা নেওয়া হয়। এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সমবায় সমিতির সভাপতি ইলিয়াস মল্লিক ওই জলাশয় ইজারা নেন।
ইলিয়াস মল্লিক অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে স্বৈরাচারী সরকারের সময় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি তাকে ওই সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করে দেয় এবং নানা ধরনের নির্যাতন চালায়। ফলে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে ইজারা নেওয়া সম্পত্তির ভোগদখল করতে পারেননি তিনি।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের পরিবর্তনের পর তিনি পুনরায় ওই সম্পত্তিতে গেলে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির বাধার মুখে পড়েন বলে অভিযোগ করেন। পরে বেড়িবাঁধের দুই পাশের দুটি ঘেরের একটি ডেমাপুর-বাঁশবাড়িয়া এলাকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই যোদ্ধা শহীদ আলিফ আহমেদ সিয়ামের পিতা বুলবুল আহমেদ ও তার পরিবারের তত্ত্বাবধানে নেওয়া হয়েছে। অন্য অংশ স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতার দখলে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি।
এ বিষয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, ইজারাকৃত সম্পত্তি যদি ভুক্তভোগীকে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে তার দেওয়া ইজারার সম্পূর্ণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবে ফেরত দেওয়া হোক।
এ ব্যাপারে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, “ইলিয়াস মল্লিক সমবায় সমিতির নামে ইজারা নেওয়ার পরও দীর্ঘদিন সম্পত্তির ভোগদখল করতে পারেননি এবং অতীতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সরকারি সম্পত্তি জোর করে দখল করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ বেআইনিভাবে সরকারি সম্পত্তি ভোগদখল করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সৈয়দ ওবায়দুল হোসেন, খুলনা বিভাগীয় ব্যুরো চিফ :
১২ মার্চ, ২০২৬, 12:05 AM
বাগেরহাট সদর উপজেলার ডেমা ইউনিয়নের বড় বাঁশবাড়িয়া ও বান্দাদিয়া মৌজায় অবস্থিত ‘ছয়বাকী খাল’ নামে একটি বদ্ধ জলাশয়কে কেন্দ্র করে নতুন করে দখল-বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইজারাকৃত ওই সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি জানিয়েছেন পদ্মা যুব উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি ইলিয়াস মল্লিক।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে সদর উপজেলার অধীনস্থ বড় বাঁশবাড়িয়া ও বান্দাদিয়া মৌজায় অবস্থিত প্রায় ৫ দশমিক ৫৭ একর আয়তনের ‘ছয়বাকী খাল’ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুযায়ী পদ্মা যুব উন্নয়ন সমবায় সমিতি লিমিটেডের নামে ইজারা নেওয়া হয়। এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে প্রায় ৮ লাখ টাকা ব্যয়ে সমবায় সমিতির সভাপতি ইলিয়াস মল্লিক ওই জলাশয় ইজারা নেন।
ইলিয়াস মল্লিক অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে স্বৈরাচারী সরকারের সময় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি তাকে ওই সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করে দেয় এবং নানা ধরনের নির্যাতন চালায়। ফলে দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর ধরে ইজারা নেওয়া সম্পত্তির ভোগদখল করতে পারেননি তিনি।
এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের পরিবর্তনের পর তিনি পুনরায় ওই সম্পত্তিতে গেলে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির বাধার মুখে পড়েন বলে অভিযোগ করেন। পরে বেড়িবাঁধের দুই পাশের দুটি ঘেরের একটি ডেমাপুর-বাঁশবাড়িয়া এলাকার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জুলাই যোদ্ধা শহীদ আলিফ আহমেদ সিয়ামের পিতা বুলবুল আহমেদ ও তার পরিবারের তত্ত্বাবধানে নেওয়া হয়েছে। অন্য অংশ স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতার দখলে রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর কোনো সমাধান হয়নি।
এ বিষয়ে এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, ইজারাকৃত সম্পত্তি যদি ভুক্তভোগীকে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে তার দেওয়া ইজারার সম্পূর্ণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসেবে ফেরত দেওয়া হোক।
এ ব্যাপারে বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ বলেন, “ইলিয়াস মল্লিক সমবায় সমিতির নামে ইজারা নেওয়ার পরও দীর্ঘদিন সম্পত্তির ভোগদখল করতে পারেননি এবং অতীতে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। সরকারি সম্পত্তি জোর করে দখল করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ বেআইনিভাবে সরকারি সম্পত্তি ভোগদখল করে থাকে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”