মরজিয়া সুলতানা পনু দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনীতির মাঠে অনুপস্থিত, তবু চান সংরক্ষিত নারী আসন !
পিরোজপুর প্রতিনিধি :
১৬ এপ্রিল, ২০২৬, 10:47 PM
মরজিয়া সুলতানা পনু দীর্ঘ ১৭ বছর রাজনীতির মাঠে অনুপস্থিত, তবু চান সংরক্ষিত নারী আসন !
পিরোজপুরের সন্তান হওয়ার কারণে চাচ্ছে সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থী হতে চাওয়াকে ঘিরে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনা। মরজিয়া সুলতানা পনু নামের এই নারী পিরোজপুরের মেয়ে হলেও দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জেলার কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেননি, কোনো নেতা-কর্মীর খোঁজখবর রাখেননি। স্থানীয়দের দাবি, পিরোজপুরের অধিকাংশ মানুষই তাকে চেনেন না।
মরজিয়া সুলতানা পনুর বাপের বাড়ি পিরোজপুর, তবে শশুর বাড়ি লালমনিরহাট। তার স্বামী মাহাবুবুল আলম মিঠু একজন দলবদলু নেতা—প্রথমে সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ, পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে লালমনিরহাট যুবদলের সভাপতি হন। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন তিনি এই পদে ছিলেন। পরবর্তীতে হোসেন মোহাম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করেন, তবে সেখানে হেরে যান। বর্তমানে মিঠু জাতীয় পার্টিতেই আছেন।
পণু একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন এবং শামসুন্নাহার হলে থাকতেন। সূত্র জানায়, ঢাকা শহরে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত তিনি এমএ পাস করতে পারেননি।
পিরোজপুরের মানুষ চেনেন না যাকে, তিনিই হবেন প্রার্থী ?
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন—যে নারী দীর্ঘ ১৭ বছর পিরোজপুরের কোনো সংগ্রামের মাঠে ছিলেন না, কোনো আন্দোলনে অংশ নেননি, কোনো কর্মীর খোঁজ নেননি, তাকে পিরোজপুরের সাধারণ মানুষ চেনে না—কীভাবে তিনি এ জেলার সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী হতে চান? রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সংরক্ষিত আসনটি দলীয় স্বার্থে ব্যবহারের পাশাপাশি ব্যক্তির যোগ্যতা ও জনসংযোগ পরীক্ষা করা জরুরি। পনুর মতো অনুপস্থিত প্রার্থীর মনোনয়ন স্থানীয়দের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে।
প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত পনু বা তার স্বামীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এই প্রার্থীতা ঘিরে পিরোজপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
পিরোজপুর প্রতিনিধি :
১৬ এপ্রিল, ২০২৬, 10:47 PM
পিরোজপুরের সন্তান হওয়ার কারণে চাচ্ছে সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রার্থী হতে চাওয়াকে ঘিরে শুরু হয়েছে নানা সমালোচনা। মরজিয়া সুলতানা পনু নামের এই নারী পিরোজপুরের মেয়ে হলেও দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জেলার কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে অংশ নেননি, কোনো নেতা-কর্মীর খোঁজখবর রাখেননি। স্থানীয়দের দাবি, পিরোজপুরের অধিকাংশ মানুষই তাকে চেনেন না।
মরজিয়া সুলতানা পনুর বাপের বাড়ি পিরোজপুর, তবে শশুর বাড়ি লালমনিরহাট। তার স্বামী মাহাবুবুল আলম মিঠু একজন দলবদলু নেতা—প্রথমে সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ, পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে লালমনিরহাট যুবদলের সভাপতি হন। বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন তিনি এই পদে ছিলেন। পরবর্তীতে হোসেন মোহাম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচন করেন, তবে সেখানে হেরে যান। বর্তমানে মিঠু জাতীয় পার্টিতেই আছেন।
পণু একসময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলেন এবং শামসুন্নাহার হলে থাকতেন। সূত্র জানায়, ঢাকা শহরে বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত তিনি এমএ পাস করতে পারেননি।
পিরোজপুরের মানুষ চেনেন না যাকে, তিনিই হবেন প্রার্থী ?
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশ্ন—যে নারী দীর্ঘ ১৭ বছর পিরোজপুরের কোনো সংগ্রামের মাঠে ছিলেন না, কোনো আন্দোলনে অংশ নেননি, কোনো কর্মীর খোঁজ নেননি, তাকে পিরোজপুরের সাধারণ মানুষ চেনে না—কীভাবে তিনি এ জেলার সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী হতে চান? রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সংরক্ষিত আসনটি দলীয় স্বার্থে ব্যবহারের পাশাপাশি ব্যক্তির যোগ্যতা ও জনসংযোগ পরীক্ষা করা জরুরি। পনুর মতো অনুপস্থিত প্রার্থীর মনোনয়ন স্থানীয়দের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে।
প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত পনু বা তার স্বামীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এই প্রার্থীতা ঘিরে পিরোজপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।